সালথায় ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Pabna. It involved BNP, Awami League, Locals against Locals. Reported by 1 source.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
21/08/26•Jugikanda, Saltha

Killed

0

Injured

0

Summary

ফরিদপুরের সালথায় ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২টি বসতঘর ও একটি মুদি দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শুক্রবার সন্ধ্যায় মাঝারদিয়া ইউনিয়নের জুগিকান্দা গ্রামে ঘটে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 4

Perpetrator side

BNPAwami LeagueLocals

Victim side

Locals

Other actors

Rajib HossainHemayet HossainZahidBablu Rahman

Affected infrastructure

housesgrocery shophaystack

Tags

Party ClashVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Awami League, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 28/02/26open original ↗

বিএনপির ৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা পাবনায়

বিএনপির ৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা পাবনায় চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৫৫ | প্রিন্ট সংস্করণ পাবনার চাটমোহরে হাটবাজার ইজারার টেন্ডার দাখিলকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৯ জন নামীয়সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি করা হয়েছে উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আতিকুর রহমান সাচ্চুকে। গত বৃহস্পতিবার রাতে জামায়াতে ইসলামী চাটমোহর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে উপজেলা ও পৌর জামায়াত নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের আহ্বানে বৃহস্পতিবার হাটবাজার ইজারার টেন্ডার শিডিউল দাখিলের শেষ দিন ছিল। দুপুরে ছাইকোলা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আওরঙ্গজেব ছাইকোলা হাটের টেন্ডার শিডিউল জমা দিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান এবং নির্ধারিত বাক্সে তা জমা দেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়।  এর কিছুক্ষণ পর ব্যক্তিগত কাজ শেষে ইউএনও কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান হাবিবের ওপরও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। পরে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। এর পর বিএনপির এক নেতার সহায়তায় হাবিব সেখান থেকে সরে যান। এ ঘটনায় পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন আহত হন। চাটমোহর থানার ওসি গোলাম সারওয়ার হোসেন জানান, ‘মারধরের ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ভুক্তভোগী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান জানান, ‘ছাইকোলা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি যে টেন্ডার দাখিল করেছেন, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। আমি ইউএনওর কাছে গিয়েছিলাম আমার এলাকার একটি সমস্যাসংক্রান্ত কাজ নিয়ে। কাজ শেষে কক্ষ থেকে বের হতেই বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের সবাই আমার ওপর হামলা করে। জামায়াত নেতারা আলোচনা করে মামলা দায়ের করেছেন।’  এ বিষয়ে চাটমোহর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জিয়ারুল হক সিন্টু বলেন, ‘মামলাটি ষড়যন্ত্রমূলক। ঘটনার সঙ্গে হাটবাজার ইজারা নেওয়া লোকজন জড়িত। বিএনপির কেউ জড়িত নন। বরং আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও হামলাকারীদের হাত থেকে ভুক্তভোগীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছি।’ - বিষয় : - বিএনপি

Source 2: Jugantor · 22/08/26open original ↗

সালথায় ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ

সালথায় ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৫ পিএম ছবি: সংগৃহীত ফরিদপুরের সালথায় ১০ থেকে ১২টি বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের জুগিকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সালথা উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রাজিব হোসেনের নেতৃত্বে মুরাটিয়া, সজনকান্দা ও জুগিকান্দা গ্রামের লোকজন ওই হামলায় অংশ নেন। এতে কয়েকটি বসতঘর ও একটি মুদি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। জুগিকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ধলেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ঘরের ভেতরে যা কিছু ছিল, সব ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। মেয়েকে খাটের নিচ থেকে টেনে বের করে আনা হয়েছে। স্বামী অনেক দিন ধরে গ্রামছাড়া। আমি একা থাকি। এখন রাতে থাকার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই। তিনি আরও বলেন, তাদের মুদি দোকান থেকেও টাকা-পয়সা ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগেও তাদের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল। তখন ভিডিও ধারণ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তার অভিযোগ। আরেক ভুক্তভোগী রওসান মাতুব্বরের স্ত্রী সখিনা বলেন, আগের একটি বিরোধের জেরে তার স্বামী বাড়িতে থাকেন না। জাহিদ নামে একজন তার স্বামীকে গালিগালাজ ও বাজারে গেলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিতেন। স্বামীকে মারধরের আশঙ্কায় তাকে বাড়ির বাইরে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। সখিনা বলেন, মুরাটিয়া, সজনকান্দা ও জুগিকান্দা গ্রামের লোকজন এসে বাড়িঘরে ভাঙচুর করেছে। আমার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। ঘরে ভাঙচুর করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রাজিব হোসেনের সঙ্গে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগের ইউনিয়ন সভাপতি হেমায়েত হোসেন, জাহিদ, রফিক ও ইবাদতসহ কয়েকজন জড়িত ছিলেন। ভুক্তভোগীদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, বশির মাতবরের দুটি, বাবলু মাতবরের একটি, আবুল খায়েরের একটি, ইদ্রিস মাতবরের একটি, মিজান মাতবরের একটি, আজিজুল মাতবরের একটি, রওসান মাতবরের একটি এবং তুরাপ মাতবরের একটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। এছাড়া মামুন মাতবরের একটি ঘর ও একটি খড়ের গাদা ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সালথা উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রাজিব হোসেন বলেন, জাহিদ নামের একজন লোক খেলা দেখতে যাওয়ার পথে রওসানের বাড়ির সামনে মারধরের শিকার হয়। খবর পেয়ে গ্রামের কিছু লোক এসে এই কাজ করেছে। ওই দলের নেতৃত্বে আমি থাকায় আমার নাম হয়েছে। কিন্তু আমি সরাসরি এ কাজের সঙ্গে জড়িত নই। এ ঘটনা নিয়ে সালথা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাবলুর রহমান বলেন, ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।