চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতার দোকান নির্মাণ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ
Why this classification
This is a specific incident on Wednesday 15 April 2026 in which accused local youths allegedly threw bricks at a construction site, beat workers, and forced work to stop after a shop owner refused to pay extortion money. The accused dispute the account and call it a family dispute, and no injury counts are reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
ফেনীর ফুলগাজীতে বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) সকালে চাঁদা না দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা শাহীনের নির্মাণাধীন দোকানঘরে ইট ছোড়া ও শ্রমিকদের মারধর করে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা বিষয়টিকে পারিবারিক বিরোধ বলে দাবি করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
বৃদ্ধকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সাবেক যুবদল নেতার নির্যাতন
বৃদ্ধকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সাবেক যুবদল নেতার নির্যাতন সোনাগাজী (ফেনী) সংবাদদাতা প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ | ০৯:০৭ | প্রিন্ট সংস্করণ সোনাগাজীতে জয়নাল আবেদীন নামে এক বৃদ্ধ গাড়িচালককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, বুধবার দুপুরে কথিত চুরির অভিযোগে আহম্মদপুর এলাকার বাড়ি থেকে পিকআপচালক জয়নাল আবেদীনকে (৬০) জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মহিউদ্দিন মহিন ও সোনাগাজী কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজ উদ্দিনসহ তাদের সহযোগীরা। পরে এলাকার একটি নির্জন স্থানে জয়নালকে গাছের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বেঁধে রেখে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে নির্যাতন ও মারধর করা হয়। পরে তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জয়নালকে ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীন বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে একটি বাছুর চুরি হয়। সে চুরির মিথ্যা অভিযোগ তুলে যুবদল নেতা মহিন তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে দুই ঘণ্টা মারধর করেছে। এ সময় তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করার চেষ্টা করা হয়। স্বীকারোক্তি না পেয়ে মহিন একটি সাদা স্ট্যাম্পে জোর করে তাঁর স্বাক্ষর নেয়। তাঁকে দ্রুত এক লাখ টাকা দিতে বলেছে হামলাকারীরা। অন্যথায় চুরির মামলায় ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, জয়নালের দুই হাঁটুতে কেটে গেছে। এ ছাড়া শরীরের অন্তত বিশটি স্থানে জখম রয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় বৈদ্যুতিক শকের চিহ্নও রয়েছে। নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা মহিউদ্দিন বলেন, তিনি চুরির ঘটনার বিচার করেছেন। এখানে দোষের কী আছে? তাঁর বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নঈম উল্যাহ চৌধুরী বলেন, মহিউদ্দিন মহিন বর্তমানে যুবদলের কোনো পদে নেই। - বিষয় : - নির্যাতন
চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতার দোকান নির্মাণ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ
চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতার দোকান নির্মাণ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ Advertisement ফেনী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম ফেনীর ফুলগাজীতে চাঁদা না দেওয়ায় উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিবের দোকানঘর নির্মাণকাজ বন্ধের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ফুলগাজীর কিছমত ঘনিয়ামোড়া গ্রামে সংবাদ সম্মেলনে করে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা শাহীন। এর আগে তিনি জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযুক্তরা বলছেন, এটা পারিবারিক বিরোধ। মীমাংসা করতে যাওয়ায় তাদের চাঁদাবাজ বানানো হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা অভিযোগ করেন, ফুলগাজী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কিছমত ঘনিয়ামোড়া গ্রামের ফেনী-বিলোনীয়া মহাসড়কে পাশে তার কেনা জায়গায় কয়েকটি দোকানঘর নির্মাণ করছিলেন। কাজের শুরুতেও তিনি একবার বাধাগ্রস্ত হন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত নাম্বার থেকে দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের বেলাল হোসেন ও আবদুল হালিম ফোন করে তাকে দেখা করতে বলেন। দেখা না করায় তারা ক্ষুব্ধ হন। তিনি বলেন, বুধবার বেলা ১১টার দিকে বেলাল ও হালিমের নেতৃত্বে কয়েক যুবক নির্মাণাধীন ভবনের সামনে এসে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করে ইট ছুড়ে মারে। এ সময় নির্মাণ শ্রমিকদের মারধর করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। শাহীন বলেন, বেলাল ও হালিম চাঁদাবাজ। ৫ আগস্টের পর থেকে তারা এলাকায় এসব করে বেড়াচ্ছে। তারা আমার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। মূলত চাঁদা না দেওয়ায় আমি ও আমার পরিবারের ওপর হামলা চালায় তারা। তিনি আরও বলেন, তারা যেভাবে আমার ওপর ইট ছুড়েছিল, এখানে আজ আমার কবর রচনা হতো। আমি আমার নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার চাই। ফুলগাজী থানার ডিউটি অফিসার জানান, এ বিষয়ে একটা অভিযোগ জমা পড়েছে। এসআই আমির হোসেনকে তদন্তের জন্য দেওয়া হয়েছে। এসআই আমির হোসেন জানান, তিনি থানার বাইরে আছেন। এখনো অভিযোগ হাতে পাননি। পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তবে অভিযুক্ত আবদুল হালিম বলেন, শাহীনের সঙ্গে তার ভাই নুরুজ্জামানের দোকান ঘর নিয়ে বিরোধ চলছিল। নুরুজ্জামান আমার বন্ধু। আমি তার সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে শুধু শাহীন ভাইকে অনুরোধ করেছি ভাই-ভাইয়ের বিরোধ মীমাংসা করার জন্য। এতেই শাহীন ভাই আমাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। আমি ফুলগাজী বাজারের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। অথচ আমাকে বানানো হয়েছে আমি নাকি চাঁদাবাজ। নুরুল হুদা শাহীনের ভাই নুরুজ্জামান বলেন, আমার বন্ধুদের বলেছিলাম বিরোধ মীমাংসা করার জন্য। তাতেই আমার ভাই যা শুরু করল।
