ঘরে ঢুকে গৃহবধূ ও ননদের মেয়েকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a concrete, recent violent incident: a man entered a house at night and raped two women, one of them a minor, while threatening to kill them. The article reports the perpetrator was detained on 10 June 2026, and the victims are undergoing medical examination.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
10/06/26•Chanchra Dalmill area

Killed

0

Injured

0

Summary

যশোরের চাঁচড়া ডালমিল এলাকায় ১০ জুন ২০২৬ তারিখের গভীর রাতে এক যুবক ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূ ও তার ননদের কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত রকিকে আটক করেছে, এবং ভুক্তভোগীদের মেডিকেল পরীক্ষা চলছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

92% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

রকি (Rocky), son of Razzak Hossain of Chanchra Dalmill areaKazi Babul Hossain, Investigation Officer (Inspector, Investigation), Jessore Kotwali Model Police StationHousewife (victim)Minor girl, niece of the housewife's sister-in-law (victim)

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 11/06/26open original ↗

ঘরে ঢুকে গৃহবধূ ও ননদের মেয়েকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক

যশোরের চাঁচড়া এলাকায় এক ঘরে ঢুকে দুই নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ বুধবার (১০ জুন) গভীর রাতে অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে। আটক রকি চাঁচড়া ডালমিল এলাকার রাজ্জাক হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, রকির বিরুদ্ধে এর আগে হত্যা মামলা ছিল। তিনি ওই মামলার সাজাও খেটেছেন। পুলিশ ও ভিকটিম পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে এক ঘরে গৃহবধূ ও তার ননদের মেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। ওই গৃহবধূর স্বামী তখন বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে কৌশলে রকি ওই ঘরে ঢুকে পড়েন। অন্ধকারে প্রথমে তিনি গৃহবধূর কাছে যান। ওই সময় গৃহবধূ ভেবেছিলেন তার স্বামী এসেছেন। প্রথমে অন্ধকারে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তিনি জেগে উঠে বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর রকি তাকে হত্যার হুমকিসহ নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই গৃহবধূর ননদের কিশোরী মেয়েকেও ধর্ষণ করে চলে যান। পরবর্তীতে গৃহবধূ তার স্বামীকে বিষয়টি জানান। এরপর তারা কোতোয়ালি থানায় বিষয়টি জানালে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে রকিকে আটক করা হয়। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, ভুক্তভোগী দুজনকে মেডিকেল করানো হচ্ছে। এছাড়া মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলার পর আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। রেজওয়ান বাপ্পী/এসএইচএ

Source 2: Jugantor · 23/05/26open original ↗

তিন বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেফতার

তিন বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেফতার Advertisement বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৭:২১ পিএম ফাইল ছবি যশোরের শার্শায় তিন বছরের এক শিশুকে ফুসলিয়ে ধর্ষণচেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে আলম গাজী (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার সরুপদাহ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আলম গাজী শার্শার সরুপদাহ গ্রামের জহুর গাজীর ছেলে। পুলিশ ও শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত আলম গাজী ওই শিশুটিকে কাটিভাজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে বাড়ির পাশের একটি টংঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির জামাকাপড় খুলে তাকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে জখম করে। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে রাস্তার লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্ত আলম পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় শনিবার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আলমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে সরুপদাহ গ্রামে এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের সঙ্গে পুলিশের হেফাজতে নিরাপদ রয়েছে। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা (স্বাস্থ্য পরীক্ষা) ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।