ধামরাইয়ে পরকীয়ার অভিযোগে যুগলকে রাতভর নির্যাতন
Why this classification
This is a single, concrete incident from Dhamrai, Dhaka, on Friday night, 10 April 2026, within the recent window. The couple was tied to a tree, garlanded with shoes and beaten by the husband and local people, and a youth also robbed Tk 17,000 from the man.
Killed
0
Injured
0
Summary
ঢাকার ধামরাইয়ের কান্দিকুল এলাকায় ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল শুক্রবার রাতে পরকীয়ার অভিযোগে এক গৃহবধূ ও তার প্রেমিক সঞ্জয়কে জুতার মালা পরিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্বামী ও স্থানীয় লোকজন নির্যাতন করে। এ সময় সঞ্জয়ের কাছে থাকা ১৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ধামরাইয়ে পরকীয়ার অভিযোগে যুগলকে রাতভর নির্যাতন
ধামরাইয়ে পরকীয়ার অভিযোগে যুগলকে রাতভর নির্যাতন Advertisement ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ধামরাইয়ে শুক্রবার রাতে কান্দিকুল এলাকায় পরকীয়ার অভিযোগে প্রেমিক যুগলকে জুতার মালা পরিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ২৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জানা যায়, তিনদিন আগে কান্দিকুল গ্রামের গৃহবধূ প্রেমের টানে একই গ্রামের সঞ্জয়ের সঙ্গে পালিয়ে যান। শুক্রবার রাতে নবাবগঞ্জ থেকে ওই নারীর স্বামী স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর স্বামী ও স্থানীয় লোকজন ওই নারীসহ পরকীয়া প্রেমিক গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন চালায়। সঞ্জয়ের সঙ্গে থাকা ১৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় আজম নামে এক যুবক। ইউপি সদস্য আবুল কালাম বলেন, নির্যাতনের খবর পেয়ে দ্রুত গিয়ে তাদের উদ্ধার করেছি। সঞ্জয়ের মা রেনু সরকার বলেন, আমার ছেলে যদি অন্যায় করে থাকে তাহলে দেশে আইন আছে। সেই আইন তাদের বিচার করবে। আমি তাদের বিচার দাবি করছি।
