বিদ্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, আতঙ্ক
Why this classification
This is a single, recent incident in which the student's father, brother and cousin, armed with local weapons, attacked a school office, beat an office assistant, damaged equipment and looted cash and goods. It is reported as happening on 7 May 2026 in Kalai, Joypurhat, so it qualifies as a violent attack.
Killed
0
Injured
1
Summary
জয়পুরহাটের কালাই পৌরশহরের আঁওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নিয়ে বিরোধের জেরে তার বাবা, ভাই ও চাচাতো ভাইসহ ছয়-সাতজন দেশি অস্ত্র নিয়ে অফিস কক্ষে হামলা চালান। তাঁরা অফিস সহকারীকে মারধর করেন, কম্পিউটার, প্রিন্টার ও আলমারি ভাঙচুর করেন এবং সততা স্টোরের মালপত্র, নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুট করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিদ্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, আতঙ্ক
বিদ্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, আতঙ্ক কালাই উপজেলার আঁওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি কক্ষ সমকাল জয়পুরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬ | ০৭:৪৫ | প্রিন্ট সংস্করণ জয়পুরহাটের কালাইয়ে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশনকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কালাই পৌরশহরের আঁওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ, শিক্ষক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে হুমায়রা নামে এক শিক্ষার্থী নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়। বিদ্যালয়ের রেকর্ড অনুযায়ী তার রেজিস্ট্রেশনও বিজ্ঞান বিভাগে সম্পন্ন করা হয়। এমনকি সে বিজ্ঞান বিভাগের বই গ্রহণ করে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায়ও অংশ নেয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সকালে ওই শিক্ষার্থীর বড় ভাই জাহিদ বিদ্যালয়ে এসে রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে জানতে চান। অফিস সহকারী মামুনুর রশিদ তাঁকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখালে তিনি দাবি করেন, তাঁর বোনের রেজিস্ট্রেশন মানবিক বিভাগে হওয়া উচিত ছিল। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার এক পর্যায়ে তিনি শিক্ষকদের হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে দুপুরে শিক্ষার্থীর বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন, ভাই জাহিদ, চাচাতো ভাই মোর্শেদুলসহ ছয়-সাতজন দেশি অস্ত্র নিয়ে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ঢুকে হামলা চালান। তারা অফিস সহকারীকে মারধর করেন এবং কম্পিউটার, প্রিন্টার, আলমারি ভাঙচুর করেন। সততা স্টোরের মালপত্র, নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুট করে নিয়ে যান। পরে ঘরে তালা লাগিয়ে সবাইকে হুমকি দিয়ে চলে যান তারা। অফিস সহকারী মামুনুর রশিদ বলেন, ‘রেজিস্ট্রেশন সংশোধনের সুযোগ থাকার কথা জানানো হয়েছিল। তার পরও তারা এসে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।’ বিদ্যালয়ের আয়া মাহবুবা খাতুন বলেন, ‘হঠাৎ করেই তারা কোদাল ও লাঠি নিয়ে অফিসে ঢুকে পড়ে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে।’ সহকারী শিক্ষক দুলাল চন্দ্র বসাক বলেন, ‘হুমায়রা বিজ্ঞান বিভাগেই পড়ত। সংশোধনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা হামলার পথ বেছে নিয়েছে।’ তবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বড় ভাই জাহিদ দাবি করেন, ‘আমরা সেখানে গিয়েছিলাম, কিন্তু কাউকে মারধর বা ভাঙচুর করিনি।’ প্রধান শিক্ষক গোলাম মস্তফা খান জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। - বিষয় : - হামলা
