রাজশাহীতে গ্রাম পুলিশের স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

The article reports a stabbing murder and arson by local residents without any political party or election motive, so it is not classified as political violence.

Reported by:JugantorDhaka PostSamakalCorroborated · 3 sources
24/07/26•হরিয়ান পূর্বপাড়া গ্রাম

Killed

1

Injured

1

Summary

ফরিদা খাতুন (৪০) কে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭:৩০ টার দিকে পবা জেলার হরিয়ান পূর্বপাড়া গ্রামে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। তার স্বামী লালন শেখের বাড়িতে গ্রামবাসীরা অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেয় এবং তার ছেলে ফয়সাল গুরুতর আহত হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

93% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

ফরিদা খাতুনলালন শেখ (গ্রাম পুলিশ সদস্য)বাবুর ছেলে পরশ (১৮)ছাবের আলী পালু (হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান)সুমন কাদেরী (কাটাখালী থানা ওসি)

Affected infrastructure

বাড়ি

Tags

MurderVigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 24/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 15/02/26open original ↗

রাজশাহীতে দিনমজুরকে গুলি করে হত্যা

রাজশাহীতে দিনমজুরকে গুলি করে হত্যা প্রতীকী ছবি রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২২:৪৭ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার এলাকায় মো. গোলাম মোস্তফা (৫০) নামে এক দিনমজুরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আজ শনিবার রাত ৮ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তফা মতিহার থানার ডাঁসমারী এলাকার তইমুর উদ্দিনের ছেলে। স্বজনরা জানান, মোস্তফা নামাজ পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। খোঁজাপুর কবরস্থানের সামনে দিয়ে যাবার সময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে অচেতন হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে রাজশাহী মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত.ঘোষণা করেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের মতিহার জোনের এসি সোহেল রানা বলেন, 'গুলি করে হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।' স্থানীয়রা জানান, নিহত গোলাম মোস্তফা দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন, রাজনীতি করতেন না। তাকে কারা গুলি করে হত্যা করল তা কেউ বুঝতে পারছেন না। - বিষয় : - রাজশাহী - গুলি করে হত্যা

