সদরঘাটে ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মী নিহত

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Dhaka. It involved BNP against BNP. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.

Reported by:JugantorDhaka PostSamakalProthom AloCorroborated · 4 sources
15/08/26•East Bengal Market, Sadarghat

Killed

1

Injured

0

Summary

মাদক কারবার ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে ঢাকা সদরঘাটে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী মিতুলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ শনিবার রাতে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

MitulRahim Ahmed RafiMo. Russell Sardar

Tags

Party ClashMurderDrug War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 10/06/26open original ↗

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হত্যায় যুবদলের ২১ নেতাকর্মী আসামি

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হত্যায় যুবদলের ২১ নেতাকর্মী আসামি এজাহারে চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধের অভিযোগ ফাইল ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬ | ২১:৩৩ রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে হত্যা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। স্বজনের অভিযোগ, ফুটপাতে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যা করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে হত্যায় জড়িত অভিযোগে রমনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক (ঘটনার পর বহিষ্কৃত) দিদারুল ইসলাম বাবুসহ সংগঠনের ২১ নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে রিয়াজুল হাসান ও আল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রিয়াজুল ছুরিকাঘাত করেন বিল্লালকে। মামলার অপর আসামিরা হলেন– মো. সিরাজ, বাবুল বন্দুকসী, থানা যুবদলের সদস্য সচিব লুৎফর রহমান, সাইফুল ইসলাম জমাদার, কাবাদ হোসেন, সুজন, রাকিবুল ইসলাম শিহাব ওরফে গোল্ডেন রাকিব, সুমন, জুয়েল, সোহেল, হৃদয়, রশিদ, সিয়াম, লিটন দর্জি, সোহেল (২), পারভেজ, বিল্লাল ও ছাত্তার। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনাসহ বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে সোমবার রাতেই ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জ থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা দ্রুতই বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে সোমবার রাতে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নিহতের ছোট ভাই ছাত্রদলের সাবেক নেতা হেলাল সাদী বলেন, রমনা থানা যুবদলের নেতা দিদারুল ইসলাম বাবুর পূর্ব পরিকল্পনা ছিল, মহানগরের এক প্রভাবশালী নেতাও এর সঙ্গে জড়িত। বিদ্যুৎ বিল, ময়লার বিল– মানে চাঁদাবাজি নিয়ে যে সমস্যাটা, স্থানীয় এমপির বাসায় মিটমাট করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও বাবু মানেননি। সোমবার রাতে তিনি আমার বড় ভাইকে ডেকেছেন। যাওয়ার পর এক কথায় দুই কথায় সরাসরি ভাইয়ের হার্ট বরাবর ছুরিকাঘাত করে। এক আঘাতেই শেষ। মানে হত্যার উদ্দেশ্যেই ডেকেছিল। এর আগে ভাই মিটমাট করে দিয়েছিল যে, এখানে এগুলা (চাঁদাবাজি) চলবে না। আর একটা ছেলে এগুলা করত, তাকে বলেছিল এক মাস যেন মার্কেটে না আসে। সেখান থেকে মাসে প্রায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়া হতো। এজাহারে যা বলা হয়েছে বাদী এজাহারে বলেছেন, আমার স্বামীর ভাগনে মোবারক হোসেন আকাশ আনারকলি মার্কেটে ব্যবসা করেন। আসামি দিদারুল ইসলাম বাবু আনারকলি মার্কেটের ফুটপাত ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিল ও ময়লা বিলের নামে চাঁদা তোলেন। ফুটপাতে নতুন কোন দোকান বসবে, ফুটপাতে কোন লোক ব্যবসা করবে বা ব্যবসা ছাড়বে সেসব নিয়ন্ত্রণ করেন এজাহারে বর্ণিত আসামিরা। এ নিয়ে স্থানীয় নিরীহ লোকজন ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আনারকলি মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা তোলার বিষয় নিয়ে আসামি বাবুর সঙ্গে আমার ভাগনে আকাশের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আকাশের বিষয়ে সালিশের কথা বলে আমার স্বামী বিল্লাল হোসেনকে আনারকলি মার্কেটের পেছনে ডেকে নেন বাবু। সেখানে তিনিসহ এজাহারে বর্ণিত অপর আসামিরা রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীর ওপর আক্রমণ করে। এলোপাতারি কিল-ঘুসি এবং হকিস্টিক দিয়ে মারপিট করতে থাকিলে আমার স্বামী ঘটনাস্থলে আহত অবস্থায় পড়ে যান। তখন আসামিরা আমার স্বামীর হাত–পা চেপে ধরে বলে যে, শালাকে জানে মেরে ফেল। এই হুকুম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রিয়াজুল তাহার হাতে থাকা ধারালো ছোরা দিয়ে আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে বুকে আঘাত করেন।  - বিষয় : - হত্যা - গ্রেপ্তার - মামলা - স্বেচ্ছাসেবক দল - যুবদল

