আ.লীগ অফিসের তালা ভেঙে দখলে নিলেন মহিলা দল নেত্রীর স্বামী
Why this classification
A man allegedly broke the lock of the Awami League upazila office in Kalapara on 9 April 2026 and took over the building as a storeroom, causing property damage. The dispute centres on land ownership, with no injuries reported, and the accused denies breaking the lock.
Killed
0
Injured
0
Summary
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের তালা ভেঙে ৯ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সকালে উপজেলা মহিলা দল সভানেত্রী সালমা বেগম লিলির স্বামী মিলন বেপারী কার্যালয়টি দখলে নিয়ে গুদামঘর হিসেবে ব্যবহার শুরু করেন। ঘটনাটি জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের সঙ্গে জড়িত, তবে মিলন বেপারী তালা ভাঙার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বিএনপি এর দায় নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
60% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
আ.লীগ অফিসের তালা ভেঙে দখলে নিলেন মহিলা দল নেত্রীর স্বামী
আ.লীগ অফিসের তালা ভেঙে দখলে নিলেন মহিলা দল নেত্রীর স্বামী Advertisement কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪২ পিএম আ.লীগ অফিসের তালা ভেঙে দখলে নিলেন মহিলা দল নেত্রীর স্বামী পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসের তালা ভেঙে দখলে নেওয়ার পর গুদাম ঘর হিসেবে ব্যবহার করছেন মহিলা দল নেত্রীর স্বামী মিলন বেপারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিসহ এ বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবাদে সরব হয়ে ওঠে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আর বিএনপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট বলা হয়, বিএনপি এটিকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না। এটা মহিলা দল নেত্রীর ব্যক্তিগত দায়-দায়িত্ব। তবে উপজেলা মহিলা দল সভানেত্রী সালমা বেগম লিলি ও তার স্বামী মিলন বেপারীর দাবি, এটা তাদের ভূসম্পত্তি। জোরপূর্বক ফলজ গাছ কেটে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করেন প্রয়াত পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুবুর রহমান। সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির উপজেলা কার্যালয়ে কয়েক দফা হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের এসি, সিলিং ফ্যানসহ মূল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে কার্যালয়ের ভেতরে নিজেদের রান্নাঘরের লাকড়িসহ মালামাল রেখে গুদামঘর হিসেবে ব্যবহার শুরু করেন উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সালমা বেগম লিলির স্বামী মিলন বেপারী। ঘটনার পরপরই এ সংক্রান্ত ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। প্রতিবাদে সরব হয়ে ওঠে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, সরকারের কাছ থেকে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে এবং সম্মানজনক সালামি দিয়ে ৯৯ বছরের জন্য ওই দুই শতক খাসজমি দলীয় কার্যালয়ের জন্য আওয়ামী লীগ সম্পাদকের নামে বন্দোবস্ত নেওয়া হয়। এরপর পৌরসভা থেকে ভবনের নকশা অনুমোদন নিয়ে দ্বিতল ভবনটি নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে ক্ষমতার দাপটে দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে দখল করে নিয়েছেন মহিলা দল নেত্রী। এ বিষয়ে মহিলা দল নেত্রী সালমা বেগম লিলির স্বামী মিলন বেপারী মোবাইল ফোনে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, আমি কোনো তালা ভাঙিনি, ওটা খোলা ছিল। আমার বাসার কয়েকটি গাছ ঝড়ের আঘাতে পড়ে যাওয়ায় সেগুলো কেটে ওখানে রেখেছি। মিলন বেপারী আরও বলেন, ওই জায়গা আমার। এতদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতার দাপটে দখল করে রেখেছিল। আমার যথাযথ কাগজপত্র আছে। এ বিষয় নিয়ে আমি সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাব। কলাপাড়া জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী সালমা বেগম লিলি বলেন, আমার বিয়ের আগে থেকেই দেখেছি ওই জায়গা আমার শ্বশুরের ছিল। ওই জায়গায় অনেক ফলের গাছ ছিল। একটা টিনের ঘর ছিল। যেখানে আমার প্রয়াত শ্বশুর রেশনিং ডিলারশিপ চালাতেন। সেই জায়গা আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব ও রাকিবুল সাহেব জোরপূর্বক গাছ কেটে দখলে নিয়ে তাদের দলীয় কার্যালয় বানিয়েছেন। গত ১৫ বছর উচ্চশব্দের মাইক ব্যবহার করে তারা ওখানে তাদের দলীয় শ্রাদ্ধ, জন্মদিন পালন করেছেন। এতে আমার পরিবার-পরিজনদের নিয়ে গত ১৭ বছর শব্দদূষণের অত্যাচার সহ্য করেছি। উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব তালুকদারের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে এ বিষয়ে তার মন্তব্য জানতে চাইলে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। উপজেলা বিএনপির সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুর রহমান চুন্নু বলেন, এটি আমার নলেজে নেই। বিএনপি এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না। এটা আমার দলের সভাপতি হাজী হুমায়ূন সিকদার কিংবা এমপিও প্রশ্রয় দেবেন না। এটা লিলি বেগমের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত দায়-দায়িত্ব; দল এর কোনো দায় নেবে না।
