প্রতিপক্ষের ইন্ধনে ফাঁসল ব্যবসায়ী
Why this classification
The article reports a new incident on 21 May 2026 in which Coast Guard personnel allegedly tortured a businessman during his arrest and vandalised his house. The rally and human chain are reactions to that event and were not counted as a separate incident. The allegations are unverified.
Killed
0
Injured
1
Summary
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ২১ মে রাতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আমজাদ হোসেন বিদ্যুৎ নামের এক ব্যবসায়ীকে আটকের সময় নির্যাতন ও তার বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে চরকিং ইউনিয়নের ভৈরব বাজারে স্থানীয়রা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
‘আমাকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয়েছে, মামলা করব’
‘আমাকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয়েছে, মামলা করব’ হাতিয়ায় মারধর ও ধর্ষণের অভিযোগ নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৭:২৯ | প্রিন্ট সংস্করণ নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ তোলা নারী (৩২) এলাকায় ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। অব্যাহত হুমকির মুখে তাঁর ছোট বোন চানন্দী ইউনিয়নের ধানসিড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ছেড়ে হাতিয়া মূল দ্বীপে তাদের এক স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। ভুক্তভোগী নারী নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, তিন নারী ও দুই পুলিশ সদস্য এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ২ নম্বর গাইনি ওয়ার্ডে ওই নারীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত। তিনি সমকালকে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে সাংবাদিক, পুলিশসহ বিভিন্ন লোকজন আমাকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করেন। লোকজনের মাঝে ধর্ষণের কথা বারবার বলতে লজ্জাবোধ করায় এক পর্যায়ে রাগে ক্ষোভে বলেছি আমাকে ধর্ষণ করা হয়নি, ধর্ষণর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আসল সত্য হলো, আমার স্বামীকে জিম্মি করে আমাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। একজন নারী কখনোই তার ইজ্জত নিয়ে মিথ্যা বলতে পারে না। ওই নারী অভিযোগ করে বলেন, যারা এনসিপির ভোট (জাতীয় নাগরিক পার্টির) করেছে, তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে। অব্যাহত হুমকি ও নির্যাতনের ভয়ে আমার ছোট বোন মঙ্গলবার সকালে অশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসা ঝেড়ে পালিয়ে গেছে। এক মাস ধরে বিএনপি নেতা কালা এমরান আমাকে ১০০ টাকা দিয়ে ধানের শীষে ভোট করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু আমি রাজি না হওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ওপর নির্যাতন করে। তারা আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনেক নারীকে নির্যাতন করেছে। কিন্তু ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। চানন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে এনসিপির লোকজন বিএনপির লোকজনের ওপর হামলা করে। পরে ওই দিন সন্ধ্যায় বিএনপির লোকজন জড়ো হয়ে এনসিপির লোকজনকে ধাওয়া করে। ওই সময় আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকা এনসিপির কর্মী-সমর্থকদের মারধর করা হয়। তবে ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন-অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, ওই নারীর নিরাপত্তার কোনো সমস্যা নেই। হাসপাতাল থেকে রিলিজ করা হলে তার গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি যদি মামলা করতে চান তাহলে স্থানীয় পুলিশ তাঁকে নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই নারীর পক্ষে কোনো লিখিত অভিযোগ পড়েনি। লিখিত অভিযোগ পেলে পুলিশ গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি দেখবে। - বিষয় : - ধর্ষণ
প্রতিপক্ষের ইন্ধনে ফাঁসল ব্যবসায়ী
হাতিয়ায় কোস্ট গার্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিপক্ষের ইন্ধনে ফাঁসল ব্যবসায়ী Advertisement হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নোয়াখালীর হাতিয়ায় কোস্ট গার্ডের বিরুদ্ধে অস্ত্র উদ্ধারের নামে আমজাদ হোসেন বিদ্যুৎ নামের এক ব্যবসায়ীকে আটক করার অভিযোগ ওঠেছে। বিদ্যুৎ চরকিং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বোয়ালিয়া গ্রামের হাজি আবুল কালামের ছেলে। অভিযোগ, আটকের সময় তাকে নির্যাতন করা হয় এবং তার বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। বিদ্যুতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে দুশতাধিক স্থানীয় নারী-পুরুষ। শনিবার বেলা ১১টায় চরকিং ইউনিয়নের ভৈরব বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে বিদ্যুতের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ ভুক্তভোগীর স্বজনরা। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। উল্লেখ্য, ২১ মে রাত ৮টার দিকে কোস্ট গার্ড অভিযান চালিয়ে বিদ্যুৎকে আটক করে। পরদিন তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়। মানববন্ধনে বিদ্যুতের মা লুৎফে আরা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করা হয়েছে। এটা ষড়যন্ত্র।’ এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের ইন্ধনে বিদ্যুৎকে ফাঁসাতে কোস্ট গার্ড সদস্যরা এ কাজ করেছেন।
