শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে ডেকে এনে গাছে বেঁধে ন্যাড়া
Why this classification
A crowd tied a teacher to a tree, put a garland of shoes around his neck and shaved his head after students' families alleged he sexually abused a student. The incident happened on Sunday night, 3 May 2026, which is within the recent window, so it is a valid, specific act of mob violence in Chuadanga district.
Killed
0
Injured
0
Summary
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় হুদাপাড়া দারুল কোরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক নুরুল ইসলামকে ২০২৬ সালের ৩ মে (রোববার) রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসা থেকে ডেকে এনে গাছে বেঁধে, গলায় জুতার মালা পরিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দেয়। ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠলেও পুলিশ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দিয়েছে বলে জানা গেছে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে ডেকে এনে গাছে বেঁধে ন্যাড়া
দামুড়হুদায় ছাত্রকে পাশবিক নির্যাতন শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে ডেকে এনে গাছে বেঁধে ন্যাড়া Advertisement দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দামুড়হুদার হুদাপাড়া দারুল কোরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক নুরুল ইসলামকে গাছের সঙ্গে বেঁধে গলায় জুতার মালা পরিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা। ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। রোববার রাতে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের হুদাপাড়ায় ওই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়ি মেহেরপুরের মুজিবনগরের বাগোয়ান গ্রামে। জানা গেছে, মাদ্রাসায় থাকা অবস্থায় ওই ছাত্রকে বলাৎকার করে শিক্ষক নুরুল ইসলাম। পরে ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি তার পরিবারের কাছে জানায় ওই ছাত্র। ঘটনা প্রকাশের পর বিক্ষুব্ধ জনতা ওই শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে ডেকে এনে গাছের সঙ্গে বেঁধে জুতার মালা পরিয়ে দেন। একপর্যায়ে তারে চুল কেটে দেওয়া হয়। তবে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল থেকে শিক্ষক নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পাওয়ায় তার পরিবারের জিম্মিয় শিক্ষককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
