প্রেমিকাকে বিয়ে করে বাড়ি নেওয়ায় প্রথম স্ত্রীর পিটুনি

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

ঘটনাটি একটি নির্দিষ্ট শারীরিক হামলা: সফিক সিকদারকে তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা পিটিয়ে আহত করে এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক এবং বাংলাদেশে সংঘটিত, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে শ্রেণিকৃত।

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
08/06/26•সোনালিয়া গ্রাম, বাঁশতৈল ইউনিয়ন, মির্জাপুর

Killed

0

Injured

1

Summary

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরকীয়া প্রেমের জেরে স্থানীয়দের চাপে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা সফিক সিকদারকে পিটিয়ে আহত করে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে এবং মঙ্গলবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Family members

Victim side

Sofik Sikder

Other actors

Maleka Begum (first wife)Al Amin (son)Ima Akter (daughter)Sofik Sikder (victim)Harun Or Rashid (BNP office secretary)

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Family members

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Sofik Sikder

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 09/06/26open original ↗

রাতে পরকীয়া প্রেমিকার বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় বিএনপি নেতা আটক

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক পরকীয়া প্রেমিকার ঘরে একান্তে সময় কাটাতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় শফি সিকদার নামে এক বিএনপি নেতাকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে দুজনের সম্মতিতে বিয়ে দেওয়া হয়। সোমবার (৮ জুন) রাত ১২টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সোনালিয়া গ্রামে ওই নারীর বাড়ি ঘেরাও করে তাদের দুজনকে আটক করা হয়। আটক বিএনপি নেতা শফি সিকদার একই ওয়ার্ডের কটামারা গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে। তিনি বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এদিকে এই ঘটনা জানাজানি হলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর মঙ্গলবার (৯ জুন) শফি সিকদারকে দল থেকে বহিষ্কার করে উপজেলা বিএনপি। উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সোনালিয়া গ্রামে ওই নারীকে বিয়ের কয়েক মাস পর ডিভোর্স দিয়ে স্বামী সৌদি আরব চলে যান। এরমধ্যে কটামারা গ্রামের দুই সন্তানের জনক বিএনপি নেতা শফির সঙ্গে ওই নারীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শফিক প্রায় রাতেই ওই নারীর বাড়ি আসেন। বিষয়টি এলাকার লোকজনের নজরে আসে। সোমবার রাতে স্থানীয়রা ওই নারীর আশপাশে গোপনে পাহাড়ার ব্যবস্থা করেন। রাত ১১টার দিকে শফি ওই নারীর ঘরে ঢুকলে ওঁৎ পেতে থাকা স্থানীয় লোকজন রাত ১২টার দিকে বাড়ি ঘেরাও করে তাদের আটক করেন। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছাড়াও শতাধিক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমায়। এসময় তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। খবর পেয়ে মির্জাপুর বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এছাড়া বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলাউদ্দিন আল আজাদসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত হন। পরে শফিক ও ওই নারীর সম্মতিতে ৫ লাখ টাকার কাবিনে বিয়ে সম্পন্ন করেন এবং তাদের উদ্ধার করেন। অপরদিকে এই খবর পেয়ে শফিকের আগের স্ত্রী ও সন্তানরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে বেদম মারপিট করেন। পরে শফিকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। মির্জাপুর বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান বলেন, জনতার হাতে আটকের খবর শুনে শতশত নারী পুরুষ ঘটনাস্থলে যান। পরে রাজনৈতিক দলের নেতাদের উপস্থিতিতে মীমাংসার প্রক্রিয়া শুরু হলে তারা চলে আসেন বলে জানান। আরিফুল ইসলাম/এসএইচএ

Source 2: Jugantor · 10/06/26open original ↗

প্রেমিকাকে বিয়ে করে বাড়ি নেওয়ায় প্রথম স্ত্রীর পিটুনি

প্রিন্ট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২১ এএম Advertisement Advertisement মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আরও পড়ুন Advertisement মির্জাপুরে পরকীয়ার সময় আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে আটকের পর প্রেমিকাকে বিয়ে করে বাড়ি নেওয়ার পর প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা পিটিয়ে আহত করল সফিক সিকদারকে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁশতৈল ইউনিয়নের সোনালিয়া গ্রামে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ খবরে বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে দপ্তর সম্পাদক হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত এক নোটিসে এ তথ্য জানানো হয়। জানা গেছে, সোমবার রাতে ওই নারীর বাড়ি ঘেরাও করে তাদের দুজনকে আটক করে এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, সোনালিয়া গ্রামের সাবিনা আক্তারের একই এলাকার সুজনের সঙ্গে সাড়ে তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর তাদের ডিভোর্স হয়। সম্প্রতি কটামারা গ্রামের দুই সন্তানের জনক সফিক সিকদারের সঙ্গে সাবিনার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এদিকে আটকের পর স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে মঙ্গলবার সকালে সাবিনা আক্তারকে বিয়ে করে সফিক সিকদার বাড়িতে নিয়ে যান। এ সময় তার প্রথম স্ত্রী মালেকা বেগম, ছেলে আল আমিন ও মেয়ে ইমা আক্তার তাকে বেধম মারধর করে আহত করেন। Advertisement সম্পর্কিত খবর Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement