যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীর মাথার চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ
Why this classification
ঘটনাটি যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন, চুল কাটা এবং সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা, যা ১৪ দিনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। তাই এটি সহিংসতার ঘটনা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
1
Summary
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী শিমু আক্তারকে নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৩ মে ও ২৯ মে স্বামী আপন মিয়া তাকে শারীরিক নির্যাতন ও সিগারেটের ছ্যাঁকা দেন এবং স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীর মাথার চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীর মাথার চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬ | ০৮:২২ | প্রিন্ট সংস্করণ মির্জাপুরে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বামী আপন মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিমু আক্তার। গতকাল বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক প্রদীপ চন্দ্র সরকার। শিমু আক্তার (১৯) মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের শাজাহান মিয়ার মেয়ে। তাঁর স্বামী আপন মিয়া একই উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে। আপন মিয়া কক্সবাজারের রামুতে সৈনিকপদে কর্মরত। জানা গেছে, দেড় বছর আগে আপন মিয়া ও শিমু আক্তারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের তিন মাস পর মোটরসাইকেল কেনার জন্য ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন আপন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল থাকায় যৌতুকের টাকা দিতে পারেনি শিমুর পরিবার। এ কারণে তাঁর ওপর শুরু হয় নির্যাতন। গত ২১ মে ঈদের ছুটিতে গোড়াইল গ্রামের বাড়িতে আসেন আপন মিয়া। এরপর ২৩ মে যৌতুকের টাকা না পেয়ে শিমুর মাথার চুল কেটে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ঈদের পরের দিন ২৯ মে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ধেরুয়া জলকুটির এলাকায় বেড়াতে যান। সেখানে শিমুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেন। এ সময় গৃহবধূর গলায় থাকা একটি স্বর্ণের হার ও কানের দুল নিয়ে যান স্বামী। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে সন্ধ্যার দিকে তাঁকে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় লতিফপুর এলাকার রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যান আপন। পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে শিমুকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা করান। এ সব ঘটনায় গত ২ জুন স্বামী আপন মিয়াসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শিমু আক্তার। শিমু আক্তার বলেন, বিয়ের আগে একটি মেয়ের সঙ্গে তাঁর স্বামীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই মেয়ে বিয়ের দাবিতে বাড়িতে উঠেছিল। যৌতুকের জন্য শারীরিকভাবে নির্যাতন করে তাঁকে (শিমু) অনেক মারধর করা হয়েছে, তবুও তাঁর সংসার করতে চেয়েছেন। কিন্তু এখন আর পারছেন না বলে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাঁর স্বামী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুষ্ঠু বিচার চান তিনি। ফোনে যোগাযোগ করলে আপন মিয়া বলেন, ‘দেওহাটা এলাকার সাগর নামে একটি ছেলের সঙ্গে প্রেমের সর্ম্পক ছিল শিমুর। আমি তাঁকে নির্যাতন করিনি। কিছুদিন আগে টাইফয়েড জ্বর হয়। ডাক্তারের পরামর্শে শিমুর মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।’ লতিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন রনি জানান, ওই গৃহবধূর পরিবার একাধিকবার তাঁর কাছে এসেছিল। তারা গ্রাম্য সালিশে বিচার না পেয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এই ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। - বিষয় : - নির্যাতন
শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা, গৃহবধূর মাথার চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ
শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা, গৃহবধূর মাথার চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ Advertisement মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিয়ের তিন মাস পর থেকেই যৌতুকের টাকা আর ফার্নিচারের জন্য স্বামী নির্যাতন চালায় শিমু আক্তার নামে এক গৃহবধূকে। সর্বশেষ গত শুক্রবার (২৯ মে) ওই গৃহবধূর মাথার চুল কেটে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্যাতিত ওই গৃহবধূ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ৩০ মে মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অমানবিক নির্যাতনের এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামে। জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে পারিবারিকভাবে মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের শাহজাহান মিয়ার মেয়ে শিমু আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের মধ্যপাড়ার ফজলু মিয়ার ছেলে আপন মিয়ার বিয়ে হয়। আপন মিয়া ২০২১ সালে সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে চাকরি নেন। তিনি কক্সবাজারের রামুতে কর্মরত আছেন। বর্তমানে রংপুরের সৈয়দপুরে ছয় মাসের ট্রেনিংয়ে আছেন বলে জানা গেছে। বিয়ের তিন মাস পর থেকেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ। স্বামী আপন মিয়া মোটরসাইকেল ক্রয়ের জন্য শিমুর পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছিলেন। তার চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় স্ত্রী শিমুর ওপর নানাভাবে নির্যাতন শুরু করেন আপন। ঈদের ছুটিতে ২১ মে আপন বাড়ি আসেন। গত শনিবার (২৩ মে) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শিমুকে শারীরিক নির্যাতন চালান এবং মাথার চুল কেটে দেন। গত শুক্রবার (২৯ মে) স্ত্রী শিমুকে নিয়ে ঘুরতে যান এবং উপজেলার ধেরুয়া চেকপোস্ট এলাকার একটি জলকুটির রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে স্ত্রী শিমুর হাতে ও আঙ্গুলে বোতল দিয়ে আঘাত করে আহত করে। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছ্যাঁকা দেন স্বামী। পরে সেখান থেকে আহত অবস্থায় লতিফপুর গ্রামে নিয়ে যান এবং রাস্তার দাঁড়িয়ে থাকা শ্বশুর-শাশুড়ির সামনে শিমুকে ফেলে রেখে আপন চলে আসেন। রাতে শিমুকে জামুর্কী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ৩০ মে শিমু আক্তার বাদী হয়ে স্বামী আপন, শ্বশুর ফজলু মিয়া ও শাশুড়ি আন্না বেগমকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। নির্যাতিত গৃহবধূ শিমু আক্তার বলেন, আমার স্বামীর অন্য একজনের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয় সম্পর্ক আছে। আমার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার আগে ওই মেয়ে আমার স্বামী আপনের বাড়িতে এসে উঠেছিলেন; যা আমরা বিয়ের পরে জানতে পারি। আপন ওই মেয়েকেও বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার আগের স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ায়; কিন্তু আপন ও তার পরিবার এ তথ্য গোপন করে তাকে বিয়ে না করে আপন আমাকে বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর থেকে আমাকে অনেক মারপিট করা হয়েছে। আমার দরিদ্র পিতামাতার কথা চিন্তা করে আমি তার সংসার করতে চেয়েছি; কিন্তু এখন আর পারছি না। আমি চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমার স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের সুষ্ঠু বিচার হোক; কিন্তু পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। লতিফপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মিজানুর রহমান বলেন, আপন তার স্ত্রী শিমুর মাথার চুল কেটে দিয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে। স্ত্রী অপরাধ করতে পারে, তাই বলে এমন অমানবিক নির্যাতন কাম্য নয়। আমরা এর সঠিক বিচার দাবি করছি। আপন মিয়া বলেন, স্ত্রী শিমুর সঙ্গে দেওহাটা এলাকার সাগর নামে এক ছেলের পরকীয়া সম্পর্ক আছে। ওই সম্পর্কের কারণে আমার চার মাসের সন্তান নষ্ট করেছে শিমু। এছাড়া ধেরুয়া এলাকার আনিশা রেস্টুরেন্টে দেওহাটা এলাকার ইমন, সাজ্জাদ ও স্বাধীনের সঙ্গে শিমুর হাতাহাতি হয় বলে শিমু তাকে জানিয়েছে। মাথার চুল কাটার বিষয়ে তিনি বলেন, শিমুর টাইফয়েড জ্বর হয়েছিল। ডাক্তারের পরামর্শে চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। সুস্থ অবস্থায় তার বাবা-মায়ের কাছে শিমুকে দিয়ে আসেন বলে জানান। মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাদীকে ডাকা হয়েছে। বাদী এলেই মামলা রেকর্ড করা হবে বলে তিনি জানান।
