পড়া না পারায় শিশুকে বেত্রাঘাত, শিক্ষক পলাতক
Why this classification
A teacher beat a 10-year-old madrasa student with a cane on Wednesday morning, leaving dark and red bruises on his body, and on the same evening an angry crowd held and beat the madrasa headmaster. Both are concrete physical attacks on specific people within the recent window, so this counts as a violent incident.
Killed
0
Injured
2
Summary
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ২২ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার) পড়া না পারায় ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নাহিদ হাসানকে বেত দিয়ে নির্মমভাবে মারধর করেন শিক্ষক আবু হুরাইরা, যিনি পরে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুককে অবরুদ্ধ করে মারধর ও লাঞ্ছিত করে, পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পড়া না পারায় শিশুকে বেত্রাঘাত, শিক্ষক পলাতক
পড়া না পারায় শিশুকে বেত্রাঘাত, শিক্ষক পলাতক প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে মারধর সংগৃহীত আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬:৪৬ জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে পড়া না পারায় ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে বেত্রাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালো ও লালচে ডোরাকাটা দাগ পড়ে। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত শিক্ষক আবু হুরাইরা পালিয়ে যান। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে (মুহতামিম) অবরুদ্ধ করে মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের রামশালা শিমুলতলী মোড় এলাকায় একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে। বেত্রাঘাতের শিকার নাহিদ হাসান (১০) রামশালা দারুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসার হেফজখানা বিভাগের আবাসিক ছাত্র এবং উপজেলার জাফরপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাহিদ প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। বুধবার সকালে পড়া না পারায় শিক্ষক আবু হুরাইরা তাকে বেত দিয়ে মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালো ও লালচে হয়ে যায়, যদিও সে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে কিছু জানায়নি। সন্ধ্যায় নাহিদের বাবা মিজানুর রহমান ছেলের জন্য নাশতা নিয়ে মাদ্রাসায় গেলে তার শরীরে লালচে ডোরাকাটা দাগ দেখতে পান। পরে নাহিদ জানায়, সকালে পড়া না পারায় তাকে মারধর করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষকরা অভিযুক্ত শিক্ষককে পালাতে সহায়তা করেন। পরে আহত নাহিদকে রামশালা মোড়ে এক স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। এ সময় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক সেখানে গেলে ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং এক পর্যায়ে মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নাহিদ হাসান জানায়, ‘পড়া দিতে পারিনি বলে হুজুর আমাকে অনেক মারধর করেছেন। হাত-পায়ের বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়েছে, হাতজোড় করেও রক্ষা পাইনি।’ নাহিদের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষক শাসন করবেন, এতে আপত্তি নেই। কিন্তু যেভাবে আমার ছেলেকে মারা হয়েছে, তা অমানবিক। চোরকেও এভাবে মারা হয় না।’ প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক বলেন, ‘ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে গেছেন। তবে তাঁকে পালাতে সহায়তার অভিযোগ সঠিক নয়। উত্তেজিত লোকজন আমাকে লাঞ্ছিত করেছেন।’ স্থানীয় বাসিন্দা শাহজান আলী জানান, ওই মাদ্রাসায় প্রায়ই শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ শোনা যায়। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীর শরীরের অবস্থা দেখে হতবাক হয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আক্কেলপুর থানার ওসি শাহীন রেজা বলেন, ‘ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেছে। এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
