কৌতূহলী চিন্তা অবিশ্বাস্য খুন
Why this classification
This article describes a specific murder: six teenagers stabbed 11-year-old Hosain in Fatullah, Narayanganj, out of curiosity about prison life, and his body was found in an abandoned house on Friday. The attack was recent and involved a knife, so it is a valid violence incident.
Killed
1
Injured
0
Summary
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় কারাজীবনের অভিজ্ঞতা নেওয়ার কৌতূহলে ছয় কিশোর ১১ বছর বয়সী হোসাইনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে, যিনি ১৮ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয় এবং পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কৌতূহলী চিন্তা অবিশ্বাস্য খুন
কৌতূহলী চিন্তা অবিশ্বাস্য খুন নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:৫৪ | আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ অপরাধ করলে কারাগারে যেতে হয়! কারাগারের চেহারা কেমন? সেখানে কী খাওয়ায়, কীভাবে ঘুমাতে হয়? এমন একগাদা প্রশ্নের উত্তর মেলাতেই ছয় কিশোরের অদ্ভুত সিদ্ধান্ত। হন্তারক হবে তারা! এজন্য তারা বেছে নেয় ১১ বছরের হোসাইনকে। নিভিয়ে দেওয়া হয় একটি শিশুপ্রাণ। হোসাইনের সঙ্গে তাদের চেনাজানা নেই, ছিল না কোনো বিরোধ। শুধু কারা-জীবনের অভিজ্ঞতা নেওয়ার কৌতূহল মেটাতেই এমন নৃশংস অপরাধের পথে হাঁটে তারা। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ, তদন্ত এবং এক অপরাধীর আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে উঠে এসেছে এমন অবিশ্বাস্য খুনের আদ্যোপান্ত। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, গত শুক্রবার ফতুল্লার রেলস্টেশনসংলগ্ন পরিত্যক্ত বাড়িতে মেলে অচেনা এক শিশুর লাশ। পরে ওই শিশুর স্বজনরা জানায়, তার নাম হোসাইন। সে তার বাবা সুমনের সঙ্গে শহরে ফুল বিক্রি করত। নিখোঁজ ছিল গত ১৮ এপ্রিল সকাল থেকে। মাদকাসক্ত ছয় কিশোর তাকে হত্যা করে। এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয় অপরাধীকে। পুলিশ সুপারের ভাষ্য, ঘটনার দিন সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস কারা-জীবন নিয়ে আলোচনা করছিল। সেখানে কী হয়, কীভাবে ঘুমায়, কী খাওয়ায়– এ নিয়ে তাদের মধ্যে নানা গল্প। আড্ডায় একজনের মাথায় আসে– ‘খুন করলেই কারাগারে!’ তাতে কারা-জীবনের অভিজ্ঞতা নেওয়া সহজ হবে। এ কৌতূহল থেকেই তারা হত্যার পরিকল্পনা করে। এ সময় ফতুল্লার রেলস্টেশনসংলগ্ন মাদক আড্ডার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া হোসাইনকে ডেকে নেয় তারা। সেখানে আরও উপস্থিত ছিল তাদের তিন বন্ধু রাহাত, হোসাইন ও ওমর। পরে সবাই মিলে হোসাইনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। এক পর্যায়ে পরিত্যক্ত ওই বাড়িতে লাশ ফেলে পালায় তারা। তবে তারা লাশের বিষয়ে খেয়াল রাখতে একজনকে দায়িত্ব দেয়। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এই কিশোরকে এখনও ধরা যায়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, গ্রেপ্তার সবার বয়স ১৩ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। তাই তাদের বিরুদ্ধে শিশু ও নারী নির্যাতন আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে হোসাইনের লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে ১৭ বছর বয়সী ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একে একে আটক করা হয় বাকি পাঁচ কিশোরকে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে চারজন এজাহারভুক্ত আসামি। তদন্তের পর আরও দুজনকে শনাক্ত করা হয়। পরে মামলার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি ইয়াসিন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। - বিষয় : - খুন - হত্যা - নারায়ণগঞ্জ
