গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

The article reports a physical clash between RAKSU and Shibir members on campus with beatings and injuries, meeting the definition of political violence; therefore is_political_violence is true.

Reported by:SamakalSingle source
27/07/26•Central Library

Killed

0

Injured

4

Summary

২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, রাকসু ভবন ও প্রক্টর দপ্তরে রাকসু ও শিবির নেতাদের মধ্যে মারধর ও সংঘর্ষ ঘটেছে। তিনজন রাকসু সদস্য এবং শিবির নেতারা একে অপরকে আক্রমণ করে কয়েকজনকে আহত করেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 5

Perpetrator side

Awami LeagueJamaat

Victim side

Awami LeagueJamaat

Other actors

AnasHasibMahmudul HasanB M Nazmus SakibSalahuddin AmmarSalman SabbirImran LaskarSifat Abu SalehMehedi HasanMehedi SajibManazir AhassanShamiem PatwariFozle Rabbi Mohammad Fahim RezaAriful IslamAhssanullah FarhanMahbubur Rahman

Affected infrastructure

Central Library reading roomRAKSU buildingProctor's office

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 4

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League, Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League, Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 27/07/26open original ↗

গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা

সারাদেশ গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা × সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর, রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ১৯:০৯ | আপডেট: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ২১:৫৮ - অ + রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গতকালের ঘটনার জেরে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) নেতাদের সঙ্গে কয়েকজন শিক্ষার্থীর কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে। সোমবার দুপুরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে ঢুকে তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। তবে হামলায় ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর, রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিচার দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শিক্ষার্থীরা জানায়, রোববার সংস্কৃত বিভাগের এক ছাত্রী একই বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ওই রাতেই প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। সেখানে অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে থাকা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আনাস, হাসিব ও সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসানসহ কয়েকজন অভিযোগ অস্বীকার করেন। সোমবার দুপুরে এ বিষয়ে আবার বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ও অন্য নেতারা আনাসকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে অভিযোগ করেন। এ সময় তার মোবাইল ফোনে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তোলা ছবি পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তারা। এরপর প্রক্টর দপ্তরে আনাসকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে প্রক্টর পরিস্থিতি সামাল দিলে সংশ্লিষ্টরা সেখান থেকে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর বিকেল তিনটার দিকে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে যান। এ সময় সেখানে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব আহত হন বলে রাকসুর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরে উভয় পক্ষ কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সেখানে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বাক্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রক্টর কয়েকজন শিক্ষার্থীকে গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর রাকসু জিএস আম্মার, এজিএস সালমান সাব্বির, বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ইমরান লস্কর, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শাখা শিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব, দপ্তর সম্পাদক মানাজির আহাসান, অর্থ সম্পাদক শামীম পাটোয়ারী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও শাখা শিবিরের ক্যাম্পাস মনিটরিং কো-অর্ডিনেটর ফজলে রাব্বি মোহাম্মদ ফাহিম রেজা, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসানুল্লাহ ফারহান, জিএস আশিক শিকদার, নবাব আব্দুল লতীফ হল জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, ‘শিবির ক্যাডার’ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পুর্নবিবেচনায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী রমজান আলীসহ শিবিরের কয়েকজন নেতা পাঠকক্ষে ঢুকে আনাস, হাসিব ও মাহমুদুলকে মারধর করেন। এ সময় পাঠকক্ষে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ বাধা দিতে গেলে তারাও হামলার শিকার হন। পরে প্রক্টরিয়াল বডি, পুলিশ ও উপস্থিত শিক্ষার্থীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে গুরুতর আহত মাহমুদুল হাসানকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তাকে আবার মারধরের চেষ্টা করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ। ঘটনার সময় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে থাকা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘আমরা পড়াশোনা করছিলাম। হঠাৎ একদল লোক রিডিং রুমে ঢুকে যাকে পাচ্ছে তাকেই ছাত্রলীগ বলে অভিযুক্ত করছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপরও হামলা হয়েছে। কেউ ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাকে মারধরের অধিকার কারও নেই। বিচারের জন্য রাষ্ট্রের আইন রয়েছে।’ যা বলছেন হামলার শিকার শিক্ষার্থী আনাস বলেন, প্রক্টর দপ্তরে তাকে ছাত্রলীগের কর্মী আখ্যা দিয়ে মারধর করা হয়। পরে গ্রন্থাগারেও তার ওপর হামলা চালানো হয়। তার দাবি, তিনি ছাত্রলীগের কর্মী নন। অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বন্ধুদের সঙ্গে ছবি থাকলেও তিনি কখনো সংগঠনটির ব্যানার বা কর্মসূচিতে যুক্ত ছিলেন না। শিবির ও রাকসু নেতাদের বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, ‘এ ঘটনায় ছাত্রশিবিরের কেউ জড়িত ছিল না। রাকসু নেতাদের ওপর হামলার খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই।’ তবে হামলার ভিডিওতে ছাত্রশিবিরের নেতাদের দেখা যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘রাকসু ভবনে এসে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আমাদের নেতাদের মারধর করেছে। প্রশাসনের কাছে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলাম। পরে আমাদের ওপর হামলার পর আমরা সেখানে যাই।’ যা বলছে ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, একটি ব্যক্তিগত বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের মতো একটি শিক্ষাঙ্গনে হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। প্রশাসনের বক্তব্য সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলীম সমকালকে বলেন, ‘দিনব্যাপী যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমরা এখন পুলিশ প্রশাসন, প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে একটি সভায় বসেছি। দ্রুত সময়ের ভেতর এই ঘটনা তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী বিচার করা হবে।’ বিষয় : রাবি ছাত্রশিবির রাকসু মারধর সংঘর্ষ আরও পড়ুন রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, বাবা-ছেলেসহ দুজন নিখোঁজ ১০ লাখ টাকার প্রতিশ্রুতি, কিডনি প্রতিস্থাপনের পর পেলেন ৫০ হাজার বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, পরদিন কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার দুই মাসে ২৫ পুশইনের চেষ্টা ঠেকাল বিজিবি সর্বশেষ রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, বাবা-ছেলেসহ দুজন নিখোঁজ ১৭ বছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছে বিএনপি: শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি দায়িত্ব ছাড়লে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব: তথ্য উপদেষ্টা ১৭ বছরে জুলাই অভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছে বিএনপি: শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১০ লাখ টাকার প্রতিশ্রুতি, কিডনি প্রতিস্থাপনের পর পেলেন ৫০ হাজার একসাথে থেকেও বাড়ছে মানসিক দূরত্ব? সম্পর্কে প্রাণ ফেরাবেন যেভাবে চার বছরের চুক্তিতে ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদান নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এআইভিত্তিক ডেটা বিশ্লেষণ ব্যবস্থার উদ্যোগ আরও পড়ুন ×