পরমিলাকে নিজ গাড়িতে বাড়ি নিয়ে গেলেন ইউএনও

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a specific incident in Kaliganj where two sons forced their mother out of her home and a UNO officer intervened. This is a concrete act of violence within Bangladesh, occurring within the 14‑day window, so it is classified as violence.

Reported by:JugantorSingle source
10/10/26•Kaliganj

Killed

0

Injured

0

Summary

কালীগঞ্জে পারমিলা, যিনি স্বামীহীন, তার দুই ছেলে লিটন ও তাপস তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ইউএনও রেজওয়ানা নাহিদ ঘটনাস্থলে গিয়ে পারমিলাকে তার বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যান।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 2

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

ParmilaLitonTapsRezwana Nahid

Affected infrastructure

house

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 11/10/26open original ↗

পরমিলাকে নিজ গাড়িতে বাড়ি নিয়ে গেলেন ইউএনও

কালীগঞ্জে ছেলেরা ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন পরমিলাকে নিজ গাড়িতে বাড়ি নিয়ে গেলেন ইউএনও Advertisement কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ স্বামীহারা পরমিলা। অনেক আগেই স্বামী মারা গেছেন। ছেলেদের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন পরমিলা। হঠাৎ তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে ছেলে লিটন ও তাপস। এ অভিযোগ নিয়ে শনিবার সকালে গিয়েছিলেন কালীগঞ্জের ইউএনও রেজওয়ানা নাহিদের কাছে। এরপর অভিযোগ শুনে নিজ গাড়িতে নিয়ে বাড়িতে দিয়ে আসেন ইউএনও রেজওয়ানা নাহিদ। পরমিলা উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের মৃত জুগলের স্ত্রী। জানা যায়, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে পরমিলার। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। ছেলে লিটন ও তাপস বাদাম বিক্রেতা। পরমিলাও অন্যের ওপর নির্ভর না করে পরের বাড়িতে কাজ করেন। সেখান থেকে যা আয় হয় সেটা দিয়েই নিজের খরচ মেটান। তার কিছু গচ্ছিত টাকা মেয়েদের দেওয়ার কারণে ছেলেদের সঙ্গে কয়েক দিন ধরে মনোমালিন্য হয়। ব্যাংকে গচ্ছিত দুই লাখ টাকার মধ্যে অর্ধেক মেয়েদের দিয়েছেন আর অর্ধেক ছেলেদের দিয়েছেন। বৃদ্ধা পরমিলার দাবি, ছেলেরা তাকে ভুল বুঝিয়ে জমি লিখে নিয়েছে। এজন্য তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাই। ইউএনও রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, শনিবার সভা শেষে গাড়িতে উঠবো এমন সময় এক বৃদ্ধাকে দেখলাম কান্নাকাটি করছেন। জিজ্ঞেস করতে জানালেন ছেলেরা ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন। আমি বৃদ্ধাকে বললাম, গাড়িতে উঠুন। আপনার বাড়ি যাব। দুই ছেলের বৌ, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পারিবারিক বিবাদ মিটিয়ে বৃদ্ধাকে তার ঘরে তুলে দিয়ে আসি।