বুড়িচংয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মাহিকে পুড়িয়ে হত্যা
Why this classification
১৩ মে বুড়িচংয়ে মাদক কারবারের দ্বন্দ্বের জেরে এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং চার দিন পর তার মৃত্যু হয়। এটি একটি হত্যাকাণ্ড, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
Killed
1
Injured
0
Summary
১৩ মে বুড়িচংয়ে মাদক কারবারের দ্বন্দ্বে তৃতীয় লিঙ্গের এনামুল হক শিশির ওরফে মাহিকে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় জহিরুল ইসলাম আপন ওরফে জহির। চার দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহির মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বুড়িচংয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মাহিকে পুড়িয়ে হত্যা
মাদক কারবারের দ্বন্দ্ব বুড়িচংয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মাহিকে পুড়িয়ে হত্যা Advertisement ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বুড়িচং উপজেলায় মাদক কারবারের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত এনামুল হক শিশির ওরফে মাহি বুড়িচং পৌরসভার পূর্ণমতি গ্রামের কামরুল হক ফরহাদের সন্তান। জানা যায়, গত ১৩ মে সকাল ৯টায় বুড়িচং পৌরসভার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় মাহির শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় একই সম্প্রদায়ের জহিরুল ইসলাম আপন ওরফে জহির। আগুনে দগ্ধ হয়ে মাহি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, মাহির শ্বাসনালিসহ শরীরের প্রায় ৪৪ শতাংশ পুড়ে যায়। আইসিইউতে টানা চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার বিকাল ৫টার তিনি মারা যান। স্থানীয়দের ভাষ্য, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এলাকার সরকারি জায়গায় কয়েকজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি ঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন। সম্প্রতি মাদকের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সেই বিরোধের জের ধরেই এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় নিহতের বাবা কামরুল হক ফরহাদ বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার পর পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেফতার করলেও প্রধান অভিযুক্ত জহির এখনো পলাতক রয়েছে।
