পুরোনো তালিকা ধরেই চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চলছে
Why this classification
A 16-year-old boy, Md. Hridoy, was stabbed to death on 29 September in Khulshi during a dispute between two youth gangs, and police arrested eight members of one gang. This is a single, concrete, recent killing, so it qualifies as violence; the article's general arrest tallies for the anti-gang drive were not counted as an incident.
Killed
1
Injured
0
Summary
চট্টগ্রামের খুলশীতে ২০২৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর দুটি কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধের জেরে মো. হৃদয় (১৬) নামের এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে সেভেন স্টার নামের একটি গ্যাংয়ের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Seven Star gang
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
পটিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, আটক ১
পটিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, আটক ১ ছবি : সংগৃহীত পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬ | ০১:৫৯ চট্টগ্রামের পটিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে পঙ্কজ শীল (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিলক শীল (৩৫) নামের আরও একজন। মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে উপজেলার জৌলুর দিঘীর পশ্চিম পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত পঙ্কজ শীল ওই এলাকার মিলন শীলের ছেলে। আহত তিলক শীল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা। স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে পঙ্কজ ও তিলক স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে জৌলুর দিঘীর পশ্চিম পাড় এলাকায় পৌঁছালে তারা তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখতে পান। তাদের মধ্যে একজন বোরকা পরিহিত ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে পঙ্কজ ও তিলক টর্চলাইটের আলো ফেললে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে পঙ্কজ ও তিলককে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তারা গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পঙ্কজ শীল মারা যান। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং তদন্ত শুরু করে। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। - বিষয় : - ছুরিকাঘাতে হত্যা - পটিয়া - চট্টগ্রাম
পুরোনো তালিকা ধরেই চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চলছে
চট্টগ্রামে পুরোনো ও থানাভিত্তিক তালিকা ধরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত জেলায় কিশোর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১ হাজার ৭০ জনকে আটক করা হয়েছে। নগরীতে নিয়মিত বড় ধরনের অভিযান না দেখা গেলেও কোনো অপরাধ ঘটলে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কিশোর অপরাধ দমনে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে পুলিশ। ২০২৪ সালে অভ্যুত্থানের আগ পর্যন্ত কিশোর অপরাধ দমনে গ্যাংগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাপক ধরপাকড় চালায় পুলিশ ও এসআরবি (তৎকালীন র্যাব)। সে সময় কিশোর অপরাধীদের নিয়ে আলোচনা হয়। দুই বছর পর চলতি বছর আবার কিশোর অপরাধ দমনে মাঠে নেমেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত আটক ১ হাজার ৭০ জনের মধ্যে ৯৭৭ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৯৩ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ বিচ্ছিন্নভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের আটক করেছে। সম্প্রতি খুলশী ও বাকলিয়া থানা পুলিশ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আটক করে।গত ২৯ সেপ্টেম্বর নগরের খুলশীতে দুটি কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধে মো. হৃদয় (১৬) নামের এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর খুলশী এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেভেন স্টার নামের একটি গ্যাংয়ের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হৃদয় হত্যায় তাঁদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি পুলিশের। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ার সৈয়দ শাহ রোড এলাকায় ‘মাদক ব্যবসার আধিপত্য’ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়।বাকলিয়া থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে চাঁদগাঁও থানা যুবদলের সংগঠক হিসেবে পরিচয় দেওয়া মোহাম্মদ মুরাদসহ অন্তত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মুরাদের বিরুদ্ধে এলাকায় একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী মঙ্গলবার দামপাড়ায় পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছেন। ২০১৮ সালে জামালখানে দুই গ্রুপের বিরোধে ছুরিকাঘাতে কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র আদনান ইসফার হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের তৎপরতা বাড়ে। পরের বছর প্রথমবারের মতো কিশোর গ্যাং ও তাদের গডফাদারদের তালিকা তৈরি করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ। ২০২৪ সালের মার্চে তালিকাটি হালনাগাদ করা হয়।চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, নগর পুলিশের ১৬টি থানায় অন্তত ২০০ কিশোর গ্যাং রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ জোনের অধীনে ১১৯টি গ্যাং এবং পশ্চিম ও বন্দর জোনে বাকি ৮১টি গ্যাং রয়েছে।উত্তর ও দক্ষিণ জোনের অধীনে আটটি থানার মধ্যে কোতোয়ালি, বাকলিয়া, খুলশী, বায়েজিদ, চান্দগাঁও, চকবাজার ও পাঁচলাইশ এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সংখ্যা বেশি বলে জানা গেছে। পুলিশ বর্তমানে পুরোনো তালিকা ও থানাভিত্তিক পাওয়া তালিকা ধরে অভিযান চালাচ্ছে। নতুন করে কোনো তালিকা তৈরি করা হয়নি।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকা অনেক পৃষ্ঠপোষক গা ঢাকা দেন। তাঁদের আশ্রয়ে থাকা কিশোর গ্যাংগুলোর নেতাদের অনেকেই এলাকায় থেকে গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করছেন। গ্যাংগুলোর নেতাদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক বদলেছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।আধিপত্য বিস্তার, শোডাউন, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, খুনোখুনি ও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে কথিত বড় ভাইয়েরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের ব্যবহার করছেন বলে পুলিশের তথ্য। চট্টগ্রাম নগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার মো. আমিনুর রশীদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিএমপির পুরোনো তালিকা হালনাগাদ করে এবং থানাভিত্তিক কিশোর গ্যাংয়ের তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের অনেক প্রশ্রয়দাতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মুখপাত্র মো. রাসেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা যাচ্ছে না। নতুন করে একটি তালিকা তৈরির কাজ করছে ডিএসবি (ডিস্ট্রিক্ট স্পেশাল ব্রাঞ্চ)। কিশোর অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পটিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে পংকজ শীল (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিলক শীল (৩৫) নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের চক্রশালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পংকজ শীল ওই এলাকার মিলন শীলের ছেলে। আহত তিলক শীলও একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বোরকা পরিহিত একজনসহ তিনজনকে রাস্তার পাশে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতে দেখা যায়। এ সময় পংকজ শীল ও তিলক শীল তাদের পরিচয় জানতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথিমধ্যে পংকজ শীল মারা যান। আহত তিলক শীলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা আবিদুল ইসলাম (৩৫) নামে একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলায় বলে জানা গেছে। কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পাভেল বিশ্বাস বলেন, রাতে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে একজন নিহত এবং অপরজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা জানান, হামলার পর তিনজনের মধ্যে দুজন পালিয়ে গেলেও বোরকা পরিহিত একজনকে আটক করা সম্ভব হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয়দের হাতে আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এনামুল হক নাবিদ/এসএমডব্লিউ
ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতা নিহত
ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতা নিহত Advertisement সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম ফাইল ছবি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতা নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৩ মে) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পিতার নাম নুর উল্লাহ (৬৫)। তিনি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে পরিবারসহ জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তার পিতা নুর উল্লাহকে ছুরিকাঘাত করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে সন্ধ্যার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এদিকে স্থানীয়রা ঘাতক ছেলে আবদুল্লাহকে আটক করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সোহেল রানা বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে ছেলের ছুরিকাঘাতে এক পিতার মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনা বিকালের হলেও তিনি সন্ধ্যায় চমেক হাসপাতালে মারা যান। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
