মুক্তিপণ দিয়েও ছাড়া পাননি ৪ জেলে, উদ্বিগ্ন স্বজন

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রতিবেদনে সুন্দরবনে চার জেলেকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যা অপরাধমূলক সহিংসতা হিসেবে গণ্য।

Reported by:SamakalSingle source
31/05/26•পশ্চিম সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়ে ও সুবদে খাল

Killed

0

Injured

0

Summary

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চার জেলে সুন্দরবনে গিয়ে অপহরণের শিকার হন। দস্যুরা মুক্তিপণ হিসেবে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেওয়ার পরও তাদের ছাড়েনি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Pirates

Victim side

Fishermen

Other actors

ইয়াছিন খাঁশাহাজান খাঁশাহাজান আলীশরিফুলসফিকুলশাহাজান (দস্যু নেতা)আবুল হোসেনমো. মশিউর রহমানখালেদুর রহমান

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Pirates

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Fishermen

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 31/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 08/06/26open original ↗

মুক্তিপণ দিয়েও ছাড়া পাননি ৪ জেলে, উদ্বিগ্ন স্বজন

মুক্তিপণ দিয়েও ছাড়া পাননি ৪ জেলে, উদ্বিগ্ন স্বজন প্রতীকী ছবি শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ | ০৯:০৪ সুন্দরবনে গিয়ে অপহরণের শিকার সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চার জেলের মুক্তি মেলেনি সাত দিনেও। ইতোমধ্যে পরিবারের সদস্যরা মুক্তিপণ হিসেবে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকাও দিয়েছেন। দস্যুরা তাদের না ছাড়ায় স্বজনের মনে অজানা আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ৩১ মে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়ে ও সুবদে খাল থেকে আরও কয়েক জেলের সঙ্গে শ্যামনগরের জেলে ইয়াছিন খাঁ, শাহাজান খাঁ, শাহাজান আলী ও শরিফুলকে তুলে নিয়ে যায় দস্যুরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, কালিনগরের সফিকুল ও শাহাজানের নেতৃত্বাধীন কুখ্যাত জলদস্যু নানাভাই বাহিনী শুরুতে জিম্মি চার জেলের মুক্তিপণ হিসেবে সাড়ে তিন লাখ টাকা দাবি করে। দেনদরবারের মাধ্যমে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকায় তাদের স্বজনের সমঝোতা হয়। শাহাজানের চাচাতো ভাই আবুল হোসেনের ভাষ্য, তুলনামূলক কম মুক্তিপণ আদায় করে জিম্মি অন্য জেলেদের ছেড়ে দিয়েছে জলদস্যুরা। দস্যুদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলে তাঁর ভাই শাহাজানসহ তিনজনকে এক সপ্তাহ ধরে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, দস্যুরা তিনজনের জন্য মাথাপিছু ৫০ হাজার করে ও ইয়াছিনের জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেছিল। শেষ পর্যন্ত সমঝোতার ভিত্তিতে তারা ইয়াছিনের জন্য এক লাখ ২০ হাজার ও অন্য তিনজনের জন্য ৪০ হাজার টাকা করে বিকাশে পরিশোধ করা হয়েছে। এর পরও তাদের না ছাড়ায় সবার পরিবারে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জিম্মি অন্য এক জেলের বাবা বলেন, তাঁর ছেলে জাল ফেলে দুই সহযোগীর সঙ্গে নৌকায় ঘুমিয়ে ছিল। দস্যুরা নৌকার পাশে এসে তাঁর জামা ধরে ডাকাডাকি শুরু করে। এ সময় সহযোগীকে বাঘে ধরেছে মনে করে লাফিয়ে উঠে ছেলে হাতের পাশে থাকা দা নিয়ে দস্যুদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে দস্যুরা। তারা মারধর করে বেশি মুক্তিপণ দাবি করেছিল। সমঝোতার ভিত্তিতে নির্ধারিত মুক্তিপণ পরিশোধ করেন। কিন্তু নৌকা না পাওয়ার অজুহাতে তাদের আটকে রাখা হয়েছে। সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মশিউর রহমান বলেন, জুনের শুরু থেকে সুন্দরবনে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। এসব জেলে আগেই মাছ শিকারে যান। ফিরে আসার আগে দস্যুদের কবলে পড়েন। শ্যামনগর থানার ওসি খালেদুর রহমানের ভাষ্য, সুন্দরবনে কোনো জেলে জিম্মি হলে সহযোগীরা সমঝোতার ভিত্তিতে তাকে মুক্ত করার চেষ্টায় থাকেন। এ কারণে তারা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে তথ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। - বিষয় : - সাতক্ষীরা