Source 2: Dhaka Post · 25/07/26open original ↗

নিহতের শাশুড়িকে জড়িয়ে ধরে হত্যাকারীর ফুফুর আহাজারি

হত্যাকারী পরশ ও নিহত ফরিদার বাড়ির দূরত্ব ২০ গজের। ফরিদার বাড়ির সামনে প্রতিবেশী ও স্বজনদের ভিড়। বাড়ি থেকে আসছে আহাজারির শব্দ। বাড়ির ভেতরে ফরিদা পারভীনের শাশুড়ি বাসেয়া বেগমকে (৫৫) জড়িয়ে ধরে কান্না করছেন লাইলী বেগম নামের এক নারী। পাশ থেকে একজন বলে উঠলেন ‘আলগা পিরিত’। এসময় তিনি জানান, ‘লাইলী বেগম হত্যাকারী পরশ সরকারের ফুফু। সান্ত্বনার কান্না দেখাতে এসেছেন।’ স্থানীয় কেউ কেউ বিষয়টি মন্দভাবে নিয়েছেন। তবে কেউ কেউ বলছেন, তারা দূরসর্ম্পকের হলেও আত্মীয়। এসময় লাইলী বেগম বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘ও বুবুরে, ও বুবু। ও বুবুরে এই সর্বনাশ কেনো হলে রে। ও বুবুরে তুমরা কেউ ধরলানারে। সব শেষ হলো রে।’ শনিবার (২৫ জুলাই) সাড়ে ১১টার দিকে পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকার নিহত পারভীনের বাড়িতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। এলাকায় প্রবেশের সড়কে দাঁড়িয়ে চারটি পুলিশের ভ্যান। রয়েছেন অসংখ্য পুলিশ সদস্য। এই বাগানের আশে পাশে বসে রয়েছেন অসংখ্য মানুষ। এনিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুলিশ সদস্যরা হত্যাকারী পরশ সরকারের বাড়ি ঘিরে রেখেছে। বাড়ির ভিতর থেকে আগুনের ধোঁয়া বাইরে উড়ে আসছে। নিহতের বাড়িতে স্বজনরা আহাজারি করছে। এরআগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির সামনে ছুরিকাঘাতে ফরিদা পারভীন নিহত হন। নিহত ফরিদা পারভীনের স্বামী লালন শেখ হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ। এই ঘটনায় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত পরশের বাড়িতে আগুন দেয়। এছাড়া ঘটনার সময় পরশের সঙ্গে জয় নামের এক ব্যক্তি থাকার কারণে একই ইউনিয়নের টিকটিকিপাড়ার জয়ের বাড়িতেও উত্তেজিত জনতা হামলা চালিয়েছে বলে জয়ের মায়ের অভিযোগ। খানজাহান আলীর ছেলে মো. নূর বলেন, আগের জমি নিয়ে সমস্যা ছিল। তবে গতকালের হত্যার ঘটনাটা তর্কাতর্কি নিয়ে। আমার দাদির ফুফাতো বোন পরশের ফুফু লাইলী। পরশের দাদার দিক থেকে তারা দূর সম্পর্কের আত্মীয় হয়। নিহতের শাশুড়ি বাসেয়া বেগম বলেন, পরশ মারামারি করে বেড়ায়। গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে পারিলা রনহাট এলাকায় এক ছেলেকে মারতে গিয়েছিল পরশ। এই কথা প্রতিবেশীদের মধ্যে জানাজানি হয়। বিকেলে ফরিদার বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে পরশকে নিয়ে তিন থেকে চারজন নারী কথা বলাবলি করছিল। এসময় ফরিদাও ছিল। তিনি বলেন, এদের মধ্যে এক নারী বলে উঠেন ‘যার একটা বেটা (ছেলে) তার মায়ের রো শান্তি নাই, বাবারও শান্তি নাই।’ এসময় পরশের মা যাওয়ার সময় শুনে নেন। এসময় পরশের মা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, তোরা আমার বেটাকে নিয়ে গল্প করছিস। আমার বেটা সকালে মারামারি করেছে। এরপর পরশের মা বাড়িতে ফিরে গিয়ে তাকে বলেন। এরপর পরশ দৌড়ে এসে ফরিদাকে ছুরিকাঘাত করেন। নিহতের স্বজন খানজাহান আলী বলেন, হত্যাকারী পরশ ও নিহত পারভীনের বাড়ির দূরত্ব ২০ গজের। পরশের মায়ের সঙ্গে জমিজায়গা নিয়ে আগের বিরোধ রয়েছে। গতকাল বাড়ির ছাদে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া পরশকে ডাক দেয় তার মা। এতে পরশ কোনো কথা ছাড়ায় দৌড়ে এসে এলোপাথারি আঘাত করতে থাকে ফরিদা বেগমকে। ফরিদা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় পরশ ও তার মা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। তিনি বলেন, পরে ফরিদাকে আঘাতপাপ্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ব্যাটারিচালিত ভ্যান গাড়িতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়। এরপর কাটাখালী বাজারে এসে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তাকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ফরিদার ছেলে ফয়সালও (১৫) মাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন। তিনিও রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরশ সরকার মাদকাসক্ত। তাদের বাড়ির ছাদে প্রতিদিনই মাদকের আসর বসান তিনি। সেখানে বহিরাগতরা এসে মাদকগ্রহণ করেন। এছাড়া পরশ সরকারের বাবা বাবু এলাকায় চিহ্নিত সুদ কারবারি। তার বাবার সুদের টাকার লেনদেন তিনিও করে থাকনে। ফলে অগাধ টাকার মালিক বনে যাওয়ার কারণে এলাকায় বেপরোয়া পরশ সরকার। তার তেতুলতলায় বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ নামের মোবাইল বিক্রির দোকান রয়েছে। ঘটনার দিন সেই দোকানে হামলার ঘটান ঘটে। তারা একে অপরে দূরসম্পর্কের আত্মীয়। এই ঘটনার পরে টিকটিকিপাড়ার জয়ও পলাতক রয়েছে। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জয় নেশাগ্রস্ত। তবে তার মা চম্পা বেগম দাবি করেন, সিগারেট ছাড়া কোনো নেশা সেবন করে না তার ছেলে। তিনি বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে অনেক মানুষ এসে আমার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। কিন্তু আমি তখনও জানি না। জয় এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। আমার বাড়ি থেকে দুইটা মোবাইল, নগদ এক লাখ টাকা, ও এক ভোরির বেশি স্বর্ণ চুরি রয়েছে। এসময় আমার ছোট ছেলেকে তারা মারধর করেছে। বর্তমানে জয় কোথায় আছে জানি না। তবে তার কাছে একটা মোটরসাইকেল রয়েছে।’ এ বিষয়ে রাজশাহী নগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. গাজিউর রহমান বলেন, এই ঘটনায় মামলা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে নিহতের স্বামী লালন শেখ বাদী হয়ে পাঁজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আসামিরা গ্রেপ্তার না থাকলেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শাহিনুল আশিক/এসএইচএ

Source 3: Jugantor · 26/07/26open original ↗

রাজশাহীতে গ্রাম পুলিশের স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

রাজশাহীতে গ্রাম পুলিশের স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহীতে ফরিদা খাতুন (৪০) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় তার স্বামী গ্রাম পুলিশ সদস্য লালন শেখ মামলা করেছেন। শনিবার সকালে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কাটাখালী থানায় এ মামলা করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিয়ান পূর্বপাড়া গ্রামে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। নিহত ফরিদার স্বামী লালন শেখ হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ। ফরিদাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার ছেলে ফয়সালও গুরুতর আহত হয়েছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) সূত্রে জানা যায়, ফরিদা খাতুনকে মৃত অবস্থায় জরুরি বিভাগে আনা হয়। আর তার ছেলে ফয়সালকেও আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছাবের আলী পালু জানান, লালন শেখের প্রতিবেশী বাবুর ছেলে পরশ (১৮) ছুরিকাঘাত করেছেন বলে তিনি শুনেছেন। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী বাবুর বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। যোগাযোগ করা হলে রাজশাহীর কাটাখালী থানার ওসি সুমন কাদেরী বলেন, নিহতের স্বামী পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। লাশ ময়নাতদন্তের পর নিকটাত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।