নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় কারখানার রাস্তা বন্ধ, রপ্তানি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত
Why this classification
The article reports a current blockage of a factory road caused by a landowner demanding money, which is a destructive act (wall, waste) and extortion, meeting the definition of violence. It occurs in Narayanganj, Bangladesh, and is recent, so it is classified as a violent incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় তৈরি পোশাক কারখানার প্রবেশদ্বার ১০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা চাঁদা না দেওয়ায় বন্ধ করা হয়েছে। মালিক তৈয়ব মিয়া দাবি করেন যে জমির মালিক হা.এ.এম মাহমুদুর রহমান ৭.৫ মিলিয়ন টাকা চাঁদা চাওয়ার পর রাস্তা অবরুদ্ধ করে দেয়া এবং দেয়াল ও বর্জ্য ফেলে চলাচল বন্ধ করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
86% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় কারখানার রাস্তা বন্ধ, রপ্তানি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত
নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় কারখানার রাস্তা বন্ধ, রপ্তানি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:০৫ | প্রিন্ট সংস্করণ চাঁদার টাকা না পেয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি তৈরি পোশাক কারখানার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলনে পি.আই. ওশান টেক্সের মালিক তৈয়ব মিয়া এই অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এতে শতাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান ও রপ্তানি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তৈয়ব মিয়া জানান, ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় অবস্থিত তাঁর রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানায় যাতায়াতের জন্য ১০ ফুট প্রশস্ত একটি এজমালি রাস্তা ব্যবহার করা হচ্ছিল। কিন্তু গত মার্চ মাসে এইচ এ এম মাহমুদুর রহমান নামে এক ব্যক্তি জমির মালিকানা দাবি করে তাঁর কাছে ৭৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে রাস্তার ওপর দেয়াল নির্মাণ এবং ময়লা-আবর্জনা ও বয়লারের বর্জ্য ফেলে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মাহমুদুর তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও করেছেন। তৈয়ব জানান, এ ঘটনায় তিনি ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরি এবং রাস্তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় আদালতে মামলা করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপের দাবি জানান। - বিষয় : - চাঁদা
নারায়ণগঞ্জ শ্রমিকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী আটক
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে নিখোঁজের দুই দিন পর নাদিম আকন্দ (৩৬) নামে এক শ্রমিকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে দুপ্তারা ইউনিয়নের দড়ি সত্যভান্দী গ্রামের একটি ভাড়া ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী খাদিজাকে আটক করেছে পুলিশ। ওই ঘরের ভাড়াটিয়া হাকিম মোল্লাকে ঘটনার পর থেকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত নাদিম আকন্দ কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার উত্তর জাঙ্গালিয়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি আড়াইহাজারের দুপ্তারা ইউনিয়নের কালিবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি মিলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে নাদিম নিখোঁজ হন। এরপর শুক্রবার সকালে দড়ি সত্যভান্দী গ্রামের বাতেনের ভাড়া দেওয়া একটি টিনের ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। বিষয়টি বুঝতে পেরে বাতেনের ছেলে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে ঘরটি থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাদিমের মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, যে ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে নড়াইলের হাকিম মোল্লা ভাড়া থাকতেন। ঘটনার পর থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। নিহতের স্ত্রীর সঙ্গে হাকিমের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে দাম্পত্য কলহের জেরে নাদিমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। তবে হত্যার কারণ এবং এতে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আড়াইহাজার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন বলেন, নিহতের পারিবারিক ও দাম্পত্য বিরোধের বিষয়টি সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হবে। মেহেদী হাসান সৈকত/আরএআর
নারায়ণগঞ্জে সাহেব আলীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা: অস্ত্রসহ মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সাহেব আলী নামের এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মো. রনিকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন এসআরবি-১১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ। তিনি জানান, এসআরবি-১১ ও এসআরবি-৮–এর যৌথ অভিযানে রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ বলেন, বৃহস্পতিবার ভোরে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের শাহজাহানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১২ অক্টোবর সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনির ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এ সময় সশস্ত্র হামলাকারীরা সাহেব আলীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সড়কের পাশের একটি খালে পড়ে যান। সেখানেও হামলাকারীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। এসআরবি কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানান, স্থানীয় লোকজন সাহেব আলীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। ঘটনার বিবরণ দিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রনি সাহেব আলীকে লক্ষ্য করে একের পর এক গুলি ছুড়ছেন। হত্যাকাণ্ডের পরপরই গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত আরেক আসামি সাব্বিরকে ১৩ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি। নারায়ণগঞ্জে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ একটি শিল্প এলাকা। এখানে অনেক মানুষের বসবাস। আগে অপরাধের প্রবণতা বেশি থাকলেও এখন তা অনেকটা কমে এসেছে।’ নদীতে প্রায়ই মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বেশির ভাগ মরদেহ নারায়ণগঞ্জের বাইরে থেকে ভেসে আসে। হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এটা নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত নয়।’
