যুবককে স্টেশন থেকে পেটাতে পেটাতে নেওয়া হলো গ্রামে, বেঁধে রাখার পর গেল প্রাণ

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as mob justice / lynchings in Netrokona. Parties reported: Local Villagers, Suspected Thief. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:Ajker PatrikaSamakalProthom AloJugantorCorroborated · 4 sources
18/07/26•Gamruli, Roailbari, Kendua

Killed

1

Injured

0

Summary

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চুরির অভিযোগে ইমন মিয়া নামের এক যুবককে আটক করে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় লোকজন। শনিবার দুপুরে রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের গামরুলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

89% · severity 7

Parties involved

Local VillagersSuspected Thief

Tags

LynchingVigilante JusticeThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 19/07/26open original ↗

চুরির অপবাদে ‘গণপিটুনি’, যুবক নিহত

সারাদেশ চুরির অপবাদে ‘গণপিটুনি’, যুবক নিহত × প্রতীকী ছবি কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬ | ২০:২৩ - অ + নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চুরির অপবাদে গণপিটুনিতে ইমন (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার উপজেলার রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের আমতলা পুরানবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে আজ রোববার কেন্দুয়া থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইমনের বিরুদ্ধে এলাকায় চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। শনিবার সকালে গ্রামবাসী তাকে আটক করে চুরির অপবাদে মারধর করেন। পরে তিনি মারা যান। নিহতের বাবা নূরুল ইসলাম বলেন, তাঁর চার ছেলের মধ্যে ইমন বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন বলে এলাকায় অভিযোগ ছিল। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে ছেলের সঙ্গে কথা বলেন না এবং বাড়িতেও থাকেন না। সিলেটের গোয়ালাবাজার এলাকায় একটি দোকানে চাকরি করেন তিনি। নূরুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার সকাল ১১টার দিকে ফোনে জানতে পারি, চুরির অভিযোগে কে বা কারা আমার ছেলেকে মারধর করেছে। রাত ৮টার দিকে বাড়িতে এসে শুনি, ইমন মারা গেছে। সে মারধরে মারা গেছে, নাকি স্ট্রোক করে—এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।’ স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরে আলম কাজল বলেন, চুরির অভিযোগে ইমনকে গ্রামের লোকজন আটক করে মারধর করেছেন বলে শুনেছেন। তবে স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, ইমন স্ট্রোক করে মারা গেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছিল। কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘চুরির অপবাদ দিয়ে ইমন নামের এক যুবককে আটক করে মারধরের অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় তাঁর বাবা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর ইমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’ পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। বিষয় : নেত্রকোনা চুরির অভিযোগ গণপিটুনি নিহত আরও পড়ুন গাছ লাগিয়ে মামলায় জড়ালেন ‘বৃক্ষপ্রেমী’ লুৎফর নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল ঝালমুড়িওয়ালার ঘরে, গণপিটুনিতে নারী নিহত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নারীর মৃত্যু পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই, ৬৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা সর্বশেষ ‎যাত্রাবাড়ীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ নড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা অভ্যুত্থানে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম ইরানে মার্কিন অভিযান আসলে দীর্ঘ সংঘাতের দিকে যাত্রা গণভোটের রায় কার্যকরের দাবি জামায়াত জোটের নেত্রীদের গাছ লাগিয়ে মামলায় জড়ালেন ‘বৃক্ষপ্রেমী’ লুৎফর এআইনির্ভর অর্থনীতি গড়তে শুধু বাজেট নয়, চাই শক্ত ভিত্তি যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় আরও পড়ুন ×

Source 2: Ajker Patrika · 18/07/26open original ↗

যুবককে স্টেশন থেকে পেটাতে পেটাতে নেওয়া হলো গ্রামে, বেঁধে রাখার পর গেল প্রাণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চুরির অভিযোগে ইমন মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের গামরুলি গ্রামের পুরানবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন মিয়া একই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিকুল ইসলাম। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমন মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের কারণে তিনি কিছুদিন গ্রামছাড়া ছিলেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, মাঝেমধ্যে তিনি গ্রামে ফিরে বিভিন্ন স্থানে চুরি করে আবার চলে যেতেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পুরানবাড়ি গ্রামের একটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইমনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। পরে শনিবার পালিয়ে যাওয়ার সময় আঠারোবাড়ি রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আটকের পর যুবককে পেটাতে পেটাতে গ্রামে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে গ্রামের মসজিদের সামনে বেঁধে রাখা হলে একপর্যায়ে তিনি মারা যান।কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি সিলেট থেকে রওনা হয়েছেন এবং এসে অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।

