বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে কারাগারে
Why this classification
A 27-year-old son stabbed his 55-year-old father to death with a sharp weapon on the morning of 24 March 2026 in Hashempur village, Natore. The father died while receiving treatment, and the son admitted to the killing after police arrested him.
Killed
1
Injured
0
Summary
নাটোর সদর উপজেলার হাশেমপুর গ্রামে ২৪ মার্চ ২০২৬ সকালে ছেলে মঈন উদ্দিন সিয়াম ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবা মহরম আলীকে (৫৫) কুপিয়ে হত্যা করে। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে ঘটা এই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেফতার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে কারাগারে
বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে কারাগারে Advertisement নাটোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম ফাইল ছবি। নাটোরে পিতা মহরম আলীকে (৫৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার ছেলে মঈন উদ্দিন সিয়াম (২৭)। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার হাশেমপুর গ্রামে মহরম আলীর নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিন রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার বিকালে নাটোর আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়িতে হঠাৎ মহরম আলীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় তারা দেখতে পান কে বা কারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে তাকে মেঝেতে ফেলে রেখে গেছে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মহরম আলীকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এই ঘটনার রহস্য উদঘাটনে অনুসন্ধান শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ। রাতেই অভিযান চালিয়ে নিহতের ছেলে মইন উদ্দিন সিয়ামকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিয়াম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রও জব্দ করে পুলিশ। নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবার সঙ্গে ছেলের পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হত্যার বিষয়টি গ্রেফতার ছেলে মঈন উদ্দিন সিয়াম স্বীকারও করেছেন। এ ঘটনায় নিহত মহরম আলীর বড় ভাই নাটোর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ হত্যার বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে বলে জানিয়েছেন নাটোর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম।
