২০০ টাকার জন্য অক্সিজেন খুলে নিলেন কর্মচারী, রোগীর মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A hospital employee allegedly disconnected a dying patient's oxygen line after taking 200 taka from another patient's relative, and the patient died minutes later. The incident also involved a physical fight in which relatives beat the employee and clashed with hospital staff, so it is a concrete, recent violent incident.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
13/05/26•শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগ

Killed

1

Injured

0

Summary

বুধবার (১৩ মে ২০২৬) বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারী সোহেলের বিরুদ্ধে ২০০ টাকার বিনিময়ে মুমূর্ষু রোগী দিপালী সিকদারের অক্সিজেন লাইন খুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, এর কিছু মিনিট পর রোগীর মৃত্যু হয়। রোগীর স্বজনদের মারধর ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়, অভিযুক্তকে সাময়িক বরখাস্ত করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সোহেল (মেডিসিন ইউনিট-১ এর কর্মচারী, অভিযুক্ত)দিপালী সিকদার (৪০, নিহত রোগী)মিলন হাওলাদার (নিহতের ভাই)ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর (হাসপাতাল পরিচালক)নিঠুর রঞ্জন (দায়িত্বরত আনসার সদস্য)আল মামুন উল ইসলাম (কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি)

Affected infrastructure

অক্সিজেন লাইনহাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসাসেবা

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 14/05/26open original ↗

২০০ টাকার জন্য অক্সিজেন খুলে নিলেন কর্মচারী, রোগীর মৃত্যু

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগীর অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রোগীর মৃত্যুর পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। বুধবার (১৩ মে) বিকেলে হাসপাতালের ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। মৃত দিপালী সিকদার (৪০) মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি গ্রামের বাসিন্দা এবং শংকর সিকদারের স্ত্রী। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত সোহেল নামের একজন কর্মচারীকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আজ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে দিপালীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত মেডিসিন বিভাগে স্থানান্তর এবং টানা অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে শয্যা সংকট ও অক্সিজেন পয়েন্টের সমস্যার কারণে তাকে ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। দিপালীর ভাই মিলন হাওলাদার বলেন, মেডিসিন ইউনিট-১ এর কর্মচারী সোহেল পাশের আরেক রোগীর স্বজনের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে ট্রলি সরিয়ে নিতে চান। এ সময় তিনি দিপালীর অক্সিজেন লাইন খুলে দেন। পরিবারের সদস্যরা অনুরোধ করলেও তিনি তা শোনেননি। অক্সিজেন বিচ্ছিন্ন করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই দিপালীর মৃত্যু হয় বলে দাবি করেন তিনি। রোগীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত কর্মচারীকে আটক করে মারধর করেন। পরে হাসপাতালের অন্যান্য স্টাফ ঘটনাস্থলে এলে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয় এবং রোগী-স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে জানাগেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসপাতালের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা হস্তক্ষেপ করেন। দায়িত্বরত আনসার সদস্য নিঠুর রঞ্জন জানান, উত্তেজিত স্বজনরা সোহেলকে মারধর করছিলেন। পরে আনসার সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত কর্মচারী হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় দিপালীর পরিবার হাসপাতাল পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মৃতের স্বজনদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরকে

Source 2: Jugantor · 14/05/26open original ↗

বকশিশের টাকা না পেয়ে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নিলেন কর্মচারী, ২ মিনিটে রোগীর মৃত্যু

বকশিশের টাকা না পেয়ে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নিলেন কর্মচারী, ২ মিনিটে রোগীর মৃত্যু Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ১০:৫৪ এএম ফাইল ছবি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে বকশিশের টাকাকে কেন্দ্র করে এক মুমূর্ষু রোগীর অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে। মাস্ক খুলে নেওয়ার মাত্র দুই মিনিটের মাথায় দিপালী সিকদার (৪০) নামের ওই রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (১৩ মে) বিকালে হাসপাতাল চত্বরে মৃত রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল স্টাফদের মধ্যে হাতাহাতি সংঘর্ষ হয়। পরে আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দিপালী সিকদার বরিশাল মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি গ্রামের শংকর শিকদারের স্ত্রী। স্বজনরা জানান, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে দুপুর পৌনে ৩টার দিকে তাকে শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয় দিপালীকে। রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় চিকিৎসক তাকে দ্রুত করোনা বিল্ডিংয়ের মেডিসিন ইউনিটে স্থানান্তর করেন এবং জরুরি ভিত্তিতে টানা দুই ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু শয্যা সংকট ও অক্সিজেন পয়েন্টের অব্যবস্থাপনার কারণে তাকে একটি ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। নিহতের ভাই মিলন হাওলাদারের অভিযোগ, দিপালী যখন অক্সিজেনের সহায়তায় বাঁচার লড়াই করছিলেন, ঠিক তখনই মেডিসিন ইউনিট-১ এর কর্মচারী সোহেল সেখানে উপস্থিত হন। মিলন জানান, পার্শ্ববর্তী অন্য এক রোগীর স্বজনরা ট্রলিটি নেওয়ার জন্য সোহেলকে ২০০ টাকা দেয়। টাকার লোভে অন্ধ হয়ে সোহেল আমার বোনের ছটফটানি উপেক্ষা করেই অক্সিজেনের লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমরা হাত-পা ধরলেও তিনি শোনেনি। অক্সিজেন খোলার ঠিক দুই মিনিটের মাথায় আমার বোনের মৃত্যু হয়। এটা মৃত্যু নয়, এটা খুন। দিপালীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেলকে কলার চেপে ধরেন এবং টেনে-হিঁচড়ে বিচারের দাবি জানান। একপর্যায়ে সোহেলকে গণধোলাই দেওয়া শুরু হলে হাসপাতালের অন্যান্য স্টাফরা কর্মচারীর পক্ষ নিয়ে স্বজনদের ওপর চড়াও হয়। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান হাসপাতালের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা। আনসার সদস্য নিঠুর রঞ্জন জানান, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত স্বজনরা সোহেল নামের ওই কর্মচারীকে মারধর করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় আমরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করি এবং তাকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি শান্ত করি। তবে ওই রোগী আগে থেকেই গুরুতর শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। সংঘর্ষের পর পরই অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেল হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেছেন। হাসপাতাল প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করলেও অভিযুক্তের বিষয়ে এখনো কোনো দাপ্তরিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নিহত দিপালীর পরিবার এই ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের দাবি, সোহেলকে অবিলম্বে স্থায়ী বরখাস্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।