পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে ব্যাপক গোলাগুলি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

On the night of Sunday 1 March 2026, rival groups fought over illegal sand extraction in Kushtia, firing 20 to 25 rounds, setting fire to two offices and a drum truck, and smashing vehicles. This is a concrete, recent violent incident with no reported casualties.

Reported by:JugantorSingle source
02/03/26•বাহিরচর ইউনিয়নের পুরাতন ফেরিঘাট হার্ডিং ব্রিজসংলগ্ন এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার বাহিরচর ইউনিয়নে পদ্মা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে রোববার (১ মার্চ) দিনগত রাতে হার্ডিং ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ২০-২৫ রাউন্ড গুলি চলে। এ সময় দুটি অফিস ও একটি ড্রামট্রাকে আগুন দেওয়া হয় এবং কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

বালু ব্যবসায়ী শহিদুলফারুক (শহিদুলের চাচাতো ভাই)অপর গ্রুপের বালু উত্তোলনকারীরানদী বাহিনী (সমঝোতায় অনুপস্থিত পক্ষ)গাজী আশিক বাহার (ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি)

Affected infrastructure

দুটি অফিসএকটি ড্রামট্রাকএকটি সুজুকি মোটরসাইকেল (লুট)কয়েকটি গাড়ি

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 02/03/26open original ↗

পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে ব্যাপক গোলাগুলি

পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে ব্যাপক গোলাগুলি Advertisement কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:২১ পিএম বালু উত্তোলনের ঘটনায় ড্রামট্রাকে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ছবি: যুগান্তর কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে ফিলিং বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক গোলাগুলি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১ মার্চ) দিনগত রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে বাহিরচর ইউনিয়নের পুরাতন ফেরিঘাট হার্ডিং ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ২০-২৫ রাউন্ড গুলি, দুটি অফিস, একটি ড্রামট্রাকে অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সোমবার (২ মার্চ) স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা জানান, পদ্মা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিগত কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে একটি গ্রুপ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে জেনে- অপর গ্রুপ গুলি করতে করতে স্পটে যায়। এ সময় তারা ২০-২৫ রাউন্ড গুলি করে এবং দুটি অফিস, একটি ড্রামট্রাক পুড়িয়ে দেয় এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। তারা আরও জানান, রোববার অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাজী আশিক বাহার একটি ড্রামট্রাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও একজনকে কারাদণ্ড দেন। ঠিক এর কিছুক্ষণ পরই আবার শুরু হয় বালু উত্তোলনের কাজ। রাতে গোলাগুলি হওয়ার পরও এ কাজ এখনো পুরোদমে চলছে। বালু ব্যবসায়ী শহিদুল জানান, গোলাগুলির পর দুর্বৃত্তরা তার অফিসে আগুন দেয়। তার চাচাতো ভাই ফারুকের সুজুকি মোটরসাইকেলটি নিয়ে গেছে। এ সময় তারা কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে দেশের সর্ববৃহৎ রেল সেতু হার্ডিং ব্রিজ ও বাংলাদেশের মেগা প্রজেক্ট রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প ঝুঁকির মুখে পড়েছে। হাজার হাজার একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, জামায়াতের নাম ভাঙিয়ে একটি পক্ষ ও বিএনপির দুটি পক্ষ মিলেমিশে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যেই লভ্যাংশ ও ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে একটি সমঝোতাও হয়েছে। কিন্তু নদী বাহিনী ও স্থানীয় আরও কিছু শক্তির সঙ্গে সমঝোতা না হওযায় মূলত এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। ৫ আগস্টের আগে ও পরে নিয়মিতভাবে এখানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হয়। অভিযানের সময় বন্ধ থাকলেও পরে আবার বালু উত্তোলন শুরু হয়। ভেড়ামারা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম আলম ও সদস্য সচিব শাহজাহান আলী জানান, বালু উত্তোলনের সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে বিভিন্নভাবে উত্তোলন হচ্ছে এটা সত্য। এর প্রতিকার দরকার। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের নির্বাচিত জামায়াত ইসলামের এমপি আব্দুল গফুর বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তবে বালুকাণ্ডে জামায়াতের কেউ জড়িত নেই দাবি করে তিনি বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে আগে যারা জড়িত ছিল, এখনো তারাই আছে। ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) গাজী আশিক বাহার বলেন, পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে রোববার রাতেও ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল ও জরিমানা করেছি। ঠিক তার কিছুক্ষণ পর বালু উত্তোলন শুরু হলে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। অবৈধ বালু উত্তোলনের ঠিক ৪০০ মিটারের মধ্যে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র এবং পাশেই পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়ক রয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলণের ফলে এ অঞ্চলের নদী ভাঙন তৈরি হচ্ছে।