বরের বাড়িতে কনের স্বজনদের হামলা লুটপাট
Why this classification
A group of 7-8 people armed with sticks and local weapons attacked a house in Parr-Bagdob village, Natore, after a couple eloped. They smashed the household items, stole about 10 bhori of gold and three and a half lakh taka in cash, and seriously beat a pregnant woman who tried to stop them, so this is a real violent incident within the time window.
Killed
0
Injured
1
Summary
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার পার-বাগডোব গ্রামে ২২ এপ্রিল ভোর রাতে কনের স্বজনদের নেতৃত্বে ৭-৮ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে, ১০ ভরি সোনার গহনা ও সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট করে। বাধা দিলে অন্তঃসত্ত্বা জুলেখা খাতুন গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বরের বাড়িতে কনের স্বজনদের হামলা লুটপাট
বড়াইগ্রামে পালিয়ে বিয়ে বরের বাড়িতে কনের স্বজনদের হামলা লুটপাট Advertisement বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বড়াইগ্রামে প্রেমের টানে মামাতো-ফুফাতো ভাইবোনের পালিয়ে বিয়ের জেরে কনের স্বজনদের বিরুদ্ধে বরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠেছে। বুধবার ভোর রাত ৪টার দিকে উপজেলার পার-বাগডোব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় দুই মাস আগে পার-বাগডোব গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে সিয়াম তার মামাতো বোন পাশের ভরতপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে জুবায়দা ইশরাতকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে স্বজনরা তাদের খুঁজে বের করে মেয়েকে তার বাবার হাতে তুলে দেন। কিন্তু ৩১ মার্চ তারা দুজন পুনরায় পালিয়ে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আব্দুর রহমান আদালতে সিয়াম, তার বাবা, মা ও বড় ভাইয়ের নামে অপহরণ মামলা করেন। গ্রেফতার এড়াতে সবাই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে থাকায় সিয়ামের ভাবি জুলেখা খাতুন শিশু সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে থাকেন। এ সুযোগে বুধবার ভোর রাত ৪টার দিকে আব্দুর রহমান ও তার ভাই আব্দুল জাব্বারের নেতৃত্বে ৭-৮ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সিয়ামের বাড়িতে হামলা করেন। তারা চারটি ঘরের যাবতীয় জিনিসপত্র ভাঙচুরসহ জুলেখা ও তার শাশুড়ির মোট ১০ ভরি সোনার গহনা এবং দোকানের হালখাতার নগদ সাড়ে তিন লাখ টাকা লুটে নেন। এতে বাধা দেওয়ায় তারা সিয়ামের অন্তঃসত্ত্বা ভাবি জুলেখা খাতুনকে বেধড়ক মারধর করে। পরে তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। জুলেখা খাতুনকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আব্দুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘আমরা কোনো হামলা ভাঙচুর করিনি। বরং ওই বাড়িতে মেয়ের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তারাই আমার স্ত্রীকে মারধর করেছে।’ থানার ওসি আব্দুস ছালাম বলেন, এ ব্যাপারে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