Source 2: Dhaka Post · 10/06/26open original ↗

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা খুন, দুই আসামি রিমান্ডে

রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে (৫৭) হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া রিয়াজুল হাসানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে আল আমিন মাহিন নামে আরেক আসামিকে চার দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামিদের রিমান্ডের আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন আসামিদের সর্বোচ্চ রিমান্ড মঞ্জুর চেয়ে শুনানি করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। পরে আদালত রিয়াজুলকে পাঁচদিন ও আল আমিনকে চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সালিশের কথা বলে ডেকে এনে গত সোমবার রাত ৮টার দিকে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের লিফ্ট ও সিঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় ছুরিকারাঘাতে বিল্লালকে খুন করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন মঙ্গলবার রমনা মডেল থানায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে ঢাকা থেকে আল আমিন আর রিয়াজুলকে মুন্সিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এনআর/আরএফ/এনএফ

Source 3: Jugantor · 17/08/26open original ↗

সদরঘাটে ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মী নিহত

মাদক কারবার ও আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব সদরঘাটে ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মী নিহত Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে মিতুল (২০) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদরঘাট এলাকার চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ১৪ তলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের বাবা মো. রাসেল সরদার বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। ইতোমধ্যে পুলিশ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, মিতুল ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ১৩ তলায় একটি গার্মেন্টে দর্জির কাজ করতেন। গত ৭ আগস্ট মার্কেটের ভেতরে কয়েকজন মাদক সেবন করলে মিতুল ও তার সঙ্গীরা প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে আসামিদের সঙ্গে তাদের বিরোধ হয়। এর জেরে শনিবার রাতে আসামিরা মিতুল ও আরও কয়েকজনকে ডেকে ১৪ তলায় নিয়ে মারধর করে। এ সময় রাহিম আহম্মেদ রাফি কাঁচি দিয়ে মিতুলের বুকের মাঝখানে আঘাত করে। অন্যরা কাঁচি, কাটারসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় মিতুলকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটে মাদক কারবার এবং সদরঘাট এলাকায় ফুটপাত ও দোকানপাটের চাঁদাবাজি এবং আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শুভ বাড়ৈ যুগান্তরকে বলেন, প্রাথমিকভাবে মাদক কারবারি ও পূর্বের বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মিতুলের বাবা মো. রাসেল সরদার দিনমজুরের কাজ করেন। দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে মিতুল বড়। স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে তিনি মিরপুর-২ নম্বর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি সদর থানার ১০ নম্বর নথুল্লাবাদ ইউনিয়নের শাহ ভাঙ্গল এলাকায়।

Source 4: Prothom Alo · 14/06/26open original ↗

মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা হত্যায় রিমান্ড শেষে কারাগারে আল–আমিন

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতফাইল ছবি: প্রথম আলো রাজধানীর মৌচাক এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আল-আমিন মাহিনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার চার দিনের রিমান্ড শেষে মাহিনকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আদালতে দাখিল করা তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, রিমান্ডে আল-আমিনকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু তথ্য দিলেও সেগুলো ধারাবাহিক ও সুস্পষ্ট নয়। তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিচ্ছিন্নভাবে দিয়েছেন, যা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এসব তথ্য মামলার তদন্তে সহায়ক হবে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। আবেদনে আরও বলা হয়, এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন এবং পলাতক হওয়ার আশঙ্কা আছে। শুনানি শেষে তদন্ত কর্মকর্তা আতিকুল আলম খন্দকার প্রথম আলোকে বলেন, তদন্তের স্বার্থে আল-আমিনকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়েছিল, আদালত তা মঞ্জুর করেছেন। মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে আল-আমিন মাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গত বুধবার আদালত তাঁকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠান। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বিল্লাল হোসেন তালুকদার রমনা এলাকার আরাফাত মার্কেটে ব্যবসা করতেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে দিদারুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে দিদারুল ইসলাম বাবু সালিসের কথা বলে বিল্লাল হোসেনকে আরাফাত মার্কেটের পেছনে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে দিদারুল ইসলাম বাবু ও তাঁর সহযোগীরা লোহার রড, ক্রিকেট স্টাম্প ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিল্লাল হোসেনকে আঘাত করেন। এ সময় রিয়াজুল হাসান, আল-আমিন মাহিনসহ অন্য আসামিরাও হামলায় অংশ নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার এক পর্যায়ে দিদারুল ইসলাম বাবু ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিল্লাল হোসেনের বুকে আঘাত করেন। আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা বিল্লালকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী আছিয়া খাতুন বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় দিদারুল ইসলাম বাবুসহ ২১ জনকে আসামি করা হয়েছে। আরও পড়ুন মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা ০৮ জুন ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন আদালতহত্যাকাণ্ডবিচারঅপরাধরমনাআইন ও আদালতআইন ও বিচার