সুনামগঞ্জে আর্জেন্টিনার ১২০ হাত লম্বা পতাকা ছিঁড়ে ফেলায় সমর্থকদের ক্ষোভ
Why this classification
A 120-hand Argentina flag outside a primary school in Sunamganj was torn by unknown people in the early hours of Tuesday 9 June 2026, which is a concrete, recent act of vandalism. No injuries or deaths were reported, and the article is a report of the incident itself rather than just reactions to it.
Killed
0
Injured
0
Summary
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শরীফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থাপিত ১২০ হাত লম্বা আর্জেন্টিনার একটি পতাকা মঙ্গলবার (০৯ জুন) ভোর রাতে দুর্বৃত্তরা ছিঁড়ে ফেলে। স্থানীয় সমর্থকরা ঘটনাটিকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
সুনামগঞ্জে আর্জেন্টিনার ১২০ হাত লম্বা পতাকা ছিঁড়ে ফেলায় সমর্থকদের ক্ষোভ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শরীফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থাপন করা আর্জেন্টিনার ১২০ হাত লম্বা একটি পতাকা ছিঁড়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (০৯ জুন) ভোর রাতের কোনো এক সময় কে বা কারা পতাকাটির বিভিন্ন অংশ ছিঁড়ে ফেলে রেখে যায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দাবি, বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে দীর্ঘদিনের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে পতাকাটি স্থাপন করা হয়েছিল।এলাকার ক্রীড়াপ্রেমী তরুণদের উদ্যোগে তৈরি ও টানানো এই বিশাল পতাকাটি স্থানীয়দের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা পতাকাটি ছেঁড়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আর্জেন্টিনা সমর্থকদের অভিযোগ, এটি শুধু একটি পতাকা নয়, বরং তাদের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। পরিকল্পিতভাবে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এই কর্মকাণ্ডকে নিন্দনীয় ও দুঃখজনক উল্লেখ করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থক তানভীর ঢাকা পোস্ট কে বলেন, আমরা খেলাধুলাকে ভালোবাসি এবং সেই ভালোবাসা থেকেই পতাকাটি টানিয়েছিলাম। কেউ যদি এটি ছিঁড়ে ফেলে থাকে, তাহলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় কাজ। আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাব সুনামগঞ্জ এর এডমিন সৈয়দ রায়হান ঢাকা পোস্ট কে বলেন, বিশ্বকাপে নিজেদের পছন্দের দলকে সাপোর্ট করা যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার৷ এখানে আমাদের সমর্থন করা দলের পতাকা ছিড়ে ফেলা হয়েছে। এটা খুব দুঃখজনক। আমরা চাই সবাই যাতে অসুস্থ সমর্থক না হই। সবাইকে আহ্বান জানাবো এমন কাজ যাতে ভবিষ্যতে না করেন। এলাকার সচেতন মহলও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তারা বলেন, খেলাধুলা ও সমর্থনের সংস্কৃতিকে সম্মান জানানো উচিত। এ ধরনের ঘটনা সামাজিক সম্প্রীতির জন্যও নেতিবাচক বার্তা বহন করে। তামিম রায়হান/এসএমডব্লিউ
ফেসবুকে পরিচয়, সুনামগঞ্জে এসে অটোতে গণধর্ষণের শিকার তরুণী
ফেসবুকে পরিচয়, সুনামগঞ্জে এসে অটোতে গণধর্ষণের শিকার তরুণী Advertisement সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম সুনামগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এনে ১৭ বছরের এক কিশোরীকে বাড়িতে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করেছে সুনামগঞ্জ সদর থানার পুলিশ। এ সময় অপরাধে ব্যবহৃত একটি সিএনজিও জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রায় চার মাস আগে `সুনামগঞ্জের ভৈরব’ নামের এক যুবকের সঙ্গে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার এক তরুণীর পরিচয় হয়। পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে মেয়েটি সুনামগঞ্জে আসে। তবে ওই যুবক তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তার বন্ধু সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক সোহেলের কাছে রেখে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিকটিমের পরিবার একবার তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিলেও পরে আবার সোহেল বিয়ের আশ্বাস দিলে তরুণী তার কাছে চলে আসে। এ সুযোগে সোহেল তাকে প্রায় দুই সপ্তাহ নিজ বাড়িতে আটকে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। গত ১ মার্চ সোহেলের মায়ের সঙ্গে ভিকটিমের ঝগড়া হলে তাকে সুনামগঞ্জ শহরের এক বাসায় রেখে সিলেট চলে যায় সোহেল। পরে মেয়েটি বাড়িতে ফিরতে চাইলে তার বন্ধু এরশাদ ও মাসুম তাকে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তোলে। পরে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ এলাকার একটি নির্জন স্থানে অটোরিকশার ভেতরে তাকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার পুলিশ অভিযানে নেমে সোহেল, মাসুম ও এরশাদকে ভিন্ন ভিন্ন এলাকা থেকে আটক করে। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ বলেন, আমরা খবর পেয়ে তিনজনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক করেছি। ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি ও চিকিৎসাসহ যাবতীয় আইনি সহায়তা প্রদান করছি। অপরাধীরা যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায়, সেজন্য মামলার তদন্ত ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখা হচ্ছে।
