সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সংঘর্ষে বিজিবির ২ সদস্য আহত
Why this classification
Smugglers attacked a Border Guard Bangladesh patrol with local weapons and sticks during an anti-smuggling operation, injuring two security personnel, and one smuggler was also injured in the resistance. This is a physical attack and clash on the same day, so it counts as relevant violence.
Killed
0
Injured
3
Summary
৯ মার্চ ২০২৬ (সোমবার) সকালে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ফুলতলী বিওপির রেইক্কাশিয়া পোস্ট এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানের সময় চোরাকারবারীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে দুই বিজিবি সদস্য আহত হন এবং প্রতিরোধের সময় চোরাকারবারী মো. ইসমাইল আহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সংঘর্ষে বিজিবির ২ সদস্য আহত
সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সংঘর্ষে বিজিবির ২ সদস্য আহত Advertisement নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম আহত এক বিজিবি সদস্য। ছবি: যুগান্তর বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় চোরাকারবারীদের অতর্কিত হামলায় দুজন বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার ফুলতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ রেইক্কাশিয়া পোস্টসংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিজিবির প্রতিরোধে এক চোরাকারবারি আহত হয়। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে ফুলতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ রেইক্কাশিয়া পোস্ট এলাকায় একটি টহলদল চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় চোরাকারবারিদের একটি সংঘবদ্ধ দল প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি বার্মিজ গরু নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। বিজিবি টহলদল চোরাকারবারীদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দেশীয় অস্ত্র, লাঠি-সোঁটা নিয়ে বিজিবি সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ল্যান্সনায়েক মো. রাজু ও সিপাহি মো. শরিফ নামে দুই বিজিবি সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি সদস্যরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে মো. ইসমাইল নামে এক চোরাকারবারি আহত হয়। আহত বিজিবি সদস্যদের প্রথমে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সদর দপ্তরের এমআই রুমে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে। আহত মো. ইসমাইলকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি মো. আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. ইসমাইলসহ ১০ থেকে ২০ জন অজ্ঞাত চোরাকারবারির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ইসমাইলের বিরুদ্ধে আগেও চোরাচালানের একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পরপরই অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসকেএম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। চোরাকারবারিদের যেকোনো অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র মিয়ানমার থেকে গরু, মাদক ও অন্যান্য পণ্য চোরাচালান করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযানের পরও চক্রটি মাঝে মধ্যে সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তবে বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