Source 3: Jugantor · 03/06/26open original ↗

লেনদেন নিয়ে সংঘর্ষে যুবককে গলা কেটে হত্যা, মা-ছেলে আটক

লেনদেন নিয়ে সংঘর্ষে যুবককে গলা কেটে হত্যা, মা-ছেলে আটক Advertisement নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম অভিযুক্ত ব্যক্তি ইমন মিয়া নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় টাকার লেনদেন নিয়ে সংঘর্ষে মিলন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলার দলপা ইউনিয়নের দলপা (কান্দাপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন মিয়া ওই গ্রামের আমজুদ আলীর ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দলপা ইউনিয়নের দলপা (কান্দাপাড়া) গ্রামে মমিন মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া ২ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে একই গ্রামের মিলন মিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় মিলন মিয়াকে ধারাল অস্ত্র (দা) দিয়ে গলায় আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাকে নেত্রকোনা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ব্যক্তি ইমন মিয়া ও তার মা হাফিজা খাতুন হাবিকে (৪০) আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের নিজেদের হেফাজতে নেয়। কেন্দুয়া থানার ওসি মো. মেহেদী মাকসুদ বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মা-ছেলে দুজনকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Source 4: Prothom Alo · 20/06/26open original ↗

সুপারিবাগানে ঢোকায় তিন ছাগল পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, মৃত ছাগল নিয়ে থানায় গিয়ে মামলা

মামলাপ্রতীকী ছবি নেত্রকোনার দুর্গাপুরে একটি সুপারিবাগানে ঢুকে পড়ার অভিযোগে তিনটি ছাগল পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বাগানমালিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর কাছে প্রতিকার না পেয়ে মৃত ছাগলগুলো নিয়ে থানায় হাজির হন ছাগলের মালিক। পরে তিনি মামলা করেন। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে মামলাটি করা হয়। এর আগে একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলার মেনকিফান্দা গ্রামে ছাগল পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। ছাগলের মালিক মো. ছাইদুল ইসলাম মেনকিফান্দা গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত মিয়া হোসেনও একই গ্রামের বাসিন্দা। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা, এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যার আগে ছাইদুল ইসলামের আটটি ছোট-বড় ছাগল বাড়ির উত্তর পাশে মিয়া হোসেনের সুপারিবাগানের কাছাকাছি ঘাস খেতে যায়। ওই সময় বাগানে কাজ করছিলেন মিয়া হোসেনের লোকজন। অভিযোগ রয়েছে, মিয়া হোসেনের নির্দেশে তাঁর লোকজন ছাগলগুলো তাড়িয়ে দিয়ে ছাইদুল ইসলামের বাড়িতে যান এবং ছাগলগুলো আবার বাগানে প্রবেশ করলে সেগুলো আর জীবিত থাকবে না বলে হুমকি দেন। এর কিছু সময় পর ছাইদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী আজুফা খাতুন ছাগলগুলোকে বাড়িতে আনার জন্য বাগানে গেলে দুটি পাঁঠা ও তিন মাসের গর্ভবতী একটি ছাগলকে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ছাইদুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রামবাসীর কাছে বিচার চেয়েও কোনো সুরাহা পাইনি। তাই মৃত ছাগলগুলো নিয়ে থানায় এসে অভিযোগ করেছি।’ ছাইদুল ইসলামের স্ত্রী আজুফা খাতুন বলেন, ‘এই ছাগলগুলো আমি আমার সন্তানের মতো লালনপালন করি। এগুলো লালনপালন কইরা যা আয় তা দিয়াই আমরা সংসার চালাই। মিয়া হোসেন আমার তিনডা ছাগলরে এইভাবে মাইরা ফালাইবে, তা কোনো সময় ভাবছি না। এর মধ্যে একটা ছাগল গাভিন আছিল। তাঁরা শক্তিশালী লোক, কেউ তাঁদের বিরুদ্ধে কথা কয় না। তাই থানায় আইসা প্রতিকার চাইতাছি।’ দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের আহমেদ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। খোঁজ নিয়ে জেনেছি মিয়া হোসেন মন্দ প্রকৃতির লোক। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নেত্রকোনাদুর্গাপুরময়মনসিংহ বিভাগঅভিযোগহত্যা