ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি বিতরণ নিয়ে ফের সংঘর্ষের শঙ্কা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A physical clash took place on Wednesday 15 April 2026 at the Katharbil filling station in Dewanganj, Jamalpur, after a fight over fuel queue order. Three people, including a father and his two sons, were injured in the fight between customers and station staff.

Reported by:SamakalSingle source
15/04/26•কাঠারবিল ফিলিং স্টেশন, দেওয়ানগঞ্জ

Killed

0

Injured

3

Summary

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে কাঠারবিল ফিলিং স্টেশনে ১৫ এপ্রিল (বুধবার) জ্বালানি নেওয়া নিয়ে গ্রাহক ও পাম্প কর্তৃপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আব্দুস সাত্তার ও তাঁর দুই ছেলে পিয়াস ও হৃদয় আহত হন। এর জেরে ১৭ ও ১৮ এপ্রিল সবুজপুর ও সাপমারী গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আব্দুস সাত্তারপিয়াসহৃদয়সুজননাজমুল হক (ফিলিং স্টেশন পরিচালক)আলমাছ আলীআকবর আলীবাছের আলীফইমুদ্দিনদেওয়ানগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন

Affected infrastructure

ফিলিং স্টেশন

Tags

ClashBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 19/04/26open original ↗

ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি বিতরণ নিয়ে ফের সংঘর্ষের শঙ্কা

ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি বিতরণ নিয়ে ফের সংঘর্ষের শঙ্কা দেওয়ানগঞ্জে মেসার্স কাঠারবিল ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে গিয়ে দুপক্ষের উত্তেজনা সমকাল দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:৩০ | প্রিন্ট সংস্করণ দেওয়ানগঞ্জে জ্বালানি নিতে আসা গ্রাহকদের সঙ্গে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের ফের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। গত বুধবারের সংঘর্ষের পর থেকে কয়েক দফা বিবাদে জড়িয়ে পড়েন তারা। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় কাঠারবিল সাপমারী ও সবুজপুর গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের উপক্রম হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। গতকাল শনিবার সকালে আবারও তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় অনেকে জানান, ফিলিং স্টেশনে গত বুধবার ডিজেল ও পেট্রোল নিতে আসা গ্রাহকদের ভিড় জমে। লাইনে দাঁড়িয়ে পর্যায়ক্রমে জ্বালানি নেওয়ার কথা থাকলেও অনেকেই ইচ্ছেমতো ভিড় করে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টির প্রতিবাদ করেন সবুজপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তার। তিনি সকাল থেকে ডিজেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। লাইন ছুট হয়ে জ্বালানি নেওয়া ও লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে জ্বালানি না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রথমে তাঁর বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মারধরের শিকার হন আব্দুস সাত্তার। বিষয়টি ফোনে তাঁর স্বজনদের জানালে আব্দুস সাত্তারের দুই ছেলে পিয়াস ও হৃদয় ঘটনাস্থলে আসেন। এক পর্যায়ে পিয়াস ও হৃদয়ের সঙ্গে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে আব্দুস সাত্তার, তাঁর ছেলে পিয়াস ও হৃদয় আহত হন। ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার দুপুরে সুজন নামে এক লোক ট্রাক্টর নিয়ে এসে ডিজেলের জন্য তাড়াহুড়ো করে। তাঁর বাড়ি সবুজপুরে। সে সময় পাম্পের লোকজন সাধারণ কৃষকদের ডিজেল দিচ্ছিল। সুজন ডিজেল না পেয়ে ফোন দিয়ে তাঁর এলাকা থেকে লোকজন ডেকে আনে। তারা ফিলিং স্টেশনের লোকজনের ওপর হামলা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এলাকাবাসী জানান, বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনাটি সবুজপুর ও কাঠারবিল সাপমারী দুই গ্রামের মধ্যে গড়ায়। শুক্রবার সবুজপুরে বাছের আলী নামে কলা ব্যবসায়ী কাঠারবিল বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে জাবেদ মোড় এলাকায় সাপমারী গ্রামের লোকজনের মারধরের শিকার হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সবুজপুর গ্রামবাসী কাঠারবিল ফিলিং স্টেশনের কাছে যান। সেখানে দুই পক্ষ মারমুখী হয়ে উঠলে পুলিশে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শনিবার সকালেও সংঘর্ষের উপক্রম হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাম্পটির মূল মালিক আকবর আলী। ঋণের দায়ে তিনি আত্মগোপন করলে পাম্পটি বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক বছর আগে আকবর আলীর স্বজন আলমাছ আলী পাম্পটির দায়িত্ব নিয়ে চালু করেন। তিনি কিছু দিন ফিলিং স্টেশনটি চালিয়ে ভাড়া দেন নাজমুল হক নামে এক ব্যক্তির কাছে। ২০২৩ সালের শেষের দিক থেকে পাম্পটির দায়িত্ব নিয়ে পরিচালনা শুরু করেন তিনি। নাজমুল হক ফিলিং স্টেশনটিতে নিজস্ব লোক নিয়োগ করেন। বর্তমানে প্রতিদিন ৫০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ পান তিনি, যা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য। এই অঞ্চলে একটিমাত্র ফিলিং স্টেশন হওয়ায় সেখানে ফুলছড়ি, রাজিবপুর ও রৌমারী উপজেলার লোকজনও জ্বালানি নিতে আসেন। ফলে এই পাম্পে গ্রাকদের অনেক চাপ। নাজমুল হক জানান, পাম্পটিতে নিজে না থাকতে পেরে লোকবল নিয়োগ দিয়েছেন। সংকটের কারণে বিভিন্ন সময় অপ্রীতিকর ঘটনার সূত্রপাত হচ্ছে। সবুজপুর গ্রামের ফইমুদ্দিনের ভাষ্য, বিষয়টি দ্রুত মীমাংসা না হলে দুই গ্রামের মধ্যে ফের বড় ধরনের সংঘর্ষ হতে পারে। সাপমারী গ্রামের লোকজন বারবার সবুজপুর গ্রামবাসীর ওপর হামলা করেই যাচ্ছে। সাপমারী গ্রামের আলমাছ হোসেন বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনার অবসান ঘটিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন তিনি। দেওয়ানগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, জ্বালানি বিতরণের সময় ওই পাম্পে পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে। জ্বালানি বিতরণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অটুট রাখতে চেষ্টার কোনো কমতি নেই।  - বিষয় : - ফিলিং স্টেশন