বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে ঠিকাদারের ধাওয়া, এমপির ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

A local contractor chased a government engineer with a bamboo stick, tried to assault him, and verbally abused him, forcing him to flee. The incident happened on 13 April 2026, so it is recent, and the physical threat with a weapon makes it a violent attack, although no one was injured.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
13/04/26•মেরকুটা বাজার-শিবপুর সড়ক

Killed

0

Injured

0

Summary

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক নির্মাণের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ঠিকাদার লোকমান হোসেন হাতে বাঁশ নিয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী মীর্জা মো. তরিকুল ইসলামকে ধাওয়া দিয়ে লাঞ্ছিত করেন। ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল (সোমবার) সকালে ঘটে এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য অভিযুক্তকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

88% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

লোকমান হোসেন (স্থানীয় ঠিকাদার, অভিযুক্ত)মীর্জা মো. তরিকুল ইসলাম (উপসহকারী প্রকৌশলী, এলজিইডি)অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য)মাহমুদুল হাসান (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নবীনগর)

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 14/04/26open original ↗

বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে তাড়া ঠিকাদারের

বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে তাড়া ঠিকাদারের সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলী মীর্জা মো. তরিকুল ইসলামকে ধাওয়া করছেন ঠিকাদার লোকমান হোসেন। সোমবার দুপুরে নবীনগরের শিবপুর বাজার এলাকায়। ছবি: ভিডিও থেকে নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:২৭ | আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:৩৭ সড়কের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে, এমন অভিযোগ পেয়েছিলেন এলজিইডি কর্মকর্তারা। সরেজমিনে সেই কাজ দেখতে যায় তাদের একটি দল। সেখানেই সরকারি এই দপ্তরের প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত করেছেন এক প্রভাবশালী ঠিকাদার। সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর বাজার এলাকায় ঘটে এই ঘটনা। ভুক্তভোগী মীর্জা মো. তরিকুল ইসলাম উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। তাঁর বাড়ি জামালপুরের বকশীগঞ্জে। তাঁকে লাঞ্ছনার পর বাঁশ নিয়েও তাড়া করেন প্রভাবশালী ঠিকাদার লোকমান হোসেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ছয়বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স লোকমান হোসেন ট্রেড্রার্স। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, নবীনগরের মেরকুটা বাজার থেকে শিবপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে কার্যাদেশ পায় রাজশাহীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র কন্সট্রাকশন লিমিটেড। এলজিইডির আওতায় নির্মাণাধীন এ সড়কের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রাজশাহীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সড়কটির তদারকি করছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রভাবশালী ঠিকাদার লোকমান হোসেন। তবে সূত্রের দাবি, মূলত নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওই কাজটির সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়েছেন তিনি। এলাকাবাসীর কাছ থেকে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ পায় এলজিইডি। গতকাল সোমবার ঢাকা থেকে এলজিইডির একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে স্থানীয় প্রকৌশলীরা সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শিবপুর এলাকায় যান। তখন ঠিকাদার লোকমান হোসেনকে এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন উপসহকারী প্রকৌশলী মীর্জা মো. তরিকুল ইসলাম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লোকমান তাঁকে পেটাতে উদ্যত হন। এক পর্যায়ে তিনি বাঁশ নিয়ে ওই প্রকৌশলীকে তাড়া করেন। উপসহকারী প্রকৌশলী মীর্জা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘কাজের নিম্নমান নিয়ে প্রশ্ন করতেই ঠিকাদার লোকমান হোসেন ঢাকা ও জেলা থেকে আসা স্যারদের সামনেই আমাকে মারতে উদ্যত হন। এক পর্যায়ে হাতে বাঁশ নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে পেটানোর জন্য আমাকে দৌড়াতে থাকেন। দৌড়ে আমি কোনোরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসি।’ এ বিষয়ে থানায় মামলা করা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদার লোকমান খুবই খারাপ মানুষ। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বক্তব্য জানতে ঠিকাদার লোকমান হোসেনের নম্বরে দফায় দফায় কল দিলেও ধরেননি। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম সন্ধ্যায় সমকালকে বলেন, ‘ঘটনা শোনার পর আমরা একজন এসআইকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। উপসহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম থানায় অবস্থান করছেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’ ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। বিষয়টি তারা শক্তভাবেই দেখছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এম এ মান্নানের ভাষ্য, ঘটনা শোনার পরই তিনি পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেছেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারী ঠিকাদারকে গ্রেপ্তারে নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তার ওপর এমন হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। - বিষয় : - ব্রাহ্মণবাড়িয়া - নবীনগর - প্রকৌশলী - ঠিকাদার

Source 2: Jugantor · 13/04/26open original ↗

বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে ঠিকাদারের ধাওয়া, এমপির ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে ঠিকাদারের ধাওয়া, এমপির ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম Advertisement নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় উপসহকারী প্রকৌশলীকে হাতে বাঁশ নিয়ে ধাওয়া দিয়ে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমএ মান্নান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মেরকুটা বাজার থেকে শিবপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণকাজ পরিদর্শনে যান এলজিইডির একটি প্রতিনিধি দল ও স্থানীয় প্রকৌশলীরা। কাজের মান নিয়ে আপত্তি তোলার একপর্যায়ে উপসহকারী প্রকৌশলী মীর্জা মো. তরিকুল ইসলামকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করেন স্থানীয় ঠিকাদার লোকমান হোসেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন এ সড়ক প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রাজশাহীর বরেন্দ্র কন্সট্রাকশন লিমিটেড কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেলেও স্থানীয়ভাবে তদারকির দায়িত্বে ছিলেন লোকমান হোসেন। লাঞ্ছিত উপসহকারী প্রকৌশলী মীর্জা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, কাজের নিম্নমান নিয়ে প্রশ্ন করতেই ঠিকাদার লোকমান হোসেন আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি হাতে বাঁশ নিয়ে আমাকে মারতে উদ্যত হন এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন। প্রাণভয়ে আমাকে সেখান থেকে দৌড়ে পালাতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তাহীনতায় আমি বদলির চেষ্টা করছি। মামলা করতেও ভয় পাচ্ছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। তবে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান বলেন, সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে।