কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Netrokona. Parties reported: Ripon Mia. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
0
Summary
নেত্রকোনায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। ১ আগস্ট রাতে কিশোরীকে মগড়া নদীর পাড়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে ৫ আগস্ট মামলাটি দায়ের করা হয়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
89% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার
সারাদেশ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার × কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া (৩৩) নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:১৮ - অ + নেত্রকোনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে (৩৩) ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার মহিষারন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার রিপন মিয়া নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটর। মামলার অভিযোগ ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া এক কিশোরীকে (১৫) কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয় করে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন রিপন মিয়া। গত ১ আগস্ট শনিবার রাতে ওই কিশোরীকে জরুরি কথা আছে বলে মগড়া নদীর পাড়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে ৫ আগস্ট কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা মডেল থানায় রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ঘটনার পরপরই রিপন মিয়া আত্মগোপনে চলে যান। র্যাব-১৪ সদর কোম্পানির কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই র্যাব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত ও নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিষারন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নেত্রকোনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর র্যাব- ১৪ ময়মনসিংহের গৌরীপর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে থানায় আনার জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল শনিবার আদালতে তোলা হবে রিপন মিয়াকে। পেশায় রাজমিস্ত্রি রিপন মিয়া ২০১৬ সাল থেকে ফেসবুকে ভিডিও তৈরি করছেন। ‘হাই আই এম রিপন ভিডিও’ ও ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ এসব সংলাপের ভিডিও দিয়ে তিনি পরিচিতি পান। ২০১৯ সালে ‘রিপন মিয়া’ নামে ফেসবুকে একটি পেজ খোলেন। পেজটিতে বর্তমানে ফলোয়ারের সংখ্যা ১৯ লাখ। বিষয় : নেত্রকোনা ধর্ষণের মামলা গ্রেপ্তার র্যাব আরও পড়ুন নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন, শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ শিশু পরিবারে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা: ‘কর্তৃপক্ষের অবহেলা’ চিহ্নিত, সাময়িক বরখাস্ত ৬ জন পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পাশাপাশি দ্বিতীয় পদ্মা সেতুও দরকার: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ২০ টাকার লটারির টিকিটে ৩০ লাখ টাকার দাবিদার কৃষক সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন, শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ ইউক্রেনে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়েছে রাশিয়া শিশু পরিবারে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা: ‘কর্তৃপক্ষের অবহেলা’ চিহ্নিত, সাময়িক বরখাস্ত ৬ জন পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পাশাপাশি দ্বিতীয় পদ্মা সেতুও দরকার: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে দেখতে হাসপাতালে গোলাম পরওয়ার গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া জুলাই আন্দোলন সম্পূর্ণ হবে না: আলোচনা সভায় বাম নেতারা বোমা হামলার আশঙ্কায় পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ ২০ টাকার লটারির টিকিটে ৩০ লাখ টাকার দাবিদার কৃষক আরও পড়ুন ×
মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা : সেই শিক্ষক ৩ দিনের রিমান্ডে
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত সেই শিক্ষককে তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোসসিনা ইসলাম পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে আগামী ১০ মে বিকেলে তাকে আদালতে উপস্থিত করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। আজ তাকে আদালতে তোলা হলে চাঞ্চল্যকর এই মামলার বিচারকার্য নিয়ে নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। এই মামলাটি জনস্বার্থ ও সামাজিক নিরাপত্তার বিবেচনায় অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় আদালত কক্ষ সবার জন্য উন্মুক্ত রেখে বিচারকার্য করার সিদ্ধান্ত নেন বিচারক। আদালত কক্ষের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সাধারণ মানুষ, সংবাদকর্মী এবং মানবাধিকার কর্মীরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বিচারকার্য পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল বিচারকের উদ্দেশ্যে বলেন, ধর্ষণের এই ঘটনাটি এখন 'টক অব দ্যা কান্ট্রি'। আসামির পক্ষের লোকজন সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। মেয়েটির চিকিৎসা করেছিলেন যে চিকিৎসক তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য একটি দল বা গোষ্ঠী দলগতভাবে কাজ করছে। আসামি নিজেও ফেসবুক লাইভে এসে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছেন। যার কারণে অনলাইনে একটি ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। তার আরো কোন অনৈতিক কাজ আছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখার দরকার বলেও দাবি করেন এই আইনজীবী। এই ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করার আবেদন করছি। আসামি পক্ষের আইনজীবী টিপু সুলতানের (ডায়মন্ড) প্যানেল থেকে অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন খান জিয়া বিচারকের উদ্দেশ্যে বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেই তাকে অপরাধী বলা যায় না। এভাবে কেউ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তাকে অপরাধী সাজাতে পারে না। আমি রিমান্ডের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার জামিন মঞ্জুর করার আবেদন করছি। সে অপরাধী হলে তার বিচার হবে। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মোসসিনা ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার (৭মে) বিকেল ৪টা থেকে রোববার (১০মে) বিকেল ৪টা পর্যন্ত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে। আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন এবং অভিযুক্তকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হয় যখন মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে পরিবার তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরীক্ষায় জানা যায়, ওই ছাত্রী ৭ মাসের বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্ত শিক্ষক এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেন। এর আগে নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। বুধবার (৫মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাব-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে এবং পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। চয়ন দেবনাথ মুন্না/আরকে
৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ছুরি দেখিয়ে হুমকি, যুবক গ্রেফতার
৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ছুরি দেখিয়ে হুমকি, যুবক গ্রেফতার Advertisement নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১১) ধর্ষণের পর ধারাল ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় অভিযুক্ত মুন্না মিয়া নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র্যাব। মঙ্গলবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে জেলা শহর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সকালে তাকে মোহনগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়। গ্রেফতার মুন্না মিয়া (২৫) মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের রানা হিজল গ্রামের শহিদ আলমের (ছোট্টন) ছেলে। মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার দুপুরে মুন্নাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। র্যাব, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিশুটির পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র, কোনো সহায়-সম্পত্তি না থাকায় তারা গ্রামে অন্যের বাড়িতে বসবাস করে। গত ১২ জুন রাত ১০টার দিকে শিশুটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হয়। এ সময় সেখানে ওতপেতে থাকা প্রতিবেশী মুন্না শিশুটির মুখ গামছা দিয়ে প্যাঁচিয়ে টেনেহিঁচড়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত রান্নাঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে মুন্না শিশুটির মুখ, হাত ও পা গামছা দিয়ে বেঁধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে ধারাল ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি পরিবারের কাউকে জানায়নি। ধর্ষণের ফলে শুরু হওয়া রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় পরদিন শিশুটি তার ফুফুকে বিষয়টি খুলে বলে। তাৎক্ষণিকভাবে শিশুর বাবাকে বিষয়টি অবগত করেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনা জানার পর শিশুর বাবা ও ফুফু অভিযুক্ত মুন্নার বাবার কাছে বিচার চাইতে যান। অভিযুক্তের বাবা ঘটনাটি শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারকে চরম ভয়ভীতি দেখন এবং হুমকি দেন। পরে রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মুন্নার বিরুদ্ধে মোহনগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় রাতেই মামলা গ্রহণ করে পুলিশ। মামলার পরপরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গা-ঢাকা দেয় মুন্না। এদিকে পলাতক মুন্নাকে ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় এবং তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ শুরু করে। একপর্যায়ে আজ মঙ্গলবার ভোরে নেত্রকোনা শহরের সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় মুন্নার অবস্থান সনাক্ত করা হয়। পরে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
নেত্রকোনায় কালো পতাকা নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভিডিও ফেসবুকে
কালো পতাকা হাতে নিয়ে ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ। শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কের হিরনপুর বাজার এলাকায়ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া নেত্রকোনার পূর্বধলায় কালো পতাকা হাতে নিয়ে ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা। আজ শুক্রবার সকালে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কের হিরনপুর বাজার এলাকায় এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ঝটিকা মিছিলের ১ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের আইডি থেকে শেয়ার করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, পূর্বধলা উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি সোলাইমান হোসেনের নেতৃত্বে মিছিলে সংগঠনটির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন। নেতা-কর্মীদের কারও হাতে কালো পতাকা, আবার কারও হাতে ব্যানার ছিল। এ ব্যাপারে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে মুঠোফোনে বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঝটিকা মিছিলের বিষয়টি শুনেছি। ভিডিও দেখে এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মিছিলে অংশ নেওয়া এসব নেতা-কর্মীকে শনাক্ত করা হচ্ছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার অন্তত চারজন বাসিন্দা জানান, শুক্রবার সকাল পৌনে আটটার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করে বেশ কিছু যুবক একত্র হয়ে কালো পতাকা হাতে নিয়ে স্লোগান দিয়ে মিছিল শুরু করেন। প্রায় পাঁচ মিনিটব্যাপী মিছিল শেষে তাঁরা মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে চলে যান। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নেত্রকোনারাজনীতিমিছিলছাত্রলীগময়মনসিংহ বিভাগ
