হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু, ওষুধের কথা বলে মাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

এটি একটি সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনা যা ১৪ দিনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে এবং বাংলাদেশে ঘটেছে। ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে সহিংস অপরাধ। তাই এটি সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostJugantorSamakalCorroborated · 3 sources
07/06/26•নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল

Killed

0

Injured

0

Summary

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে অসুস্থ মেয়েকে চিকিৎসা করাতে আসা এক মাকে (১৮) হাসপাতালের তিন আউটসোর্সিং সুইপার ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল করে। ঘটনাটি ৭ জুন রাতে ঘটে এবং ৯ জুন অভিযোগের পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

অমিতঅনিলপ্রাঙ্গণভুক্তভোগী নারীভুক্তভোগীর স্বামীওসি মনসুর রহমান

Tags

RapeSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 04/06/26open original ↗

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুচকা ব্যবসায়ীকে গণপিটুনি

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ফুচকা ব্যবসায়ীকে গণপিটুনি প্রতীকী ছবি নাটোর সংবাদদাতা প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ১১:১৯ | আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ | ১২:১৭ নাটোর সদর উপজেলায় ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ফুচকা ব্যবসায়ীকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। গত মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে। তবে গতকাল বুধবার রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। শরিকুল একই এলাকার আব্বাস আলীর ছেলে। ভুক্তভোগীকে নাটোর জেলারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে শিশুটিকে ফুচকা খাওয়ানোর কথা বলে ভুট্টাখেতে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে শরিফুল। পরে শিশুটিকে হত্যার ভয় দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখার হুমকি দেয়। তবে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত নাটোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শরিফুলকে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ বিষয়ে নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে শরিফুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরে শরিফুলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Source 2: Dhaka Post · 09/06/26open original ↗

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু, ওষুধের কথা বলে মাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে অসুস্থ মেয়েকে (২) চিকিৎসা করাতে আসা এক মাকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের তিন আউটসোর্সিং সুইপারের বিরুদ্ধে। রোববার (৭ জুন) রাতে সদর হাসপাতালের ৬ষ্ঠ তলায় এ ঘটনা ঘটলে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে হাসপাতালের তিন আউটসোর্সিং সুইপার অমিত (২৩), অনিল (২৪) এবং প্রাঙ্গণকে (২৩) আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে নাটোর সদর থানা পুলিশ। ভুক্তভোগীর পরিবার ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নাটোর সদর উপজেলার বাসিন্দা ভুক্তভোগী ওই নারী দুই বছর বয়সী অসুস্থ কন্যাকে গত ৫ জুন নাটোর সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। তার স্বামী পেশায় অটোরিকশাচালক। কাজের জন্য তার স্বামী বাইরে থাকায় ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালে মেয়ের দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত রোববার (৭ জুন) রাত ১০টার দিকে আসামি অমিত ওষুধ দেওয়ার কথা বলে তাকে ওয়ার্ড থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তাকে জোরপূর্বক হাসপাতালের ছয়তলার সিঁড়িঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় অমিতের অপর দুই সহযোগী অনিল ও প্রাঙ্গণ সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও দেখিয়ে তারা ভুক্তভোগী নারীকে ব্ল্যাকমেইল করে এবং তাদের সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ ও হুমকি প্রদান করে। এদিকে শিশু ওয়ার্ডে দীর্ঘক্ষণ মাকে না পেয়ে শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে বিষয়টি ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্স ও ওয়ার্ডবয়দের নজরে আসে। তারা ওই নারীর খোঁজ শুরু করেন এবং হাসপাতালের আনসার সদস্যদের সাহায্য চান। পরবর্তীতে আনসার সদস্য আল আমিন ও সালাউদ্দিন হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে ছয়তলার সিঁড়িতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করেন। এরপর তারা হাসপাতাল স্টাফদের নিয়ে সেখানে গিয়ে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেন। ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, তিনি পর দিন সকালে হাসপাতালে এসে স্ত্রী ও কন্যাকে ওয়ার্ডে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তিনি পুরো ঘটনা জানতে পারেন। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি। অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। আশিকুর রহমান/আরকে

Source 3: Jugantor · 11/06/26open original ↗

রোগীর মাকে ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল রোগীর মাকে ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি Advertisement নাটোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু রোগীর মাকে ধর্ষণ ও এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন সুইপার (পরিচ্ছন্নতাকর্মী) গ্রেফতারের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতালে সিসিটিভি থাকার পরও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তা দ্রুত তদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মশিউর রহমান তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তদন্তের স্বার্থে কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। জানা যায়, গত রোববার রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি দুই বছর বয়সি এক কন্যাশিশুর মাকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে ডেকে হাসপাতালের লিফটে ছয়তলার সিঁড়িঘরে নিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনিল ও প্রাঙ্গণ ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে এবং ভুক্তভোগী নারীকে সেখানে আটকে রেখে ভিডিও দেখিয়ে ফের ধর্ষণ করতে জোরাজুরি করতে থাকে। মায়ের অনুপস্থিতিতে শিশুটির চিৎকারে রাত ২টার দিকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হাসপাতালের আনসার সদস্যরা হাতেনাতে অভিযুক্তদের ধরে ফেললেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তাদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযুক্ত তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মী শহরের আলাইপুরের সুইপার কলোনির বাসিন্দা অমিত, অনিল ও প্রাঙ্গণকে গ্রেফতার করে।