কারবারিদের কাছে যুবককে ‘বন্ধক’ রেখে ইয়াবা সংগ্রহ
Why this classification
This is classified as a criminal offense involving human trafficking and drug trade rather than political violence, as it centers on fraud, abduction, and illegal drug extortion by an individual.
Killed
0
Injured
0
Summary
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাব্বির হাওলাদার নামে এক যুবককে টেকনাফে নিয়ে মাদক কারবারিদের কাছে বন্ধক রেখে তিন লাখ টাকার ইয়াবা সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে আসাদ বেপারী নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী যুবক প্রায় এক মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কারবারিদের কাছে যুবককে ‘বন্ধক’ রেখে ইয়াবা সংগ্রহ
ডাসারে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণা কারবারিদের কাছে যুবককে ‘বন্ধক’ রেখে ইয়াবা সংগ্রহ Advertisement কালকিনি-ডাসার (মাদারীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ডাসারে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাব্বির হাওলাদার নামে এক যুবককে কক্সবাজারের টেকনাফে নিয়ে মাদক কারবারিদের কাছে ‘বন্ধক’ রেখে তিন লাখ টাকার ইয়াবা সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে আসাদ বেপারী নামে অপর এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আসাদ উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামের নোয়াবালী বেপারীর ছেলে। এ ঘটনায় প্রায় এক মাস ধরে সাব্বিরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। বিষয়টি জানাজানি হলে, বুধবার ডাসার উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী নিখোঁজ সাব্বিরের পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে সাব্বির এইচএসসি পাশ করে চাকরির সন্ধান করছিলেন। এ সুযোগে প্রতিবেশী আসাদ বেপারী তাকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টেকনাফে নিয়ে যান। সেখানে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে সাব্বিরকে ‘বন্ধক’ রেখে তিন লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা সংগ্রহ করে আসাদ বেপারী নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। সাব্বিরের পরিবারের আরও দাবি, ওই টাকা পরিশোধ না হওয়ায় সাব্বিরকে টেকনাফে আটকে রাখা হয়েছে। প্রায় এক মাসে পরিবারের সঙ্গে মাত্র একবার তার কথা হয়েছে। বর্তমানে বেশ কিছুদিন ধরে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। সাব্বিরের মা রাবেয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছেলেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যান আসাদ বেপারী। পরে জানতে পারি, টেকনাফে তাকে বন্ধক রেখে তিন লাখ টাকার ইয়াবা নিয়ে এসেছে। এক মাসের মধ্যে ছেলের সঙ্গে একবার কথা হয়েছে। কয়েক দিন ধরে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারছি না। আমার ছেলে কোথায় আছে, কী অবস্থায় আছে-তা জানি না। আমি আমার ছেলেকে ফিরে পেতে চাই।’ স্থানীয়রা জানান, আসাদ বেপারী কিছুদিন লিবিয়া ছিলেন। এলাকায় এসে তিনি ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এছাড়া তিনি নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগের বিষয়ে জানতে আসাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোনের লাইন কেটে দেন। পরে একাধিকবার কল করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে থানার ওসি মো. সোলায়মান মাহমুদ বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
