বড় ভাইয়ের পর মারা গেলেন ছোট ভাই মফিজুরও
Why this classification
This is a valid, recent violent incident: on the night of 28 February 2026 a physical clash between BNP and Jamaat supporters at Hasadah Bazar in Jibannagar, Chuadanga left several people injured. Two men from the Jamaat side, Hafizur Rahman and his brother Mafizur Rahman, later died, and the article reports the second death on 10 March 2026.
Killed
2
Injured
3
Summary
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসাদাহ বাজারে বিরোধ মীমাংসার বৈঠককে ঘিরে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান মারা যান। এর ১০ দিন পর তাঁর ছোট ভাই জামায়াত নেতা মফিজুর রহমান ১০ মার্চ (মঙ্গলবার) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ জীবননগরে আহত সেই জামায়াত নেতার মৃত্যু
বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ জীবননগরে আহত সেই জামায়াত নেতার মৃত্যু ছবি : সংগৃহীত জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬ | ০৫:০৭ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান (৪২) মারা গেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এর আগে ওই সংঘর্ষে মফিজুল ইসলামের বড় ভাই হাফিজুর রহমানও (৪৫) নিহত হন। মফিজুল রহমান ও হাফিজুর রহমান জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের সুটিয়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ মিয়ার ছেলে। স্থানীয়রা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হাসাদহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান দেশি অস্ত্র নিয়ে জামায়াত সমর্থকদের মারতে সুটিয়া যান। এ সময় জামায়াত কর্মীরা মেহেদীকে মারধর করে সুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে আটকে রেখে পুলিশে দেন। এর জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা জামায়াত কর্মী খায়রুল ইসলাম হাসাদহ বাজারে গেলে মেহেদী ও তার সহযোগীরা তাঁকে পিটিয়ে আহত করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। হামলায় জামায়াত নেতা মফিকুল, হাফিজুরসহ ছয়জন গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে যশোরে হাসপাতাল থেকে ঢাকা নেওয়ার পথে হাফিজুর মারা যান। তাঁর ছোট ভাই মফিজুর এতদিন ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। জীবননগর থানার ওসি জানান, হাফিজুর রহমান হত্যা মামলায় নিহতের ভাই আমির হোসেন ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এ মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। - বিষয় : - জামায়াত নেতা - মৃত্যু - বিএনপি
বড় ভাইয়ের পর মারা গেলেন ছোট ভাই মফিজুরও
জীবননগরে বিএনপি জামায়াত সংঘর্ষ বড় ভাইয়ের পর মারা গেলেন ছোট ভাই মফিজুরও Advertisement চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে বড় ভাই জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১০ দিন পর ছোট ভাই জামায়াত নেতা মফিজুর রহমানও মারা গেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। জীবননগর পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার বলেন, ঢাকার কাকরাইলের অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে মফিজুর মারা গেছেন। মফিজুর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের আবদুল ওয়াহেদের ছেলে এবং বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে মারা যাওয়া তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান ছিলেন জুয়েলারি ব্যবসায়ী এবং জামায়াত কর্মী। স্থানীয় সূত্র জানায়, জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের জামায়াত সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদী হাসানের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ মীমাংসার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসাদাহ বাজারে দুপক্ষের বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মফিজুর রহমান মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তার বড় ভাইয়ের হত্যা মামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
