বাজার নিয়ে দ্বন্দ্ব, হামলার ভয়ে পশু পরিবহন বর্জন

AI-classifiedconfidence 72%

Why this classification

The article reports a specific attack during the Saturday cattle market day, where vehicles were forcibly stopped, drivers were beaten and threatened, and some property was vandalised. Because these acts happened recently and in Bangladesh, the incident counts as violence, even though no deaths or specific injury numbers are given.

Reported by:SamakalSingle source
28/02/26•মুড়াউড়া একতা বাজার, দিনারপুর পরগনা, নবীগঞ্জ

Killed

0

Injured

0

Summary

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে দিনারপুর পরগনার গরুর হাটে টোল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) হাটের দিনে হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর চালকদের মারধর, গাড়ি আটকানো ও ভাঙচুরের অভিযোগে ট্রাক-পিকআপ ভ্যান মালিক সমিতি তিনটি বাজার বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

72% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মুড়াউড়া একতা বাজারের লোকজননবীগঞ্জ ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি লিটন মিয়াট্রাক-পিকআপ ভ্যান মালিক সমিতিবাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী তোফায়েল আহমদইউএনও রুহুল আমিন

Affected infrastructure

ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানগরুর বাজার

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 02/03/26open original ↗

বাজার নিয়ে দ্বন্দ্ব, হামলার ভয়ে পশু পরিবহন বর্জন

বাজার নিয়ে দ্বন্দ্ব, হামলার ভয়ে পশু পরিবহন বর্জন ট্রাক-পিকআপ ভ্যানের বর্জনের কারণে পশু পরিবহন বিঘ্নিত হওয়ায় নবীগঞ্জের জনতার বাজারে ছিল না প্রত্যাশিত ভিড়। সংকটে বিপদে পড়েন ক্রেতারা। ছবি: সমকাল নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬ | ১২:৩৯ দখল, চাঁদা, ইজারাসহ নানা ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে চলমান দ্বন্দ্বের জেরে ভেঙে গেছে সিলেট অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গরুর বাজারটি। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুর পরগনায় অবস্থিত এই বাজার এখন একটি থেকে ভেঙে তিনটি হয়েছে। গত শনিবার হাটের দিন আবারও সেখানে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। কে কোন বাজারে বেশি গরু নিবেন এমন টানাটানিতে ঘটে হামলার ঘটনা। এর জের ধরে ওই বাজার তিনটি বর্জনের ঘোষণা দেয় ট্রাক-পিকআপ ভ্যান মালিক সমিতি। তারা জানান, প্রতি শনিবারে চলছে ওই এলাকায় এক অরাজকতা। উক্ত বাজারে বিভিন্ন স্থান থেকে পিকআপ গাড়িযোগে লোকজন পশু নিয়ে আসেন। কিন্তু এসব গাড়ি নিয়ে শুরু হয় কাড়াকাড়ি। মুড়াউড়া একতা বাজারের লোকজন জোরপূর্বক গাড়ি আটকিয়ে পশু নামানোর চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহের শনিবার হাটের দিন বাজারগুলো ছিল প্রায় পশুশূন্য। প্রতি বাজারে যেখানে ১০ থেকে ১৫ হাজার গরু থাকে, সেখানে শনিবার তিনটি বাজার ছিল খালি। ২০ বছরের ইতিহাসে প্রথম সিলেটের বৃহৎ এই গরুর বাজার এমন মন্দা গেল। এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তিনটি বাজার মিলে এদিন গরু ছিল ৫০০ থেকে ৬০০টি। ১৯৭৩ সালে নবীগঞ্জের দক্ষিণ গজনাইপুর মেলার বাজারে পশুর হাট গড়ে ওঠে। ২০০২ সালে এখানে পরিচালনার দ্বন্দ্বে পার্শ্ববর্তী উত্তর গজনাইপুর মাঠে গড়ে উঠে আরেকটি হাট। পরে গত এক মাস ধরে আবারও পরিচালনা কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। সাতাই হাল ৬ মৌজার মানুষ পাশের স্থানীয় মুড়াউড়া খেলার মাঠে আরেকটি গরুর হাট গড়ে তুলেন। তার নাম দেওয়া হয় একতার বাজার। পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, পশুর হাটকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাদের টোল আদায় ও টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বে একটি বাজার ভেঙে ৩টি বাজারে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, দক্ষিণ গজনাইপুর জনতার বাজার, মুড়াউড়া একতা বাজার ও গজনাইপুর পুরাতন মেলার বাজার– এই তিনটি গরু বাজারই চলছে সরকারের কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে। বাজার ঘিরে সাধারণ মানুষ এখন চরম ভোগান্তির শিকার। অভিযোগ উঠেছে, গরু বা খাসি নিয়ে মালিকরা গাড়িতে উঠবেন ঠিকই কিন্তু সেগুলো কোন বাজারে নামবে সেই সিদ্ধান্ত দিচ্ছে স্থানীয় একটি পক্ষ। বিশেষ করে মুড়াউড়া একতা বাজারে না নামলে চালকদের মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। নবীগঞ্জ ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি লিটন মিয়া বলেন, নির্দিষ্ট বাজারে না গেলে গাড়ি আটকে দেওয়া, জোরপূর্বক গাড়ি ঘুরিয়ে নেওয়া, এমনকি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। এতে করে পশু ব্যবসায়ী, খামারি ও সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন সীমাহীন দুর্ভোগে। বাজারে যাওয়ার আগেই শুরু হচ্ছে চাপ, টানাহেঁচড়া, ভীতি আর অনিশ্চয়তা। তাই হবিগঞ্জসহ সারাদেশের পিকআপ ভ্যান ও ট্রাক মালিক সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ করে সব ধরনের গরু বহনকারী পরিবহন হাট বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অয়তুন মিয়া নামে একজন বলেন, এ অবস্থায় এলাকাবাসীর একটাই দাবি– আইনের শাসন নিশ্চিত হোক, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাদের দন্দ্বের কারণে এভাবে একটি বৃহৎ পশুর হাট ধ্বংস করা সঠিক হবে না। ইউএনও রুহুল আমিন জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সরকারিভাবে কোনো কালেকশন হয়নি। বাজার কমিটি কালেকশন করে নিজেদের মতো। বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী তোফায়েল আহমদ বলেন, বাজার তাদের মাধ্যমেই পরিচালিত। হাইকোর্টের রুলনিশি জারির পরে তা চলছে। দ্রুতই স্বাভাবিক হবে পশু সরবরাহ। এ বিষয়ে কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা। - বিষয় : - হবিগঞ্জ