শাহ আলী মাজারে হামলা, অভিযোগ জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে
Why this classification
ঘটনাটি একটি সুনির্দিষ্ট সহিংস হামলা, যেখানে লাঠিসোটা নিয়ে একদল লোক মাজারে ঢুকে জিয়ারতকারীদের মারধর করে এবং কয়েকজন আহত হয়। হামলাকারীদের মধ্যে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী থাকার অভিযোগ থাকায় এটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
Killed
0
Injured
3
Summary
মিরপুরের শাহ আলী মাজারে ওরস চলাকালে (১৪ মে) মধ্যরাতে লাঠিসোটা নিয়ে একদল লোক হামলা চালিয়ে জিয়ারতকারীদের মারধর করে। এতে কয়েকজন আহত হন এবং হামলায় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শাহ আলী মাজারে হামলা, অভিযোগ জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে
শাহ আলী মাজারে হামলা, অভিযোগ জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিরপুরের শাহ আলী মাজারে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হামলা চালায় একদল ব্যক্তি। ছবি- ভিডিও থেকে সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬ | ০৮:৩৩ | আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ | ১৫:১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর মিরপুরের হজরত শাহ আলী বাগদাদীর (রহ.) মাজারে ওরস চলাকালে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতের এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মী ছিলেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ। তবে জামায়াত বলছে, সেখানে তাদের কোনো নেতাকর্মী ছিল না। পুলিশ মাজারে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে। তবে পুলিশের ভাষ্য, তারা কোনো অভিযান চালায়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক সরকার সমকালকে বলেন, রাত ১টার দিকে একদল লোক মাজারে গিয়ে মারধর করে। তারা জামায়াত-শিবিরের বলে জানতে পেরেছি। পুলিশ সেখানে কোনো অভিযান চালায়নি। মহানগর পুলিশের দারুস সালাম অঞ্চলের সহকারী কমিশনার ইমদাদ হোসেন বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার মাজারে বড় অনুষ্ঠান হয়। স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি বাইরে থেকেও লোক আসেন। তারা সাধারণত অনেক রাত পর্যন্ত গান-বাজনা করেন। মাদক সেবনেরও অভিযোগ পাওয়া যায়। এমন একটি ঘটনা নিয়ে বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। কিছু লোক মাজার জিয়ারত করছিলেন। এর মধ্যে একটি দল মূল মাজারের কাছাকাছি গিয়ে মাদক সেবন করেন। এতে জিয়ারত করতে আসা অনেকে ক্ষিপ্ত হন। তাদের সঙ্গে স্থানীয়রা যোগ দিয়ে মাদক সেবনরতদের ওপর হামলা করেন বলে জানতে পেরেছি। হামলায় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী ছিলেন এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে তাদেরও কিছু লোক ছিল। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এমন কয়েকজনকে দেখা গেছে। তবে তাদের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে বিষয়টা এমন নয়। আসলে মাজারের লোকজনই ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালায়। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই মামলা নেওয়া হবে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুস সবুর সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ওরস চলাকালে হঠাৎ লাঠিসোটা হাতে বেশ কিছু লোক ঢুকে পড়ে। তারা এসে মাজার জিয়ারতকারীদের মারধর শুরু করে। তাতে বেশ কয়েকজন আহত হন। ঘটনার সময় মাজারের গেটের বাইরে পুলিশের চারটি গাড়ি থাকলেও তারা ভেতরে ঢোকেনি। হামলার সময়ের ভিডিওতে দেখা যায়, অর্ধশতাধিক লোক লাঠি হাতে মাজারে ঢুকে যাকে সামনে পাচ্ছেন পেটাচ্ছেন। তাদের কারও কারও মুখে মাস্ক ছিল। এ বিষয়ে ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতের এমপি মীর আহমদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান) বলেন, ঘটনাটি শোনার পর আমি পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনারকে কল দিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, মাজারের সামনের গেটে ফেরি করে মাদক বিক্রি হয়। বৃহস্পতিবার রাতে এটা আরও বেড়ে যায়। এ জন্য পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে। তবে আমার দলের নেতাকর্মী কেউ সেখানে ছিল না। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকজন ছিল বলে শুনেছি। যদিও এমপির বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার। তিনি বলেন, ‘তাঁর (এমপি) সঙ্গে বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার আমার কোনো কথা হয়নি।’ জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার বলেন, শাহ আলী মাজারে মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ছিল বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত। যার সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সব কিছুতে জামায়াতকে জড়িয়ে প্রোপাগান্ডা করা কিছু দল ও মিডিয়ার মজ্জাগত অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এর আগেও মাজারে মাদক সেবনের বিরুদ্ধে পুলিশ ছাড়া স্থানীয়দের ‘অভিযান’ চালানোর অভিযোগ রয়েছে। গত সপ্তাহে বিএনপির স্থানীয় এক নেতা লোকজন নিয়ে সেখানে গিয়ে মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ‘ব্যবস্থা’ নেন বলে জানা যায়। এ ছাড়া পুলিশও নিয়মিত অভিযান চালায়। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘মাকাম: সেন্টার ফর সুফি হেরিটেজের’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ১৭ মাসে সারাদেশে অন্তত ৯৭টি মাজার ও এ সম্পর্কিত স্থাপনায় (দরগাহ ও খানকাহ) হামলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৩৪টি মাজারে হামলার খবর পাওয়া গেলেও অনুসন্ধানে ৩৭টির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। হামলার দুই-তৃতীয়াংশই ঘটেছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছে কুমিল্লা, নরসিংদী ও ঢাকায়; যথাক্রমে ১৭, ১০ ও ৯টি। সারাদেশে হামলার ঘটনাগুলোয় তিনজন নিহত এবং ৪৬৮ জন আহত হয়েছেন। - বিষয় : - মাজারে হামলা - জামায়াতে ইসলামী - হামলা - মাজার
