নাঙ্গলকোটে স্বামীর বিরুদ্ধে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ
Why this classification
The article reports a specific incident of a woman killed by her husband in Comilla. This is a domestic violence murder, recent and in Bangladesh, so it is classified as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ফারহানা আক্তার মরিয়ম নামের এক গৃহবধূকে তার স্বামী শাহিন মিয়া হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ১৮ জুন সকালে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের শ্যামপুর ব্যাপারী বাড়িতে ঘটে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
স্বামী-শ্বশুরসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা
স্বামী-শ্বশুরসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬ | ০৮:০৭ | প্রিন্ট সংস্করণ কুমিল্লার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাতুন নাঈম ফারিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা হয়েছে। গত বুধবার রাতে ফারিয়ার বাবা হানিফ কোতোয়ালি থানায় হত্যার অভিযোগ দেন। তবে পুলিশ অভিযোগটি আত্মহত্যার প্ররোচনার সংশ্লিষ্ট ধারায় রেকর্ড করেছে। এতে আসামি করা হয়েছে ফারিয়ার স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়, শ্বশুর আবদুর রহিম, শাশুড়ি আফরোজা বেগম, ননদ রীমা আক্তার ও তাঁর স্বামী জাকারিয়াকে। গতকাল বৃহস্পতিবার সমকালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার। তিনি জানান, ফারিহার বাবার অভিযোগ আপাতত আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে হত্যার আলামত পেলে তখন বিধি অনুযায়ী মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত হবে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিয়া ও হৃদয় কুমিল্লার সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার আবদুর রহিমের ছেলে মেহেদী হাসান হৃদয়ের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকার দেনমোহরে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁর স্বামী ও পরিবারের লোকজন পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। ফারিয়া তাঁর বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে না পারায় পরিবারে কলহ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। ফারিয়ার বাবা হানিফ সমকালকে জানান, তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। আসামিরা তাঁকে হত্যার পর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশ ডাকে। থানায় লাশ নেওয়ার পর তাদের জানানো হয়, ফারিয়া আত্মহত্যা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার কলিজার টুকরা ফারিয়ার দুই পায়ের হাঁটুর নিচে ও দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছি। হত্যায় জড়িতদের শাস্তি চাই।’ এর আগে বুধবার রাত ১টার দিকে ফারিয়ার লাশ গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে ফারিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেয়। পরে তারা ফারিয়ার কবর জিয়ারত করেন। ফারিয়ার ছোট ভাই রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়ের হোসেন খন্দকার ফাহিম বলেন, ‘কিছু হলেই আমার বোনের গায়ে হাত তুলতেন হৃদয়। ছবিতে খাটের ওপর যেভাবে তার দেহ দেখেছি, এভাবে কেউ আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে হত্যা করা হয়েছে।’ সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এমদাদুল হক ভূঁইয়া সোহাগ জানান, ফারিয়ার এমন মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মর্মাহত। আগামী রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ঘটনার প্রতিবাদে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করা হবে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে বহুতল ভবন থেকে পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে। ফারিয়া (২৩) কুমিল্লা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। কোতোয়ালি থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ফারিয়ার স্বামীসহ অন্যরা পলাতক রয়েছে। তাদের আটক করতে অভিযান চলছে। - বিষয় : - মামলা
যাত্রাপথে স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ
কুমিল্লার হোমনায় অটোরিকশায় করে বাসায় ফেরার পথে এক দম্পতির পথ রোধ করে গৃহবধূকে (১৮) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে হোমনা কৃষি কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হোমনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলায় ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, ভুক্তভোগী আর তার স্বামী হোমনা পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। বুধবার রাতে তারা একটি অটোরিকশায়যোগে ভুক্তভোগীর বাবার বাড়ি তিতাসে যাচ্ছিলেন। হোমনা কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমান (২৪) ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। এসময় দম্পতিসহ অটোরিকশাটিকে জোরপূর্বক একটি নির্জন ইটের রাস্তায় নিয়ে যান। সেখানে আশিকুর রহমান ও তার দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখেন। অন্যরা তার স্বামী ও অটোরিকশার চালককে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তারা প্রথমে হাসপাতালে এবং পরে থানায় যান। ওসি টমাস বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভুক্তভোগী নারী ভোর ৪টার দিকে তার স্বামীসহ থানায় এসে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানান। পরে আমি ওই দম্পতিকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যাই। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা মামলা নিয়েছি। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এজাহারে একজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তাকেসহ ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। আরিফ আজগর/এসএইচএ
নাঙ্গলকোটে স্বামীর বিরুদ্ধে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ
নাঙ্গলকোটে স্বামীর বিরুদ্ধে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ Advertisement নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৩২ পিএম কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ফারহানা আক্তার মরিয়ম (২৮) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী শাহিন মিয়ার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের শ্যামপুর ব্যাপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মরিয়ম দুই সন্তানের জননী। তিনি পার্শ্ববর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলপাশা ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে। ঘটনাস্থল থেকে মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে স্বামী শাহিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নিহতের ভাই রবিউল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে শাহিন মিয়া মোবাইল ফোনে মরিয়মের মৃত্যুর খবর দেন। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরিয়মের নাক, কান ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে দেখেন। তাদের দাবি, মরিয়মকে হত্যা করা হয়েছে। পরে তারা ৯৯৯ নম্বরে কল করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। নাঙ্গলকোট থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী শাহিন মিয়াকে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
