ক্ষেতলালে দুইজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

AI-classifiedconfidence 60%

Why this classification

A housewife was found hanging in her bedroom, and her father alleges she was murdered over a dowry demand, so the death is potentially linked to a crime. The police and her husband describe it as suicide, so this is included only as an unverified allegation. The second death in the same report, a trolley driver's suicide, is excluded.

Reported by:JugantorSingle source
28/04/26•ভাসিলা মহল্লা, ক্ষেতলাল পৌর এলাকা

Killed

1

Injured

0

Summary

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌর এলাকার ভাসিলা মহল্লায় ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল সকালে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাবা যৌতুকের জন্য মোটরসাইকেল দাবির পর মেয়েকে হত্যার অভিযোগ করেছেন, তবে স্বামী সাদিকুল এটি অস্বীকার করেছেন এবং পুলিশ তদন্ত করছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

60% · severity 7

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Monika (victim, housewife)Mohammad Ali (victim's father)Sadikul (husband, denies allegation)Mottadul Hossain (OC, Khetural Police Station)

Tags

Dowry ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 28/04/26open original ↗

ক্ষেতলালে দুইজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ক্ষেতলালে দুইজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার Advertisement ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২১ পিএম জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে পৃথক স্থান থেকে দুইজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ক্ষেতলাল পৌর এলাকার ভাসিলা মহল্লার একটি বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে এক গৃহবধূ এবং ভোররাতে উপজেলার মহব্বতপুর গ্রাম থেকে অপর এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত গৃহবধূ মনিকার বাবা কালাই উপজেলার শাইলগুন গ্রামের মোহাম্মদ আলী জানান, প্রায় এক বছর আগে তিনি মেয়েকে কুজাইল গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সুজন মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে দেন। পরবর্তীতে পারিবারিক জটিলতায় ভাসিলা গ্রামের আনিছুরের ছেলে সাদিকুল মেয়েকে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। পরে দুই পরিবারের সমঝোতায় তাদের সংসার চলছিল। তিনি অভিযোগ করেন, যৌতুক হিসেবে একটি মোটরসাইকেল দাবি করা হয়। তা দিতে না পারায় তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি বিচার দাবি করেন। অভিযোগ অস্বীকার করে নিহতের স্বামী সাদিকুল বলেন, সকালে নাশতা আনার পর তিনি বাইরে গেলে মনিকা ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস দেন। এ ঘটনায় তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল না বলে জানান তিনি। অপরদিকে মহব্বতপুর গ্রামের মজিবরের ছেলে ট্রলিচালক মাসুদ (৩২) পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। জানা গেছে, মাসুদের প্রথম স্ত্রীকে স্থানীয় বাবলু মিয়া নামের এক ব্যক্তি প্রবাসে পাঠায়। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাকে তালাক দিয়ে আবার দ্বিতীয় বিয়ে করেন মাসুদ। তাকেও প্রবাসে পাঠানোর প্রলোভন দেয় বাবলু। কিন্তু মাসুদ তার স্ত্রীকে বাবলুর প্রলোভন থেকে সরে আসতে বলেন। তার কথা না শোনায় স্ত্রীর প্রতি অভিমান করে তিনি দিনগত রাতের কোনো এক সময় আত্মহত্যা করেন। সকালে স্থানীয়রা তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ওসি মোত্তাদুল হোসেন বলেন, একই দিনে উপজেলার পৃথক স্থানে একজন নারী ও একজন পুরুষের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।