বাড়ি ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ কিশোরীকে

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

এটি একটি সাম্প্রতিক সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা; নির্দিষ্ট স্থান, সময়, অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগীর বিবরণ থাকায় এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
03/06/26•পৌলানপুর, মাধবদী

Killed

0

Injured

0

Summary

বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টায় নরসিংদীর মাধবদী পৌলানপুর এলাকায় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক কিশোরী টেক্সটাইল শ্রমিককে মোশাররফ ও মাহাবুব পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পুলিশ মাহাবুবকে গ্রেফতার করেছে; মোশাররফ পলাতক।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Civilian

Other actors

মাহাবুবমোশাররফ মিয়াভুক্তভোগীর পিতা

Tags

RapeSexual HarassmentExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Civilian

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 05/06/26open original ↗

কারখানা থেকে ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার তরুণী

কারখানা থেকে ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার তরুণী সমকাল ডেস্ক প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬ | ০৮:২১ | প্রিন্ট সংস্করণ নরসিংদীর মাধবদীতে একটি টেক্সটাইল মিলের নারী শ্রমিককে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাতে পৌলানপুর এলাকায় একটি বাড়িতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, গত বুধবার রাতে মেহেরপাড়া ইউনিয়নের চৈতাব এলাকার একটি টেক্সটাইল মিলে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন এক তরুণী (১৬)। পথে মোশাররফ মিয়া নামে এক যুবক তাঁর সঙ্গে কথা আছে বলে ফুসলিয়ে পৌলানপুর এলাকায় মাহাবুব নামে একজনের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে মোশাররফ ও মাহবুব। এ সময় তাঁর ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে আসতে থাকলে সুযোগ বুঝে মোশাররফ পালিয়ে যায়। এ সময় মাহাবুবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা। এই ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার মাধবদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার তরুণীর বাবা। মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি মাহাবুবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামি মোশাররফ মিয়াকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছেন অভিযুক্ত যুবক আল আমিন। তার বাড়ি গোপালনগর গ্রামে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে রফাদফার চেষ্টা করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনায় শিশুর মা থানায় মামলা করেছেন। জানা গেছে, ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত বুধবার সকালে বিদ্যালয়-সংলগ্ন একটি দোকানে যায় সে। তখন দোকানটি বন্ধ থাকায় আল আমিন শিশুটিকে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে দোকানের পশ্চিম পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিলে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত আল আমিন। বিষয়টি জানাজানির পর স্থানীয় প্রভাশালী চক্র ধামাচাপা দিতে পাঁচ লাখ টাকায় আপস করার চেষ্টা করে। পুলিশ জানার পর পিছু হটেন সালিশকারীরা। শিশুর মা সাংবাদিকদের জানান, তাঁর মেয়েটা এখন জীবিত থেকেও মৃত, এলাকার শত শত লোক এ ঘটনা জেনে গেছে। ধর্ষণ করতে না পেরে গলা চেপে হত্যার চেষ্টা করেছিল আল আমিন। গ্রামের কিছু লোক সালিশ করে জরিমানা আদায় করে দিতে চেয়েছিল। তবে মামলা করেছেন তিনি। এখন আল আমিনের বিচার চান। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন। আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। প্রতিবন্ধী কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে অচেতন করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুরঞ্জন দাসকে নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলার দিঘীর পাড় গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে আসামিকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা।  জানা গেছে, আন্দিউড়া ইউনিয়নে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। ২ জুন রাতে আব্দুর রহিম নামে এক কবিরাজ ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়িতে ঢোকে। পরে তারা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে।  সকালে প্রতিবেশীরা ঘরের ভেতর পরিবারের সবাইকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা সবাইকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। [প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন নরসিংদী, কুমিল্লা ও মাধবপুর প্রতিনিধি] - বিষয় : - ধর্ষণ

Source 2: Jugantor · 06/06/26open original ↗

বাড়ি ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ কিশোরীকে

বাড়ি ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ কিশোরীকে মাধবদীতে আটক ১ Advertisement মাধবদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মাধবদীতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক টেক্সটাইল মিলের কিশোর বয়সী নারী শ্রমিক পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় মাধবদীর পৌলানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মাহাবুব নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার মাধবদী থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার মাহাবুব পৌলানপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে। অপর অভিযুক্ত মোশাররফ মিয়া একই গ্রামের মোতালিব মেম্বারের ছেলে। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মোশাররফ তাকে ‘কথা আছে’ বলে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে মোশাররফ ও মাহাবুব মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে মোশাররফ পালিয়ে যায়। তবে মাহাবুবকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ধর্ষণের পর তার মোবাইল ফোন রেখে দিয়ে টাকা দাবি করা হয়। পরে তিনি বাড়ি থেকে দুই হাজার টাকা এনে দিলে মোবাইল ফেরত দেওয়া হয়। এ সময় অভিযুক্তরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে দাবি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয় বলে তিনি জানান।