ফতুল্লায় ৭৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, পোশাক কারখানা বন্ধের অভিযোগ
Why this classification
Article describes a physical attack on a garment factory’s entrance by a landowner demanding 7.5 million taka, resulting in road blockage and forced removal of workers. This meets the definition of violence and occurred on 14 Oct 2026 in Fatulla, Narayanganj, so it is classified as a violent incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির প্রবেশপথে জমি মালিক এইচ এ এম মাহমুদুর রহমান ৭.৫ মিলিয়ন টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রাস্তা বন্ধ করে হামলা চালিয়ে শ্রমিক ও কর্মচারীদের বের করে দেন। ফলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে শতাধিক কর্মীর কর্মসংস্থান ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ফতুল্লায় ৭৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, পোশাক কারখানা বন্ধের অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৭৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় পোশাক কারখানার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া, হামলা, মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। পি.আই. ওশান টেক্সের মালিক মো. তৈয়ব মিয়ার দাবি, কারখানায় যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে শতাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে ও আর্থিকভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন মো. তৈয়ব মিয়া। সংবাদ সম্মেলনে তৈয়ব মিয়া জানান, ফতুল্লার ধাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় অবস্থিত শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানাটি প্রায় চার বছর ধরে ১০ ফুট প্রশস্ত একটি এজমালি রাস্তা ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের মার্চে এইচ এ এম মাহমুদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি জমির মালিকানা দাবি করে তার কাছে ৭৫ লাখ টাকা চাঁদা চান। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কারখানার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে কারখানায় হামলা চালিয়ে শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বের করে দেওয়া হয়। রাস্তার ওপর ৮ থেকে ১০ ফুট উঁচু দেয়াল নির্মাণের পাশাপাশি ময়লা-আবর্জনা ও বয়লারের বর্জ্য ফেলে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ ছাড়াও মাহমুদুর রহমান তার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার ও রপ্তানি চুক্তি বাতিল হয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধেও জটিলতা তৈরি হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন এবং রাস্তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় আদালতে মামলা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে জমির দলিল ও রেকর্ড যাচাই করে রাস্তা সচল করা, চাঁদা দাবির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত, কারখানা ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি। জেইউ/আরএফ
