আ. লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৮

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

পুলিশ আওয়ামী লীগ নেতাকে ধরতে গেলে নেতাকর্মীরা তাকে ছিনিয়ে নেন, যা পুলিশের সাথে শারীরিক সংঘর্ষের ঘটনা। এটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত একটি সহিংস ঘটনা, তাই সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
23/06/26•আড়পাড়া এলাকা, কালীগঞ্জ

Killed

0

Injured

0

Summary

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পুলিশের কাছ থেকে আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ছিনিয়ে নেন নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 3

Perpetrator side

Awami League

Victim side

Law Enforcement

Other actors

মোস্তাফিজুর রহমান বিজুএসআই মনিরুজ্জামানওসি জেল্লাল হোসেন

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 24/06/26open original ↗

আ. লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৮

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে, মঙ্গলবার রাতে কালীগঞ্জ থানার এসআই মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে প্রধান আসামি করে মামলাটি করেন। জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শহরের আড়পাড়া এলাকার নিজ বাড়ি নিচতলায় দলীয় অফিসে বসেছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজু। এ সময় সেখানে নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করার। এর মাঝেই পুলিশ গিয়ে বাধা দেয় এবং মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর নেতাকর্মীরা পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেন। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০/৩০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা অব্যাহত। সম্রাট হোসেন/এএমকে

Source 2: Jugantor · 23/06/26open original ↗

ঝিনাইদহে আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলেন নেতাকর্মীরা

ঝিনাইদহে আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলেন নেতাকর্মীরা Advertisement কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম ঝিনাইদহে আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলেন নেতাকর্মীরা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন দলটির নেতাকর্মী ও পরিবারের স্বজনরা। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের আড়পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা অস্বীকার করেছেন থানার ওসি জেল্লাল হোসেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান, সকালে শহরের আড়পাড়া এলাকার নিজ বাড়ির নিচতলায় দলীয় অফিসে বসেছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজু। এ সময় অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করার। এ সময় পুলিশ এসে বাধাগ্রস্ত করে এবং মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বিজুর ব্যবহৃত মোবাইল ও মানিব্যাগ পুলিশ নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন নেতাকর্মীরা। এই প্রতিবেদকের কাছে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান অফিসে বসে আছেন। সেখানে কালীগঞ্জ থানার এসআই শামিনুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য যায়। এ সময় তারা কথা বলেন। পরে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে অফিসের বাইরে নিয়ে গেলে নেতাকর্মী ও পরিবারের স্বজনরা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, কালীগঞ্জ থানার একটি দল সেখানে গেলে মোস্তাফিজুর রহমান বিজু পালিয়ে যান। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তিনি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় মোবাইল পড়ে যায়। এটা হেফাজতে আছে। পরিবারের কেউ এলে দিয়ে দিবে। তবে কোনো মানিব্যাগ পাওয়া যায়নি।