প্রবাসীর সঙ্গে কলেজছাত্রীর ৮ বছরের প্রেম, অতঃপর...
Why this classification
This is a single, specific incident on 5 April 2026 in which the accused's sister, mother and father allegedly beat a college student and snatched her phone, which the police say has prima facie support. It is recent, physical, and located in Manikganj, Bangladesh, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় ৮ বছরের সম্পর্কের পর বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত এক কলেজছাত্রীকে ৫ এপ্রিল ২০২৬ সৌদি প্রবাসী দিপুর বাড়িতে তার বোন, মা ও বাবা মারধর করে এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ফোনে থাকা অন্তরঙ্গ ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হয়েছে; পুলিশ প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে এবং অভিযুক্ত দিপু ও তার বাবা পলাতক রয়েছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
80% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
প্রবাসীর সঙ্গে কলেজছাত্রীর ৮ বছরের প্রেম, অতঃপর...
প্রবাসীর সঙ্গে কলেজছাত্রীর ৮ বছরের প্রেম, অতঃপর... Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় এক কলেজছাত্রীকে (২০) বিয়ের আশ্বাসে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে সৌদি প্রবাসী এক যুবকের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে ৮ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও মামলা গ্রহণে গড়িমসি, বিচার-সালিশের নামে সময়ক্ষেপণ এবং অভিযুক্তদের ধরতে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত দিপু (২৫) উপজেলার মাগুরাইল গ্রামের শহর খলিফার ছেলে। তিনি সৌদি আরব প্রবাসী। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রাইভেট পড়ার সূত্রে কলেজছাত্রীর সঙ্গে দিপুর পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে নানা স্থানে নিয়ে ঘোরাফেরা এবং পরে কৌশলে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলে দিপু। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চলতি বছরের ২৭ মার্চ রাতে দিপু তার বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে আবারও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এরপর থেকেই দিপু তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। সর্বশেষ গত ৫ এপ্রিল বিয়ের দাবিতে দিপুর বাড়িতে গেলে উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় দিপুর বোন রুপা (৩৫), মা বেগম (৫০) ও বাবা শহর খলিফাসহ কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ফোনটিতে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ছিল, যা মুছে ফেলার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগী জানান, প্রায় ৮ বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের আশ্বাসে সে আমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছে। এখন আমাকে অস্বীকার করছে। আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে—আমি তার সঙ্গেই সংসার করতে চাই। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর মা স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসীকে নিয়ে দিপুর বাড়িতে গেলে উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে মীমাংসার বৈঠক বসে। তবে সেখানে বিয়ের পরিবর্তে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি, যা তারা প্রত্যাখ্যান করেন। পরে মেয়ের বিয়ে দেওয়া হবে এমন আশ্বাসে স্থানীয় কয়েকজন তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এদিকে ভুক্তভোগী ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করলে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় উভয়পক্ষকে নিয়ে ওসির কক্ষে বসে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ৭ দিনের সময় দেওয়া হয়। অভিযুক্ত দিপুর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। ভুক্তভোগী ও তার পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। এ ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নূরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামি গ্রেফতার অভিযান চলছে। অভিযুক্ত দিপু ও তার বাবা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
