প্রবীণ দুই সাংস্কৃতিক সংগঠকের ওপর বখাটেদের হামলা
Why this classification
This is a single, concrete incident in which local youths physically beat two elderly cultural organizers in Rajbari on the night of Friday 22 May 2026 and snatched their phones. The article describes the attack itself, not just reactions to it, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
2
Summary
গত ২২ মে ২০২৬ (শুক্রবার) রাত প্রায় ১০টায় রাজবাড়ী শহরের কাজীকান্দা চোইরাপাড়া এলাকায় বখাটেরা প্রবীণ সাংস্কৃতিক সংগঠক আসাদুজ্জামান চৌধুরী বাবলা ও আতাউর রহমানকে কিলঘুষি ও মারধর করে এবং তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। টর্চ জ্বালানো নিয়ে তুচ্ছ কথা-কাটাকাটির জেরে ঘটা এই হামলায় আরও পাঁচ-ছয়জন যোগ দেয়, পরে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা মোবাইল ফেরত দিয়ে চলে যায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
প্রবীণ দুই সাংস্কৃতিক সংগঠকের ওপর বখাটেদের হামলা
প্রবীণ দুই সাংস্কৃতিক সংগঠকের ওপর বখাটেদের হামলা রাজবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬ | ০৮:১৪ | প্রিন্ট সংস্করণ রাজবাড়ীতে প্রবীণ দুই সাংস্কৃতিক সংগঠকের ওপর হামলা চালিয়েছে বখাটেরা। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রাজবাড়ী শহরের কাজীকান্দা চোইরাপাড়া এলাকায় তারা হামলার শিকার হন। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিত্বরা। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরাও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। হামলার শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে আসাদুজ্জামান চৌধুরী বাবলা (৭০) রাজবাড়ী থিয়েটারের সভাপতি ও আতাউর রহমান (৬৪) বিশ্বভরা প্রাণ রাজবাড়ী শাখার সভাপতি। শহরের বেড়াডাঙ্গার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান চৌধুরী বাবলা দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত। ছাত্রজীবনে রাজনীতিও করেছেন। জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর অবদান যেমন রয়েছে, পরিচিতিও ব্যাপক। মাঝেমধ্যে লেখালেখিও করেন। আর শহরের শ্রীপুর এলাকার বাসিন্দা আতাউর রহমান অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। তিনিও দীর্ঘদিন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত। আসাদুজ্জামান চৌধুরী বাবলার দেওয়া তথ্যমতে, রাজবাড়ী থিয়েটারের উদ্যোগে একটি গানের বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য শুক্রবার থিয়েটার কার্যালয়ে মিটিং করে আতাউর রহমানকে নিয়ে তাঁর বেড়াডাঙ্গার বাসায় যান। রাত হয়ে যাওয়ায় আতাউর রহমানকে এগিয়ে দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। ঘুটঘুটে অন্ধকারে টর্চ জ্বেলে পথ চলছিলেন। বেড়াডাঙ্গা থেকে কাজীকান্দার পাশে চোইরাপাড়া দিয়ে যাওয়ার সময় দুই যুবক তাদের উদ্দেশে বলে ওঠে, ‘এই টর্চ মারে কে?’ ওই যুবকদের ‘তুই-তোকারি’ করে কথা বলার প্রতিবাদ করেন আসাদুজ্জামান চৌধুরী বাবলা। এ সময় তাঁর সঙ্গে ওই যুবকদের তর্কাতর্কি হয়। এক পর্যায়ে তারা চৌধুরী বাবলাকে কিলঘুষি মারতে থাকে। আতাউর রহমান নিষেধ করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। এ সময় তাদের দুজনের মোবাইল ফোনই কেড়ে নেয় হামলাকারীরা। পরে আরও পাঁচ-ছয়জন এসে তাদের মারতে শুরু করে। হামলার শিকার দুজনের চিৎকারে এলাকার কিছু লোক এগিয়ে আসে। এ সময় বখাটেরা মোবাইল ফোন ফেরত দিয়ে চলে যায়। তবে হামলাকারীদের কাউকে চিনতে পারেননি জানিয়ে আসাদুজ্জামান চৌধুরী বাবলা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে এই এলাকায় বড় হয়েছি। সবকিছু আমার চেনা। কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করিনি। অন্যায় হলেই প্রতিবাদ করেছি। এ ঘটনায় আমি স্তম্ভিত।’ বিষয়টি পুলিশে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘থানায় অভিযোগ করে কোনো লাভ হবে না, তাই অভিযোগ করিনি।’ স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান সনেট জানান, আসাদুজ্জামান চৌধুরী একজন বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ। তাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা কিছুতেই কাম্য নয়। প্রতিক্রিয়া রাজবাড়ী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম রোমান বলেন, দলমত নির্বিশেষে আসাদুজ্জামান চৌধুরী সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। তাঁর ওপর হামলাকারীদের শনাক্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। রাজবাড়ী থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজুল হক কল্লোল বলেন, এ হামলা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। হামলাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি। একই দাবি জানিয়ে রাবেয়া কাদের স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, বাবলা চৌধুরী একজন সজ্জন ব্যক্তি। সব ভালো কাজের সঙ্গে তিনি থাকেন। জেলার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তার ওপর এ হামলার তীব্র প্রতিবাদ করছেন তারা। এ ঘটনায় আরও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজবাড়ী একাডেমির সভাপতি সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান, রাজবাড়ী রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি লিটন চক্রবর্তী, রাজবাড়ী সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি আহসান হাবীব, রাজবাড়ী জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র শীল চন্দনসহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা। এ ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, তুচ্ছ ঘটনার জেরে বখাটেরা এমন কাণ্ড করেছে। তাদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। - বিষয় : - হামলা
