বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে জখম স্কুলছাত্র
Why this classification
This is a single, concrete incident on 17 May 2026 in which a local farmer's group attacked another farmer with machetes, sickles and sharp weapons over a crop-sharing dispute. A schoolboy was seriously injured while shielding his father, and the article is not a statistical roundup, reaction piece or historical account.
Killed
0
Injured
1
Summary
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বেলগাছি গ্রামে ২০১৭ মে ২০২৬ (রোববার) সকালে সেচ দেওয়া জমির ধান কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবা হেলাল উদ্দিনকে বাঁচাতে গিয়ে ১৮ বছর বয়সী স্কুলছাত্র নাইমুর রহমান ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত হন। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে এবং আহত নাইমুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে জখম স্কুলছাত্র
ধান কাটা নিয়ে বিরোধ বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে জখম স্কুলছাত্র কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহত নাইমুর। ছবি: সমকাল কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬ | ১৯:০৩ | আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ | ১৯:০৫ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমির ভাগের ধান কাটাকে কেন্দ্র করে এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক কৃষকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা জানান, ধান কাটাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হেলাল উদ্দিন ও নাসির উদ্দিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রোববার সকালে হেলাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইমুর রহমান ব্লকে নিজেদের ভাগের ধান কাটতে যান। সে সময় নাসিরদের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নাসির ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কৃষক হেলালকে আঘাত করতে উদ্যত হন। বাবার ওপরে পড়তে যাওয়া সেই আঘাত ঠেকাতে গিয়ে আহত হন ছেলে নাইমুর রহমান। আহত নাইমুর রহমান (১৮) ওই গ্রামের কৃষক হেলাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি শিলাইদহ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। রোববার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্বজনদের দাবি, আঘাতের ফলে নাইমুরের হাতে প্রায় ৪ সেন্টিমিটার গভীর ক্ষত হয়। এতে তার হাড়, মাংস ও রগ কেটে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বর্তমানে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলগাছি মাঠে কৃষক হেলাল উদ্দিনের একটি সরকার অনুমোদিত সেচ পাম্প আছে। সেখানে তিনি প্রায় ৪৫-৫০ বিঘা জমির একটি ব্লকে এক-চতুর্থাংশ ভাগে চুক্তিভিত্তিক সেচ প্রদান করে থাকেন। তবে কয়েক বছর যাবৎ আরেক কৃষক নাসির উদ্দিন আবাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে একই ব্লকের কিছু জমিতে সেচ প্রদান করছেন। নাইমুরের মামাতো ভাই উজ্জ্বল হোসেন বলেন, বোরিংয়ে সেচের ধান কাটতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালায়। তখন বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে নাইমুর হামলার শিকার হয়েছে। বাবা হেলাল উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, আমি বৈধ লাইসেন্স নিয়ে জমিতে সেচ দিয়েছি। আজ ভাগের অংশ কাটতে গেলে নাসির, তার ছেলে বিপুলসহ চার-পাঁচজন হাঁসুয়া, কাঁচি, রামদা নিয়ে প্রথমে আমাকে মারধর করে। এরপর কোপ মারতে গেলে ছেলে ঠেকিয়ে দেয়। তখন ওই কোপ ছেলের গায়ে লেগে রক্তাক্ত জখম হয়েছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নাসিরের ফুফাতো ভাই রুবেল হোসেন বলেন, বাদী-বিবাদী দুজনেই তার নিকট আত্মীয়। সেচ দেওয়া জমির ফসলের ভাগ নিয়ে কয়েক বছর ধরে তাদের বিরোধ চলছে। আগে রোগী সুস্থ হোক, পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রায় ৪ সেন্টিমিটার গভীর ক্ষত হয়েছে। হাড়, মাংস, রগ কেটে গেছে। সেলাই দেওয়াও সম্ভব হয়নি। কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহাগ খান জানান, বোরিংয়ের সেচ দেওয়া জমির ধান কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে একজনকে কুপিয়ে আহতের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। - বিষয় : - কুষ্টিয়া - স্কুলছাত্র - কুপিয়ে জখম
