হবিগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসক লাঞ্ছিত, জরুরি বিভাগ বন্ধ
Why this classification
A young man from Bonogao village physically assaulted an emergency doctor at Habiganj Sadar Hospital on the evening of 4 February 2026, after an argument. The assault caused about 90 minutes of emergency service disruption, and army and police had to restore order.
Killed
0
Injured
0
Summary
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে বনগাঁও গ্রামের তমাল নামের এক যুবক জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈম আশরাফকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকে, পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হবিগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসক লাঞ্ছিত, জরুরি বিভাগ বন্ধ
হবিগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসক লাঞ্ছিত, জরুরি বিভাগ বন্ধ হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা। ছবি: সমকাল হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৩:৩৮ | আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৩:৫২ হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈম আশরাফকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার ঘটনায় প্রায় দেড় ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা বন্ধ ছিল। এতে হাসপাতালে আসা রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। জানা যায়, আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার বনগাঁও গ্রামের তমাল নামের এক যুবক তার এক স্বজনকে চিকিৎসা করানোর জন্য ২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে যান। এসময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক নাঈম আশরাফের সাথে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ওই যুবক চিকিৎসককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনার পরপরই জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে সেবা প্রদান বন্ধ রাখেন। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ অচল হয়ে পড়ে। এসময় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও গুরুতর অসুস্থ একাধিক রোগী জরুরি চিকিৎসা না পেয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা পুনরায় চালু করা হয়। ২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আমিনুল হক সরকার বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থার দাবি জানাই। - বিষয় : - হবিগঞ্জ
