ঘোষণা দিয়ে আ.লীগ নেতাকর্মীদের কুপিয়ে জখম
Why this classification
This is a single, specific incident from Monday night (23 March 2026) in Gangni, Meherpur, where a BNP leader's side allegedly hacked Awami League workers during a clash, injuring 11 people including a woman. It is a physical attack with weapons, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
11
Summary
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটিতে সোমবার রাতে বিএনপি নেতা দবির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে, যাতে নারীসহ উভয়পক্ষের ১১ জন আহত হয়েছেন। বিএনপি নেতার দাবি, ইউপি সদস্য আব্বাস আলীর নির্যাতনের প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে, আর আওয়ামী লীগের অভিযোগ, চাঁদা না পেয়ে তার বাবা-মায়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 11
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ঘোষণা দিয়ে আ.লীগ নেতাকর্মীদের কুপিয়ে জখম
ঘোষণা দিয়ে আ.লীগ নেতাকর্মীদের কুপিয়ে জখম Advertisement মেহেরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম গাংনীতে ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের নারীসহ ১১ জন আহত হয়েছে। সোমবার রাতে গাংনীর সাহারবাটিতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে সাহারবাটির কড়ইতলাপাড়ার ইমন আলীর স্ত্রী রিয়া খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, মুন্তাজ আলী, হামিদুল ইসলাম, মাঠপাড়ার মিথুন হোসেন, আইনাল হক, আনসারুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শাহানারা বেগম রয়েছেন। অন্যদিকে হামলাকারী বিএনপি নেতা দবির হোসেনের ভাই আব্দুল খালেক ও আব্দুল মালেক আহত হয়েছেন। বিএনপি নেতা দবির হোসেন জানান, গত ১৭ বছর স্থানীয় ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা আব্বাস আলী তাদের পরিবারের ওপর নির্যাতন-জুলুম চালিয়ে আসছিলেন। তারা তাদের গোয়ালের গরু পর্যন্ত খুলে নিয়ে গেছে এবং মাঠের ফসল তুলতে দেয়নি। তাই ‘মারের বদলে মার’ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা আব্বাস আলী জানান, ৫ আগস্ট-পরবর্তী থেকেই দবির উদ্দীন তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তারা বেশ কয়েকবার চাঁদা দিয়েছেন। সোমবার আবারও দাবির চাঁদা চেয়ে না পেয়ে তার বাবা-মায়ের ওপর হামলা চালানো হয়।
