কয়রায় ঘুস না দেওয়ায় ঘর ভেঙে দিলেন ইউএনও

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

ঘটনাটি সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ এতে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে একটি অস্থায়ী ঘর ভেঙে দেওয়ার মতো ধ্বংসাত্মক কাজ হয়েছে। অভিযোগে ঘুস দাবি ও প্রতিহিংসার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও মূল ঘটনা হলো ঘর ভাঙচুর, যা একটি ভandalism বা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড।

Reported by:JugantorSingle source
11/06/26•আমাদী হাট, কয়রা

Killed

0

Injured

0

Summary

খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী হাটের ইজারাদার মিজানুর রহমানের নির্মিত অস্থায়ী ঘরটি উপজেলা প্রশাসন ভেঙে দিয়েছে। ইজারাদারের অভিযোগ, ইউএনওর কাছে ঘুসের টাকা না দেওয়ায় প্রতিহিংসাবশত এই উচ্ছেদ করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Locals

Other actors

ইউএনও আব্দুল্লাহ আল বাকীরইউএনওর সহকারী তাপসনায়েব সিরাজুল ইসলামমিজানুর রহমান

Affected infrastructure

অস্থায়ী ঘর

Tags

ExtortionVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 11/06/26open original ↗

কয়রায় ঘুস না দেওয়ায় ঘর ভেঙে দিলেন ইউএনও

কয়রায় ঘুস না দেওয়ায় ঘর ভেঙে দিলেন ইউএনও ডিসির কাছে প্রতিকার দাবি Advertisement খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ খুলনার কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকীর বিরুদ্ধে ঘুস দাবি, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতিহিংসামূলক আচরণ করার অভিযোগ তুলেছেন আমাদী হাটের ইজারাদার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তার দাবি, ‘ঈদ বকশিশের’ টাকা দিতে না পারায় প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে তার অস্থায়ী ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে কমিশন গ্রহণ, হাট-বাজার ও খাল ইজারায় অনিয়ম এবং এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়নকাজে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারী মিজানুর রহমান বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসহ খুলনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে মিজানুর উল্লেখ করেন, আমাদী হাটের ইজারা নিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে সরকারি কোষাগারে নির্ধারিত অর্থ জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে হাট পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, হাট পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মচারীদের বসার জন্য বাজার এলাকায় একটি অস্থায়ী ঘর নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দেয়। বিষয়টি তিনি ইউএনওকে অবহিত করলে তিনি মৌখিকভাবে সম্মতি দেন। সেই অনুযায়ী বাঁশের বেড়া ও টিনের ছাউনি দিয়ে একটি অস্থায়ী ঘর নির্মাণ করা হয়। ঈদুল আজহার আগে ইউএনওর কার্যালয়ে দেখা করতে গেলে তার এক সহকারী ইউএনওর জন্য ৩০ হাজার টাকা ‘ঈদ খরচ’ দাবি করেন। মিজানুর রহমানের দাবি, তখন তিনি আর্থিক সংকটের কথা জানিয়ে ১০ হাজার টাকা দিতে রাজি হন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় ইউএনও ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। অভিযোগে বলা হয়, পরে ইউএনওর সহকারী তাপসের মাধ্যমে তিনি ১০ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু এরপরও চাপ অব্যাহত থাকে। ঈদের পর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সিরাজুল ইসলাম তাকে ডেকে নিয়ে আরও ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই টাকা দিলে ঘর নিয়ে আর কোনো সমস্যা হবে না বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে তার দাবি।মিজানুর জানান, পরবর্তীতে তিনি নায়েবকে পাঁচ হাজার টাকা দেন। কিন্তু সোমবার উপজেলা প্রশাসনের লোকজন কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তার নির্মিত ঘরটি ভেঙে দেয়। তিনি বলেন, অন্তত নোটিশ দেওয়া হলে তিনি ঘরের মালামাল সরিয়ে নিতে পারতেন। তার অভিযোগ, বাজারের সরকারি জায়গায় আরও অন্তত ১১টি পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা থাকলেও সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র তার ঘরটিই উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, একজন মানুষ অভিযোগ দিলেই সেটি সত্য হয়ে যায় না। তাকে ঘর সরিয়ে নেওয়ার জন্য একাধিকবার বলা হলেও সে তা করেনি। এজন্য সেটি উচ্ছেদ করা হয়েছে।