মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার চেষ্টা খুবি শিক্ষার্থীদের ওপর

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

প্রবন্ধে স্থানীয় বাসিন্দা ও কিছু বহিরাগত ব্যক্তিরা ছাত্রদের ওপর ইট‑পাটকেল নিক্ষেপ করে শারীরিক আক্রমণ করেছে এবং কয়েকজন আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে; এটি স্পষ্টভাবে শারীরিক সংঘর্ষের ঘটনা, তাই এটি হিংসা হিসেবে স্বীকৃত।

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
02/10/26•খাজা গেট

Killed

0

Injured

0

Summary

২০২৬ সালের ২ অক্টোবর শুক্রবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা গেট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও কিছু বহিরাগত ছাত্রদের ওপর ইট‑পাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালায়। কয়েকজন ছাত্র আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং মসজিদে মাইকে ঘোষণা দিয়ে জনতা জড়ো করার চেষ্টা করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Students

Other actors

সজলরাসেল আহমেদ রাতুলবাবুমনিরুজ্জামান লেলিনরহিমথানা ওসি ইকবাল হোসেনড. মো. সালাউদ্দিন

Affected infrastructure

মসজিদখাজা গেট

Tags

Vigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Students

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 26/04/26open original ↗

খুলনা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা

খুলনা প্রেস ক্লাবের মধ্যে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হামলার পরপরই ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনা প্রেসক্লাবের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাই আগে থেকেই সাংবাদিকরা নির্বাচনের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। রোববার বিকেলে দুর্বৃত্তরা হঠাৎ প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে জড়ায়। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত সভাপতি প্রার্থী মোস্তফা সরোয়ারের নাম ধরে ডাকাডাকি ও গালিগালাজ করতে থাকে। মোস্তফা সরোয়ার প্রেস ক্লাবে নেই বলে তাদেরকে জানান এখন টেলিভিশন খুলনার বিশেষ প্রতিনিধি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম। এতে তার ওপরও ক্ষিপ্ত হয়ে ধাক্কা দেয় দুর্বৃত্তরা। এরপর প্রেস ক্লাবের সব সাংবাদিকরা একত্রিত হলে হামলাকরীরা বের হয়ে যান। হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন। এরপর তারা সড়ক অবরোধ করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনামুল হক। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত। অবিলম্বে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এ সময় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। হামলাকারীরা যে দলেরই হোক না কেন, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। বিক্ষোভ থেকে সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়। মোহাম্মদ মিলন/এএমকে

Source 2: Jugantor · 04/10/26open original ↗

মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার চেষ্টা খুবি শিক্ষার্থীদের ওপর

মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার চেষ্টা খুবি শিক্ষার্থীদের ওপর Advertisement খুবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সূত্রপাত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সজল নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করেন। একইসঙ্গে তিনি নিজেকে বিএল কলেজের শিক্ষার্থী হিসাবে পরিচয় দেন। পোস্টটির সত্যতা ও ওই ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক শিক্ষার্থী তাকে খাজা গেট এলাকায় ডেকে আনেন। এ বিষয়ে আর্কিটেকচার ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাসেল আহমেদ রাতুল বলেন, ফেসবুক পোস্টের ঘটনা নিয়ে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা কথা বলতে গেলে সেখানে স্থানীয় দুই-তিনজন মুরুব্বি উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে তাদের খাজা গেটে আসতে বলা হলে অভিযুক্ত যুবকসহ তারা এখানে আসেন। খাজা গেটে বসার পর কথা বলার একপর্যায়ে তাদের মধ্যে থাকা দুজন হুট করে ওই যুবককে মারধর করে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ-স্থানীয় বাসিন্দা বাবু, মনিরুজ্জামান লেলিন ও রহিমের নেতৃত্বে পরে সেখানে বাইরের কিছু লোকজনকে নিয়ে আসা হয়। ওই ব্যক্তিকে মারধর করে ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে শিক্ষার্থীরা তাকে ফিরিয়ে এনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে স্থানীয়দের সঙ্গে আসা লোকজন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার চেষ্টা করে এবং তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এ সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য লোকজন জড়ো করার চেষ্টা করে। ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও হামলার ঘটনায় কয়েকজন আঘাতপ্রাপ্ত হন। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়া সজলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন বলেন, মসজিদের মাইকে এ ধরনের ঘোষণা কারা দিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে। থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, উভয়পক্ষের মধ্যে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল আলোচনা করে সমাধান করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।