ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত, বাবা গুরুতর আহত
Why this classification
প্রবন্ধে কুড়িগ্রাম সাদরে একটি ছুরিকাঘাতের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে যেখানে এক ব্যক্তি তার মা ও বাবাকে আঘাত করে, ফলে একের মৃত্যু ও একের গুরুতর আঘাত হয়েছে; এটি সাম্প্রতিক (১৪ অক্টোবর ২০২৬) এবং বাংলাদেশে ঘটেছে, তাই এটি সহিংসতা হিসেবে স্বীকৃত।
Killed
1
Injured
1
Summary
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের পলাশবাড়ি গ্রামে ৩৫ বছর বয়সী মোস্তাকিন আলম শোভন মাদকের কারণে তার মা মুনিরা বেগমকে ছুরিকাঘাত করে এবং বাবার সরদার আলীকে আঘাত করে। মা মারা যান, বাবা গুরুতর আহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত, বাবা গুরুতর আহত
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নে ছেলের ছুরিকাঘাতে মুনিরা বেগম (৫৬) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছেলের বাবা অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী সরদার আলী (৬৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের পেছনে ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ছেলে মোস্তাকিন আলম শোভন (৩৫)। তিনি মাদকাসক্ত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, শোভনকে কয়েকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েছিলেন তাঁর মা-বাবা। তবে প্রতিবারই সেখান থেকে পালিয়ে আসেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে আবারও নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মা-বাবা। কিন্তু এতে রাজি ছিলেন না শোভন। বুধবার ভোরে সিরাজগঞ্জের একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রের কর্মীরা শোভনকে নিতে তাঁদের বাড়িতে অপেক্ষা করছিলেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে ঘর থেকে বেরিয়ে বাড়িতে থাকা একটি ছুরি দিয়ে মায়ের বুকে আঘাত করেন শোভন। এ সময় বাবা এগিয়ে এলে তাঁর পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন তিনি। এরপর সেখান থেকে পালিয়ে যান শোভন। পরে বাড়িতে থাকা মাদক নিরাময় কেন্দ্রের কর্মীরা গুরুতর আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুনিরা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সরদার আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খলিলগঞ্জের একটি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল কাদের বলেন, ‘অভিযুক্ত ছেলে মাদকাসক্ত। তার কারণে কলেজশিক্ষক বড় ভাই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র ভাড়া থাকেন। যে মা ওই ছেলেকে আগলে রেখেছিলেন, সেই মা তাঁর হাতেই প্রাণ হারালেন। বাবার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সব জায়গায় মাদকে সয়লাব, সহজলভ্য। অনেক তরুণ ও যুবক মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছেন। আজকের ঘটনা মাদকের কারণেই হয়েছে। আমরা সবাই অনিরাপদ হয়ে পড়ছি। আমাদের সন্তানদের মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করবে কে?’ কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। অভিযুক্ত ছেলেকে ধরতে আমরা মাঠে রয়েছি। তাঁকে আটকের জন্য জোর চেষ্টা চলছে।’
ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল মায়ের, বাবা গুরুতর আহত
ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল মায়ের, বাবা গুরুতর আহত. কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নে এক মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বাবা।
‘মাদকের টাকা না দেওয়ায়’ ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত, রক্ষা করতে গিয়ে বাবা আহত
অভিযুক্ত যুবক মুত্তাকীন আলমছবি: সংগৃহীত কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় বসতঘর থেকে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া তাঁর স্বামীকে ছুরিকাহত অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তাঁদের ছেলে মুত্তাকীন আলমকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। স্বজনদের দাবি, মাদকের টাকা না দেওয়ায় মা ও বাবাকে ছুরিকাঘাত করেন ওই যুবক। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের পলাশবাড়ী এলাকায় নিজেদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম পারুল বেগম। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা সরদার আলী স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুত্তাকীন আলম মাদকাসক্ত হয়ে পড়লে তাঁকে বগুড়ার একটি পুনর্বাসনকেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। সেখানে প্রায় দুই বছর থাকার পর পরিবারের সদস্যরা সম্প্রতি তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে বাড়িতে ফেরার পর তিনি আবার মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। আজ ভোরে মাদকের টাকা দেওয়ার জন্য পারুল বেগমকে চাপ দিতে থাকেন মুত্তাকীন। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মুত্তাকীন ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে ছুরিকাঘাত করেন। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই পারুলের মৃত্যু হয়। পারুল বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। কামাল হোসেন, কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি ওই সময় স্ত্রীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে সরদার আলীকেও ছুরিকাঘাত করেন মুত্তাকীন। পরে তিনি পালিয়ে যান। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন সরদার আলীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে আজ সকাল ১০টার দিকে মাঝিপাড়া এলাকা থেকে মুত্তাকীনকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুত্তাকীনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, পারুল বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন কুড়িগ্রাম সদরমাদকনিহতরংপুর বিভাগকুড়িগ্রামছুরিকাঘাত
