কুমিল্লা পলিটেকনিকে ‘গুপ্ত’ বলায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৩২
Why this classification
This is a single, concrete incident on the night of 23 April 2026 in which Chhatra Dal and Shibir activists fought with sticks and sharp weapons at Comilla Polytechnic, leaving at least 32 people injured according to the reports. The article describes a physical clash with weapons and injuries, so it qualifies as violence and is not an exclusion case.
Killed
0
Injured
32
Summary
কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে 'গুপ্ত' বলাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ হয়, যাতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩২ জন আহত হন। ঘটনার পর ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অধ্যক্ষের কক্ষেও হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 32
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কুমিল্লা পলিটেকনিকে ‘গুপ্ত’ বলায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৩২
কুমিল্লা পলিটেকনিকে ‘গুপ্ত’ বলায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৩২ Advertisement কুমিল্লা ব্যুরো প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ পিএম কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন। ছবি: যুগান্তর কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ‘গুপ্ত’ বলাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও ডিবি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দিনে দেয়াল লিখন নিয়ে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনায় রাতে ‘গুপ্ত’ বলাকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ছাত্রশিবিরের ২০ জন এবং ছাত্রদলের ১২ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এ সময় আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতরা হলেন- মেকানিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. জাফর ইকবাল, সাংবাদিক খালিদ, আবু রজিন, শুভ, মারুফ, তুহিন প্রমুখ। আহত আবু রজিন বলেন, অধ্যক্ষ স্যার ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উস্কে দিয়েছে। ওরা আমাকে অধ্যক্ষের রুম থেকে মারতে মারতে বাইরে নিয়ে আসে। আমার অন্য সহকর্মীদের ওপর হামলা করে। একজন স্যারের ওপর হামলা চালায়। তারা ক্যাম্পাসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ছাত্রদলকে ইন্ধন দেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। এখানে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আমার কক্ষে হামলা হয়েছে এবং আমরা এটা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছি। জাফর স্যারের ওপর হামলা হয়েছে কিনা আমি জানি না। আমরা পুলিশকে খবর দিয়েছি নিরাপত্তার জন্য। ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা মহানগর সেক্রেটারি নাজমুল হাসান পঞ্চায়েত বলেন, ছাত্রদলের হামলায় ছাত্রশিবির এবং সাধারণ ছাত্র মিলিয়ে ১৫-২০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে তাদের দেখতে গিয়েছি। গুরুতর আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীলরা সেখানে তাদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করছেন। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমন হোসেন বলেন, দেয়াল লিখন নিয়ে দিনে তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে। রাতে ভিন্ন একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে তারা বহিরাগতদের নিয়ে আমাদের ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এখানে তাদের কারা গুপ্ত বলেছে আমরা জানি না। হামলায় আমাদের ১২ জন ছাত্রদল কর্মী আহত হয়েছেন। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জুবায়ের আলম জিলানী বলেন, গুপ্ত বলাকে কেন্দ্র করে পলিটেকনিক্যাল কলেজে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আমরা সেখানের নেতাদের বলেছি। রাত ১০টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের এএসপি মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, পলিটেকনিকে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার কারণগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আমি নিজেও ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।
