সুনামগঞ্জে জমি দখল ও চাঁদাবাজিতে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ভাঙচুর
Why this classification
On March 15, 2026, an attack involving vandalism and looting occurred at a Freedom Fighter's home in Islampur, Raniganj, Jagannathpur, Sunamganj. Although no deaths or injuries were reported, the incident is classified as political violence because allegations suggest a BNP Raniganj Union Jubo Dal leader led the attack against the victim's family. While the formal perpetrator and victim sides are not recorded in the data fields, the summary provides the political context for this classification. This incident is supported by two corroborating sources.
Killed
0
Injured
0
Summary
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে চাঁদা না দেওয়ায় ও জমি দখলের উদ্দেশ্যে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল নেতার নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
89% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
‘ঈদ আমাদের জন্য নয়, যারা আমার ঘর ভেঙে মালামাল লুট করেছে, তাদের’
রাত পোহালেই আগামীকাল শনিবার (২১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর। চারপাশে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। কেনাকাটাসহ নানা আয়োজনে ব্যস্ত সবাই। কিন্তু প্রয়াত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ খানের বড় ছেলে আব্দুল গফফারের পরিবারে আনন্দের ছিটেফোঁটাও নেই। হামলায় মাথা গোঁজার ঠাঁই বসতঘর পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। লুট করে নেওয়া হয়েছে ঘরের মালামালও। ছয় দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে স্ত্রী, শিশুসন্তানদের নিয়ে এখন তাঁর অনিশ্চয়তা, উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে। হামলা ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত আব্দুল গফফার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের প্রয়াত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ খানের বড় ছেলে।আব্দুল গফফার বলেন, ‘খুব কষ্ট দিন কাটছে। এ ঈদ আমাদের জন্য নয়, যারা আমার ঘর ভেঙে মালামাল লুট করেছে, ঈদ তাদের জন্য!’ গত রোববার দুপুরে ওই পরিবারের বসতঘরে হামলা চালিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়। লুট করে নেওয়া হয় ঘরের সব আসবাব। জমি জোরপূর্বক দখল ও চাঁদার দাবিতে রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে বসতঘরটিতে এই হামলা ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় অভিযুক্ত নিজাম গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সরেজমিন পরিবারটির সঙ্গে কথা হয়। এ সময় আব্দুল গফফার জানান, তাঁর প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা বাবার নামে পাওয়া সরকারি বন্দোবস্তের জমিটুকুই ছিল তাঁদের মাথা গোঁজার ঠাঁই। সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে তাঁর সংসার চলে। স্ত্রী ও দুই সন্তান মিলে চার সদস্যের পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। ঈদের নতুন কাপড় দূরের কথা, এক কাপড়ে কাটছে তাঁদের দিন-রাত।আব্দুল গফফার জানান, ছয় দিন ধরে আশ্রয় হারিয়ে কখনো বোনের বাড়িতে, কখনো ভাঙা ঘরের পাশে সময় কাটে গফফারের। তবে কেউ তাঁদের একটু খোঁজও নেননি। মেলেনি সরকারি কোনো সহায়তাও। আব্দুল গফফার বলেন, ‘বৈশাখী ঝড়ের মতো সবকিছু লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ঘরে কিছুই নেই। টিনের চাল থেকে শুরু করে পড়নের কাপড় পর্যন্ত লুট করে নিয়ে গেছে। আমি সিএনজিচালক মানুষ। দিন আনি, দিন খাই। ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় কাজেও যেতে পারছি না। বাচ্চাদের নতুন কাপড় দেওয়া তো দূরের কথা, এক কাপড়েই ছয় দিন কেটে গেছে।’প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি জমির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস পেলেও সেখানে কে ঘর নির্মাণ করে দেবেন, সেই প্রশ্ন সব হারানো আব্দুল গফফারের। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঈদের পরে নতুন করে আমার বাবার নামের বন্দোবস্তকৃত জমি চিহ্নিত করে দেওয়া হবে। কিন্তু আমার ঘর কে তৈরি করে দেবে? খুব কষ্ট দিন কাটছে। এ ঈদ আমাদের জন্য নয়, যারা আমার ঘর ভেঙে মালামাল লুট করেছে, ঈদ তাদের জন্য!’রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম বলেন, ‘এভাবে হামলা করে ঘরটি ভেঙে মালামাল লুটপাট করে নেওয়া খুবই দুঃখজনক। একটি পরিবারের সবকিছু লুট করে নিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই ঠিক হয়নি। কোনো ঝামেলা হয়ে থাকলে বিষয়টি সালিস বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান করা যেত।’এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরকত উল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের পর প্রয়াত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ খানের নামে বন্দোবস্তের জমি তাঁর ছেলেকে চিহ্নিত করে দেওয়া হবে। বসতঘরে ভাঙচুর ও মালামাল লুটের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।’থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার প্রয়াত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ খানের নামে বন্দোবস্তকৃত জমি জোরপূর্বক দখল ও চাঁদার দাবিতে ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে ওই বসতঘরে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়।ঘটনার দুই দিন পর গত মঙ্গলবার রাতে আব্দুল্লাহ খানের বড় ছেলে আব্দুল গফফার থানায় মামলা করেন। এতে নিজাম উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করা হয়। মোট আসামি করা হয় ১৩ জনকে। মামলা পর ওই রাতেই পুলিশ যুবদল নেতা নিজামকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন বুধবার নিজামকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম প্রধান আসামি নিজামকে গ্রেপ্তারের পর গণমাধ্যমকে জানান, মামলার অপর আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সুনামগঞ্জে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ খানের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছবি: প্রথম আলো সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় জমি থেকে উচ্ছেদ করতে না পেরে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার দুপুরে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবদুল্লাহ খানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন ওই মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা। উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি ঘটনাস্থলে যাইনি।’ মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ খানের ছেলে আবদুল গফফার জানান, দেশ স্বাধীনের পর থেকে তাঁরা ইসলামপুর গ্রামের কিছু সরকারি জায়গায় পরিবার–পরিজন নিয়ে বসবাস শুরু করেন। পরে সরকারের পক্ষ থেকে ওই জায়গা তাঁর বাবা আবদুল্লাহ খান ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত পান। ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীরা ওই জায়গা জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা শুরু করেন। একপর্যায়ে আবদুল গফফারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন তাঁরা। পরিবারটি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দেন। এর জের ধরে রোববার দুপুরে যুবদল নেতা নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে বসতঘরে হামলা চালিয়ে ওই বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং ঘরের আসবাবপত্র লুট করা হয়। আবদুল গফফার বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নিজাম উদ্দিনসহ কয়েকজন আমাদের জায়গা দখলের পাঁয়তারা করে আসছিলেন। এ নিয়ে থানায় আমি তাঁদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁরা পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তাঁরা আমাদের ঘরটি গুঁড়িয়ে দিয়েছেন এবং আসবাবপত্র সব লুট করে নিয়ে গেছেন। হামলা ও ভাঙচুরের ভিডিও রয়েছে আমাদের কাছে। নিজাম উদ্দিন হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।’ ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক হাদী আবদুল্লাহ বলেন, ‘ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মুক্তিযোদ্ধার ছেলের ঘরটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সিলেট বিভাগজগন্নাথপুরসুনামগঞ্জবীর মুক্তিযোদ্ধাযুবদলভাঙচুর
